
১৯৭৪ বিশ্বকাপে কঙ্গো খেলেছিল। তখন দেশটির নাম ছিল জায়ার। বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ স্বৈরশাসক মবুতুর হুমকি মাথায় নিয়ে খেলেছিল খেলোয়াড়েরা। কী হয়েছিল ৫২ বছর আগে?

শেষ ৩২-এর এই ম্যাচে দুই গোলের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় কিংবদন্তি পেলেকে (১২ গোল) পেছনে ফেলেছেন হ্যারি কেইন। ইংল্যান্ড অধিনায়কের গোল এখন ১৩টি।

দেশটির নাম এক সময় ছিল জায়ার। ১৯৭৪ বিশ্বকাপে জায়ার নাম নিয়েই খেলেছিল তারা। জায়ার থেকে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো নাম নেওয়ার পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপ তাদের। মাঝখানে ব্যবধান ৫২ বছরের। দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে এসে ইতিহাস গড়েছে ডিআর কঙ্গো।

বুধবার দেওয়া এক বিবৃতিতে ফ্রান্সের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, সাধারণ জনগণের জন্য এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি খুবই কম।

কঙ্গোর বিপক্ষে ড্রয়ের পর ২০২৬ বিশ্বকাপে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য পর্তুগালের। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে কি একাদশে ফিরবেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো? সতীর্থরা তাকে যথেষ্ট পাস দেন না—এ অভিযোগের বাস্তবতা কতটুকু?

গ্যালারিতে হাজারো মানুষের উন্মাদনা, চিৎকার! কিন্তু তার মাঝেই একজন মানুষ, একদম নিথর, পাথরের মতো। তিনি হাসছেন না, কাঁদছেন না, এমনকি দলের জয়ে কোনো উল্লাসও তার নেই। কে এই রহস্যময় ব্যক্তি?

কঙ্গোর ফুটবলীয় লড়াইয়ের সমান্তরালে গ্যালারিতে মিশেল এমবোলাডিঙ্গার এই জীবন্ত ভাস্কর্য হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কেবলই ফুটবলপ্রেম নয়; এটি ফুটবল, শিল্প আর ইতিহাসের এক অনন্য কোলাজ—কলম্বিয়ার বিপক্ষে কঙ্গোর ম্যাচে বিশ্বকাপেও নতুন এক দৃশ্যপট তৈরি করবেন এমবোলাডিঙ্গা

ম্যাচে গোল করা তো দূরের ব্যাপার, রোনালদো ৯০ মিনিটে শটই নিতে পেরেছেন ৩টি। তার মধ্যে একটিও পোস্টে রাখতে পারেননি। ওই তিন শটের মধ্যে আবার একটা এমন ছিল, যেটিতে বল যাচ্ছিল ব্রুনো ফের্নান্দেসের দিকে, ফের্নান্দেস অপেক্ষাকৃত ভালো পজিশনেও ছিলেন। কিন্তু রোনালদো আগ বাড়িয়ে শট নিয়ে সুযোগ নষ্ট করেছেন।

কাগজে-কলমে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল এবং লুইস দিয়াজের কলম্বিয়া সহজেই পরের রাউন্ডে যাবে বলে মনে হলেও, ফুটবলে তো কত কিছুই ঘটতে পারে। উজবেকিস্তান কি পারবে রোনালদোকে থামানোর কোনো মাস্টারপ্ল্যান সাজাতে? নাকি কঙ্গো আন্ডারডগ হিসেবে এসে কলম্বিয়া বা পর্তুগালের উৎসব ভণ্ডুল করে দেবে?

ইবোলা অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির বমি, রক্ত ও বীর্যের মতো শারীরিক তরলের সংস্পর্শে এলে সহজেই অন্য শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটতে পারে।

কঙ্গোর দক্ষিণ কিভুর লুভুঙ্গি ও কাটোগোটা এলাকায় নতুন করে গোলাগুলি ও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ায় শত শত মানুষ ঘর ছেড়ে সাঙ্গের দিকে পালিয়ে গেছে। সাম্প্রতিক সহিংসতা পূর্ব কঙ্গোর মানবিক সংকট আরও ঘনীভূত করছে, আর যোগাযোগ ব্যবস্থার অবনতির কারণে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব এখনো জানা যাচ্ছে না।