দলে হ্যারি কেইন থাকলে আপনার আর চিন্তা নেই, সে একটা উপায় বের করে নেবেই— অনেকটা সময় ধরেই ইংলিশ ফুটবলের এটাই যেন অলিখিত নিয়ম। বড় মঞ্চে যখনই বিপদের মুখে ইংল্যান্ড, বারবার ত্রাতার ভূমিকায় হাজির হয়েছেন অধিনায়ক কেইন। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষেও জোড়া গোলে অঘটনের হাত থেকে বাঁচিয়ে একাই নিয়ে গেলেন শেষ ১৬-তে।
শেষ ৩২-এর এই ম্যাচে দুই গোলের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় কিংবদন্তি পেলেকে (১২ গোল) পেছনে ফেলেছেন কেইন। ইংল্যান্ড অধিনায়কের গোল এখন ১৩টি।
আসর জুড়ে চমক জাগানিয়া পারফরম্যান্স দেখানো কঙ্গো হারলেও নিজেদের নিয়ে গর্ব করতেই পারে। ৭৫ মিনিট পর্যন্ত ইংল্যান্ডকে তারা যেভাবে আটকে রেখেছিল, এরপরও হেরে যাওয়াটা হতাশারই। তবে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় কেইন যখন জ্বলে ওঠেন, প্রতিপক্ষের তো করার থাকে সামান্যই।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই কঙ্গো এগিয়ে যায়। ডান প্রান্ত থেকে এমবেম্বার বাড়ানো একটি লম্বা বল রিসিভ করে প্লেসিং শটে গোল করেন সিপেঙ্গা। ১৯৭৪ সালে 'জাইরে' নামে খেলার পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া কঙ্গো তখন ইতিহাস গড়ার স্বপ্নে বিভোর।
একের পর এক সুযোগ মিস করা ইংল্যান্ড ভাগ্যের জোরে আরেকটি গোল হজম করেনি পোস্টে লেগে ফিরে আসায়। অন্যদিকে কঙ্গোর গোলকিপার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন। তবে শেষ রক্ষা আর হয়নি।
৭৫তম মিনিটে কঙ্গোর প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে। বদলি হিসেবে নামা গর্ডনের বাড়ানো চমৎকার ক্রস থেকে জোরালো হেডে গোল করেন কেইন। ১১ মিনিট বাদে গর্ডনের আরেকটি পাস থেকে বক্সের ভেতর বল পেয়ে কঙ্গোর তিন ডিফেন্ডারকে পাশ কাটিয়ে নিখুঁত শটে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন কেইন।