
মেসির আর্জেন্টিনা নাকি এমবাপ্পের ফ্রান্স? ইয়ামালের স্পেন নাকি কেইনের ইংল্যান্ড? নাকি চমক দেখাবে হালান্ডের নরওয়ে কিংবা মরক্কো, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ডের কেউ? বিশ্বকাপে আর দল বাকি ৮টি, শিরোপার হিসাবের পথে ম্যাচ বাকি ৭টি। শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিতবে কে?

লিওনেল মেসি উড়ছেন, এমবাপ্পে, কেইন, হলান্ডরা গোল করছেন, কিন্তু পর্তুগালের হয়ে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এখনো অনুজ্জ্বল। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে দুই গোল করেছেন, কঙ্গো আর কলম্বিয়ার বিপক্ষে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবু রোনালদোকেই কেন শুরুতে খেলাতে বাধ্য হচ্ছে পর্তুগাল? রোনালদোর ইগো, নাকি আর কোনো ভালো বিকল্প নেই বলে?

শেষ ৩২-এর এই ম্যাচে দুই গোলের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় কিংবদন্তি পেলেকে (১২ গোল) পেছনে ফেলেছেন হ্যারি কেইন। ইংল্যান্ড অধিনায়কের গোল এখন ১৩টি।

হ্যারি কেইন ইংল্যান্ডের মূল ভরসা। কোচ টমাস টুখেলের বিশ্বকাপ দলে মার্কাস রাশফোর্ড, জুড বেলিংহাম, ডেকলান রাইসরা আছেন। কিন্তু আগের ইংল্যান্ডের সঙ্গে এবারের ইংল্যান্ডের বড় পার্থক্য–টুখেল নিশ্চিত করেছেন, তারকা মানেই দলে জায়গা নয়।

বিশ্বকাপের ‘এল’ গ্রুপটা হ্যারি কেইন আর লুকা মদরিচের দ্বৈরথ। ১৯৬৬ সালের পর ইংল্যান্ডের ‘ইটস কামিং হোম’ স্লোগানটা এবারও থাকবে। তবে বিশ্বকাপ এবার ‘বাড়ি’ ফিরবে কিনা, দেখার বিষয় এটাই। ঘানার পাওয়ার ফুটবলও এই গ্রুপের অন্যতম আকর্ষণ। পানামাও তাড়াতাড়ি দেশে ফিরতে চাইবে না।