
ত বৃহস্পতিবার রাতে ইসি সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে জানায়, আগে ঘোষিত হিসাবের তুলনায় মোট প্রদত্ত ভোট কমেছে ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬টি। কমেছে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’—দুই পক্ষের ভোটসংখ্যাও; বেড়েছে বাতিল ভোট।

ভোট কমার বিষয়ে জানতে চাইলে আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, “তখন করণিক ভুল ছিল, ট্রান্সপজিশন এরর ছিল।”

রফিকুল আমীন বলেন, “আমাদের যথাযথ কমিটি ও কার্যালয় রয়েছে। আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশন সত্য উদঘাটন করবে এবং আমরা ন্যায়বিচার পাবো।”

বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য হয় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসন বেছে নেওয়ায়। অন্যদিকে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত হয়েছিল প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে।

গণভোট প্রসঙ্গে ইসি সচিব জানান, শেরপুর-৩ আসনে গণভোটের প্রয়োজন নেই, কারণ আইন অনুযায়ী পূর্ববর্তী গণভোটের ব্যবধানজনিত কারণে এই আসনে তা বাধ্যতামূলক নয়।

সংসদ সচিবালয় যে তালিকা পাঠিয়েছে, তাতে মোট ভোটার সংখ্যা ২৯৬ জন। এখন ইসি আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

বিভিন্ন মহলের সমালোচনার জবাবে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ১১ ডিসেম্বর রয়টার্সের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “আমি বিদায় নিতে আগ্রহী। আমি এখান থেকে চলে যেতে চাই। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমাকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব রয়েছে বলেই আমি এ অবস্থানে আছি।”

চিঠিতে জানানো হয়, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যেসব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল, সেসব কেন্দ্রে ভোটের আগের দিন এবং ভোটের দিন ধারণকৃত সব ফুটেজ ভবিষ্যতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসন থেকে বিজয়ী হওয়া তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আজ সোমবার তিনি ঢাকা–১৭ রেখে বগুড়া–৬ ছেড়ে দিয়ে চিঠি দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনকে। ফলে আগামীকাল মঙ্গলবার তারেক রহমান ঢাকা–১৭ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন।

একজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী মাসিক সম্মানীসহ নানা ভাতা পেয়ে থাকেন। ১৯৭৩ সালের একটি আইনের অধীনে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সম্মানীসহ নানা সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার পরিসংখ্যান ও নির্বাচন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। ১৫ ফেব্রুয়ারি (২০২৬) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাপ্ত তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টারা সবাই দেশেই আছেন। তারা দেশের গর্বিত সন্তান। ভবিষ্যতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তারা তাদের সর্বোচ্চ এফোর্ট দেবেন।”

প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টারা সবাই দেশেই আছেন। তারা দেশের গর্বিত সন্তান। ভবিষ্যতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তারা তাদের সর্বোচ্চ এফোর্ট দেবেন।”