
দেশের বাজারে আরেক দফা বেড়েছে স্বর্ণের দাম। ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা। যা আজ মঙ্গলবার থেকেই কার্যকর।

ভিয়েতনামের এই বৃহৎ করপোরেট গোষ্ঠীগুলো যদি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তখন কি হবে? তাদের কীভাবে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে? এই বিষয়টি একদমই অস্পষ্ট।

ইরানি মুদ্রা রিয়ালের তীব্র দরপতন ও লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অর্থনৈতিক সংকট, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও সাম্প্রতিক সংঘাত ইরানের সামাজিক অস্থিরতার ঝুঁকি বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি আরও গভীর হলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্বল্পআয়ের তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশকে ১৫০.৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এ সহায়তায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে নারী এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত জনগোষ্ঠীর ওপর।

চাকরি বা কর্মসংস্থান কেবল অর্থ উপার্জন বা দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার উপায় নয়, এটি মানুষকে সম্মানও এনে দেয়। ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ১ কোটি ৪০ লাখ তরুণ-তরুণী কর্মক্ষম বয়সে পৌঁছালেও এই সময়ে শ্রমবাজারে যুক্ত হয়েছে মাত্র ৮৭ লাখ নতুন চাকরি। তার মানে প্রায় অর্ধেক তরুণ এই সময়ে কর্মসংস্থান পায়নি

ধারাবাহিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি, তৈরি পোশাক খাতের ওপর ভিত্তি করে রপ্তানিমুখী শিল্পায়ন, সামাজিক সূচকগুলোর উন্নয়ন এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাংলাদেশকে এশিয়ার দ্রুততম উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর মধ্যে স্থান করে দিয়েছিল।

দেশের সেরা ব্র্যান্ডগুলোকে স্বীকৃতি দিতে রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে একটি জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ১৭তম বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ডে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে দেশের ব্র্যান্ড প্র্যাকটিশনারদের বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম।

এনআরবি ব্যাংকের ১২ তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) গত বৃহস্পতিবার ঢাকার ওয়েস্টিন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শেয়ার বাজার
ভয়াবহ দুটো শেয়ার কেলেঙ্কারি হলো যার কোনো বিচার হলো না। বিশ্বে স্টক এক্সচেঞ্জ চালু হওয়ার পর বহু শেয়ার কেলেঙ্কারি হয়েছে এবং আরো হতে থাকবে। যেটা গুরুত্বপূর্ণ তাহলো, এর সুষ্ঠু ও যথাযথ বিচার।

ফ্যাসিবাদ বললেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সবাই বিবেচনা করে একটি রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রনৈতিক ব্যবস্থাকে। কিন্তু ফ্যাসিবাদ একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাও। এবং এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, এটিই ফ্যাসিবাদের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক বন্দোবস্তকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

এ বছর বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৩ শতাংশের কাছাকাছি, যা গত বছরের সমান। প্রায় সব দেশেই বেকারত্বের হার কম। শেয়ার বাজারগুলো সন্তোষজনক অবস্থানে আছে। তবে এর মধ্যে একমাত্র উদ্বেগের বিষয় মূল্যস্ফীতি।

এআই নিয়ে বেশকিছু চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান থাকলেও ব্রিটেনে এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে। ব্রিটেনের অগ্রগতিতে এআইয়ের ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে নাকি মুখ থুবড়ে পড়বে, তা দেখা সময়ের বিষয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট গত সপ্তাহে দেশটির জন্য নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল (এনএসএস) প্রকাশ করেছে। গৃহীত এই নীতি একদিকে যেমন আমেরিকার বৈশ্বিক প্রভাব ধরে রাখার অঙ্গীকার, অন্যদিকে বহু দশকের প্রচলিত মার্কিন বৈশ্বিক ভূমিকা থেকে সরে আসার ইঙ্গিতও দেয়।

সোনকোর আইএমএফ-এর পুনর্গঠন পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। গত ১০ নভেম্বর, সোনকোর মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর প্রথম দিনে সেনেগালের ডলার বন্ড ৪ শতাংশ কমে ৭৩.১ ডলারে নেমে আসে, যার মেয়াদ ছিল ২০৩১ সাল পর্যন্ত। অন্যদিকে, ২০৪৮ সালে পরিশোধযোগ্য বন্ড ২.৪ সেন্ট কমে ৬০.৩০ ডলারে

সোনকোর আইএমএফ-এর পুনর্গঠন পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। গত ১০ নভেম্বর, সোনকোর মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর প্রথম দিনে সেনেগালের ডলার বন্ড ৪ শতাংশ কমে ৭৩.১ ডলারে নেমে আসে, যার মেয়াদ ছিল ২০৩১ সাল পর্যন্ত। অন্যদিকে, ২০৪৮ সালে পরিশোধযোগ্য বন্ড ২.৪ সেন্ট কমে ৬০.৩০ ডলারে

বিশ্বব্যাংক বলছে, দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ। পিপিআরসিও বলছে, ২০২৫ সালে দেশের সার্বিক দারিদ্র্য বেড়ে ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ হয়েছে। সাধারণ ভোক্তারা বলছে, বাজার এখনও নাগালের বাইরে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন বিনিয়োগের সবচেয়ে খারাপ অবস্থা। দেশের অর্থনীতি খারাপ।

বিশ্বব্যাংক বলছে, দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ। পিপিআরসিও বলছে, ২০২৫ সালে দেশের সার্বিক দারিদ্র্য বেড়ে ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ হয়েছে। সাধারণ ভোক্তারা বলছে, বাজার এখনও নাগালের বাইরে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন বিনিয়োগের সবচেয়ে খারাপ অবস্থা। দেশের অর্থনীতি খারাপ।

গবেষকদের মতে, বর্তমানের শাসকদের কাছে এই অংশগ্রহণমূলক ফ্যাসিবাদ সবচেয়ে আদরনীয় পন্থা। কারণ, এতে সাপও মরে, কিন্তু লাঠিও ভাঙে না। এই ব্যবস্থায় একদিকে সমাজে প্রবল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়, অন্যদিকে বিভ্রান্ত জনতাকে বোকাও বানানো যায় এবং ব্যবহারও করা যায়।

গবেষকদের মতে, বর্তমানের শাসকদের কাছে এই অংশগ্রহণমূলক ফ্যাসিবাদ সবচেয়ে আদরনীয় পন্থা। কারণ, এতে সাপও মরে, কিন্তু লাঠিও ভাঙে না। এই ব্যবস্থায় একদিকে সমাজে প্রবল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়, অন্যদিকে বিভ্রান্ত জনতাকে বোকাও বানানো যায় এবং ব্যবহারও করা যায়।