
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে লাগা আগুনে মুশফিকুর রহমান (২৩) নামে এক যুবক দগ্ধ হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

রাজধানীর শ্যামপুরে একটি স্টিল মিলে বয়লার বিস্ফোরণে অন্তত ৮ শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। আজ বুধবার সকালে ঢাকা ম্যাচ স্টিল মিলে লোহা গলানোর সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ডা. শাওন জানান, গত শুক্রবার উত্তরা থেকে নারী ও শিশুসহ মোট ১০ জন দগ্ধ অবস্থায় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে আনা হয়।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বাদশা মিয়ার দোতলা বাড়ির নিচতলার রান্নাঘরে গ্যাসের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে ছিল। পরে চুলা জ্বালানোর সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে রান্নাঘরে থাকা বাদশা মিয়া ও তার স্ত্রী সুমনা বেগম দগ্ধ হন। বিস্ফোরণের সময় আশপাশে থাকা আরও দুজনও আহত হন।

দগ্ধরা হলেন,রুবেল, সোনিয়া আক্তার, রোজা,রিয়া আক্তার,এনায়েত আলী,দেলেরা খাতুন,জুনায়েদ, ভাই হাবিব,আয়েশা আক্তার।

রাজধানীর উত্তরার কামারপাড়ায় একটি বাসায় গ্যাসের পাইপলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

দগ্ধরা হলেন, সুজাত, মিলন, মেজবা, আসিফ, সজিব, রুবেল ও শরীফ। তারা সবাই ওই রেস্টুরেন্টের কর্মচারী।

চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ সাখাওয়াত হোসেন (৪৯) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে।

বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে আরও ৬ জন জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, রাতে চট্টগ্রাম থেকে ৯ জন দগ্ধ রোগীকে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা নুরজাহান আক্তার রানীকে মৃত ঘোষণা করেন। তার শরীরের শতভাগ দগ্ধ ছিল।

রাজধানীর ওয়ারীতে একটি রেস্টুরেন্টে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে বাবুর্চীসহ আট জন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত সোয়া ১০টার দিকে ওয়ারীর পাস্তা ক্লাবের তৃতীয়তলার রান্নাঘরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের অভিযোগ এবং সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দোকানের শাটারে আগুন দিচ্ছে।

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থী আবিদুর রহিম চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছে। তার শরীরের ২২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। সুস্থ হয়ে প্রায় ছয় মাস পর সে বাড়ি ফিরছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধ যুবকের শরীরের প্রায় ৩৫ শতাংশ অংশ পুড়ে গেছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধ যুবকের শরীরের প্রায় ৩৫ শতাংশ অংশ পুড়ে গেছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে।