Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা

যুদ্ধ বাধলে কি ইরানের সাহায্যে এগিয়ে আসবে চীন?

মোহাম্মদ এসলামি

মোহাম্মদ এসলামি

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮: ২৭
যুদ্ধ বাধলে কি ইরানের সাহায্যে এগিয়ে আসবে চীন?

আরও একবার, ইরানজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। গত বছরের শেষ দিকে একাধিক শহরে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর দেশটি আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে। অর্থনৈতিক চাপ, মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকট এবং গত জুনে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের পর গভীর রাজনৈতিক ক্লান্তি–এই পরিচিত উপাদানগুলোর সমন্বয়েই বিক্ষোভের সূত্রপাত। এই অস্থিরতা হঠাৎ ছিল না, আবার পুরোপুরি অপ্রত্যাশিতও নয়।

Advertisement

নিষেধাজ্ঞা, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি এবং দেশের পারমাণবিক শক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে ইরানি সমাজ আগেই চাপে ছিল। বিক্ষোভগুলো শাসনব্যবস্থা ও জীবনযাত্রার মান নিয়ে ক্ষোভের প্রতিফলন ঘটায়। একই সঙ্গে চরম দুর্বলতার এই সময়ে ইরানের কৌশলগত দিকনির্দেশনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

বেইজিং থেকে এসব ঘটনা সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, তবে আতঙ্কজনক ভাষায় নয়।

চীনা বিশ্লেষকেরা দ্রুতই এই বিক্ষোভকে কোনো বিপ্লবী মুহূর্ত হিসেবে নয়, বরং ১২ দিনের যুদ্ধের পর সৃষ্ট অস্থিরতার ধারাবাহিকতা হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। এই দৃষ্টিভঙ্গিতে, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও বাহ্যিক সামরিক চাপ একই ঘটনার দুটি রূপ–ইরানি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী চাপ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নিজস্ব নিরাপত্তা নীতি ও ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা চীনের এই দৃষ্টিভঙ্গি পশ্চিমা বর্ণনার সঙ্গে একেবারেই ভিন্ন। পশ্চিমারা বিক্ষোভকে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের এক নির্ণায়ক মোড় হিসেবে দেখেছে।

চীনের নিরাপত্তা মহলের মূল্যায়নে দেখা যায়, ইরানের বিক্ষোভগুলো ভৌগোলিকভাবে বিস্তৃত হলেও অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা সীমিত ছিল। অর্থাৎ বহু শহরে বিক্ষোভ হলেও, কয়েকটি শীর্ষ মুহূর্ত ছাড়া কোনো একটি স্থানে বিক্ষোভকারীর সংখ্যা খুব কমই ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা ছিল উচ্চকণ্ঠ, দৃশ্যমান ও বিঘ্ন সৃষ্টিকারী, কিন্তু সংগঠনিক দিক থেকে তারা বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল না। বেইজিংয়ের হিসাব-নিকাশে প্রতীকী গুরুত্বের চেয়ে আকারই বেশি গুরুত্বপূর্ণ, আর সেই আকার ছিল আসন্ন কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ধসের ইঙ্গিত দেওয়ার মতো নয়।

বাংলাদেশ-ইরানে হওয়া অভ্যুত্থানে কী শিক্ষা পেল বিশ্বjuly uprising

অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার যুক্তি

চীনা বিশ্লেষকেরা ইরানি কর্তৃপক্ষের উত্থাপিত একটি মূল যুক্তির সঙ্গেও একমত পোষণ করেছেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও বিশৃঙ্খল সহিংসতার মধ্যে পার্থক্য। তাদের মতে, কোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা–গণতান্ত্রিক হোক বা কর্তৃত্ববাদী–সশস্ত্র তৎপরতা, জনপরিকাঠামোর ওপর হামলা বা পুলিশের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ মেনে নেয় না।

এই দৃষ্টিকোণ থেকে, দাঙ্গা দমনকে আদর্শিক দমন হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রের স্বাভাবিক আচরণ হিসেবে দেখা হয়। এই ফ্রেমিং চীনের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা যুক্তির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ব্যাখ্যা করে, কেন বেইজিং ইরানের বিক্ষোভকে আন্তর্জাতিক ইস্যুতে পরিণত করার আহ্বানের প্রতি খুব একটা সহানুভূতিশীল ছিল না।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, চীনা সামরিক ও নীতিনির্ধারণী বিশেষজ্ঞরা এই বিক্ষোভকে বিচ্ছিন্ন কোনো অভ্যন্তরীণ ঘটনা হিসেবে দেখেননি। বরং এটিকে গত গ্রীষ্মের ১২ দিনের যুদ্ধের রাজনৈতিক প্রতিঘাত হিসেবে বিবেচনা করেছেন। অবকাঠামোর ধ্বংস, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মানসিক প্রভাব এবং নতুন করে সংঘাতের স্থায়ী আশঙ্কা–সব মিলিয়ে সামাজিক অস্থিরতা বেড়েছে।

এই দৃষ্টিতে, ইরানের অস্থিরতা কেবল শাসনব্যবস্থার দুর্বলতার প্রমাণ নয়; বরং সামরিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক–তিন ক্ষেত্রেই একযোগে রাষ্ট্রকে চাপে ফেলার জন্য পরিচালিত ধারাবাহিক বাহ্যিক চাপের ফল।

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

এই মূল্যায়ন সরাসরি চীনের আরেকটি সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনা বিশ্লেষণের সঙ্গে যুক্ত। চীনের নিরাপত্তা মহল ক্রমেই মনে করছে, ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের ওপর নতুন করে হামলা আসন্ন।

বেইজিংয়ের দৃষ্টিতে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত, পারমাণবিক বিশুদ্ধিকরণ স্থান পরিদর্শনে সীমাবদ্ধতা এবং ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন ঘিরে অনিষ্পন্ন প্রশ্নগুলো ইরানের প্রতিপক্ষদের জন্য আগাম হামলার প্রবল প্রণোদনা তৈরি করছে। একই সঙ্গে, চীনা বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ১২ দিনের যুদ্ধের পর থেকে সামরিক শক্তির ভারসাম্যে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আসেনি।

বেইজিংয়ের মতে, ২০২৫ সালের জুনের আগে যেমন ছিল, আজও ইরান ও ইসরায়েলের আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা মোটামুটি একই রকম। ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ও বিমানশক্তি দুর্বল, তবে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য। ইসরায়েলের আকাশে আধিপত্য ও স্তরভিত্তিক প্রতিরক্ষা রয়েছে, তবে তারা অতিরিক্ত আক্রমণের মুখে দুর্বল।

ফলে, চীনা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আরেকটি যুদ্ধ মৌলিকভাবে ভিন্ন কোনো ফল বয়ে আনবে না। পার্থক্য হবে কেবল পরিসর ও তীব্রতায়। পরবর্তী সংঘাত হবে আরও নৃশংস, আরও ধ্বংসাত্মক এবং নিয়ন্ত্রণ করা আরও কঠিন, পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বেশি থাকবে।

ইরানের জনপ্রিয় নারী শিল্পী গুগুশ এখন চুপ কেন?gugush

সার্বভৌমত্বের পরীক্ষাক্ষেত্র

এই সম্ভাবনা বেইজিংকে উদ্বিগ্ন করে তোলে। তবে তেহরানের সঙ্গে আদর্শিক ঘনিষ্ঠতার কারণে নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার কারণে। মধ্যপ্রাচ্যে চীনের প্রধান স্বার্থ হলো পূর্বানুমানযোগ্যতা: নিরাপদ জ্বালানি প্রবাহ, সুরক্ষিত বাণিজ্যপথ এবং সংঘাতের বিস্তার এড়ানো। ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র জড়িত একটি বৃহত্তর যুদ্ধ–যাতে হিজবুল্লাহ, ইয়েমেন বা উপসাগরীয় দেশগুলোও টেনে আনা হতে পারে–এই তিনটি চীনের স্বার্থকেই হুমকির মুখে ফেলবে।

তবু, চীন কোনো সামরিক ভূমিকায় যাওয়ার ইচ্ছা রাখে না। এই বিষয়ে চীনের নিরাপত্তা মহল একেবারে পরিষ্কার। বেইজিং ইরান ও পুরো অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে, শাসন পরিবর্তনের বিরোধী এবং বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করে। আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার দায়িত্বশীল কর্তা হিসেবে তারা সার্বভৌমত্বকে দেখে এবং ইরানকে একটি পরীক্ষামূলক উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করে। কিন্তু এই সমর্থন পুরোপুরি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক। যুদ্ধের ক্ষেত্রে ইরানকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার কোনো ইচ্ছা চীনের নেই।

এই অবস্থান নীতি ও বাস্তববোধ–দুটোরই প্রতিফলন। ইরানের পক্ষে সামরিক হস্তক্ষেপ করলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হবে এবং চীনের বৃহত্তর বৈশ্বিক কৌশল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে রাজনৈতিকভাবে বেইজিং এমন সরকারগুলোর পাশে দাঁড়াতে আগ্রহী, যাদের তারা বাহ্যিকভাবে প্ররোচিত অস্থিতিশীলতার শিকার বলে মনে করে। চীনের দৃষ্টিতে, শাসন পরিবর্তন–ইরানে হোক বা অন্য কোথাও, তা গণতন্ত্র নয়, বরং বিশৃঙ্খলাই বয়ে আনে।

অর্থনৈতিক চাপ এই অবস্থানকে আরও তীক্ষ্ণ করেছে। ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে বেইজিং দেখছে চীনের বিরুদ্ধে বৃহত্তর অর্থনৈতিক মোকাবিলার অংশ হিসেবে। চীনা নীতিনির্ধারকদের কাছে এটি ইরানকেন্দ্রিক নিষেধাজ্ঞার চেয়ে বেশি কিছু–ওয়াশিংটনের চীনের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিস্তার সীমিত করার আরেকটি ফ্রন্ট।

ফলে, বেইজিং আশা করে না যে, এসব শুল্ক চীন-ইরান সম্পর্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত করবে। বাণিজ্য মানিয়ে নেবে, পথ বদলাবে, কিন্তু কৌশলগত যুক্তি অটুট থাকবে।

ইরানের বর্তমান সংকট নিয়ে চীনের দৃষ্টিভঙ্গি না রোমান্টিক, না নৈরাশ্যবাদী–বরং ঠান্ডা, কাঠামোগত। বেইজিং দেখছে এমন বিক্ষোভ, যার সমালোচনামূলক ভর নেই; চাপের মুখে থাকা একটি শাসনব্যবস্থা, তবে ধসের দ্বারপ্রান্তে নয়; এবং এমন একটি আসন্ন যুদ্ধ, যা সংশ্লিষ্ট সবার জন্যই ক্ষতিকর হবে। চীন সংযমের আহ্বান জানাবে, হস্তক্ষেপের নিন্দা করবে এবং ব্যবসা চালিয়ে যাবে–একই সঙ্গে সেই অস্থিরতার জন্য প্রস্তুতি নেবে, যা তারা মনে করে অন্যরা অনিবার্য করে তুলছে।

বেইজিংয়ের দৃষ্টিতে, ইরান কোনো আদর্শিক প্রশ্ন নয়। এটি একটি নজিরের বিষয়। আর নজিরই, চীনের বিশ্বাস অনুযায়ী–বিক্ষোভের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক।

(মিডল ইস্ট আই-এর সৌজন্যে)

মোহাম্মদ এসলামি: মিনহো বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক; আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন সিটি ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ে ভিজিটিং ফেলো; এবং ইতালির ফ্লোরেন্সে ইউরোপীয় ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউটের ম্যাক্স ওয়েবার ফেলো (আন্তর্জাতিক নিরাপত্ত)।

বিষয়: ভূরাজনীতিআমেরিকাচীনইরান
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ঢাকা উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি: পুরনো নেতৃত্ব, নাকি নতুন মুখ?

  • ২

    নির্ভয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

  • ৩

    উড়ন্ত গাড়ি উন্মোচন করল টেসলা

  • ৪

    মোদির দমন-পীড়ন: চ্যালেঞ্জের মুখে ভারতের গণতন্ত্র

  • ৫

    নিশ্চিন্তে উৎসব করুন: হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • জয়তু দেবী দুর্গা

    জয়তু দেবী দুর্গা

    বাংলাদেশে মাতৃপূজার যে বিচিত্র রূপ আছে সেগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বর্তমানে মাতৃদেবীর মধ্যে বহু যুগের বহু ধারা এসে মিশেছে। অনেক প্রাচীন ধারা মূল আমরা বেদের মধ্যেই লক্ষ্য করতে পারি।

  • ফ্রান্স এখন এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে

    ফ্রান্স এখন এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে

    ফরাসি ভাষায় এর একটি চমৎকার শব্দ আছে: ‘আন অঁগ্রেনাজ’। যার অর্থ এক দুষ্টচক্র বা ক্রমাগত অবনতির ঘূর্ণিপাক। ফ্রান্স ঠিক এমন এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই যাচ্ছে। এখানে বেশ কয়েকটি সংকট দীর্ঘ সময় ধরে দানা বাঁধছিল; এখন প্রতিটি সংকট অন্যগুলোকে আরও ত্বরান্বিত করে তোলার হুমকি সৃষ্টি করছে।

  • গোগোলের ওভারকোট বনাম রাজধানীর রাঙা দেয়াল: আকাকিদের গল্প কেন মিলে যায়?

    গোগোলের ওভারকোট বনাম রাজধানীর রাঙা দেয়াল: আকাকিদের গল্প কেন মিলে যায়?

    বেওয়ারিশ কুকুরের মতন ঢাকা শহরের এই সব আকাকিরা তাহলে কোথায় যাবে? তারাও কি ফুটপাথে বা রাস্তায় সিগারেট ফুঁকতে-ফুঁকতে বা মোবাইলে কথা বলতে-বলতে চলতে থাকা মধ্যবিত্তদের পথ রোধ করে পেটে বা গলায় ছুরি ধরে বলবে, ‘দে শালা! যা আছে, দিয়ে যা! নইলে ফুটা করে দেব’?

  • জনগণ কি ‘গৌরী সেন?’, ব্যাংক লুটের দায় কেন তারা নেবে?

    জনগণ কি ‘গৌরী সেন?’, ব্যাংক লুটের দায় কেন তারা নেবে?

    বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের আর্থিক ক্ষতি কাটাতে আগামী পাঁচ থেকে আট বছর পর্যন্ত প্রতি বছর ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। পাঁচ বছরে এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ লাখ কোটি টাকা, আট বছরে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। এখন প্রশ্ন হলো, ব্যাংক লুট