
জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে রবীন্দ্রপ্রেমীদের জন্য এক স্মরণীয় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করল প্রভাত ফেরী ও বিগ বি। গত শনিবার (৯ মে) সিডনির Richard Bonynge Concert Hall–এ অনুষ্ঠিত হয় ‘Dhuun 2026—রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার লাইভ ইন কনসার্ট’। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি দুই বাংলার সংস্কৃতিপ্রেমীদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

৫০০–রও বেশি দর্শকের উপস্থিতিতে কনসার্ট হল ছিল পরিপূর্ণ। দেশীয় ও রাবীন্দ্রিক সাজে সজ্জিত দর্শকদের অংশগ্রহণ পুরো আয়োজনকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত ও বর্ণিল। অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল রবীন্দ্রনাথের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আবেগের প্রকাশ।
কনসার্ট হলের প্রবেশমুখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি ও ফুল দিয়ে সাজানো একটি বিশেষ কর্নার দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। বনানী বিশ্বাসের পরিকল্পনায় সাজানো এই কর্নারে ছবি তুলতে ভিড় করেন রবীন্দ্রপ্রেমীরা। একজন রবীন্দ্রপ্রেমী রবীন্দ্রনাথের সাজে উপস্থিতি পুরো অনুষ্ঠানে যোগ করেন ভিন্নমাত্রা।

কনসার্টের শুরুতেই অর্ণব সাহা ফুল দিয়ে বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যাকে শুভেচ্ছা জানান। প্রথম পর্বে তিনি নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।
দ্বিতীয় পর্বে দর্শকদের অনুরোধে গান পরিবেশন করতে করতে তিনি যেন পুরো কনসার্ট হলকে সুরের মায়াজালে আবদ্ধ করে ফেলেন। দর্শকরাও গলা মিলিয়ে অংশ নেন গানে। সুর, তাল, লয় আর আবেগের মিশেলে সৃষ্টি হয় এক অপূর্ব আবহ, যা উপস্থিত সবার জন্য হয়ে ওঠে স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রভাত ফেরীর কর্ণধার শ্রাবন্তী কাজী এবং বিগ বি’র পরিচালক রিপন বড়ুয়া। তাদের প্রাণবন্ত, তথ্যসমৃদ্ধ ও সাবলীল উপস্থাপনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। কবি ও শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল ভাষা এবং রসবোধপূর্ণ পরিবেশনা অনুষ্ঠানে বাড়তি মাত্রা যোগ করে।
মঞ্চসজ্জায় ছিল অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসী শিল্পধারার সঙ্গে রাবীন্দ্রিক নান্দনিকতার এক চমৎকার সমন্বয়। সজ্জার দায়িত্বে ছিলেন রিপন বড়ুয়া। সাউন্ড ম্যানেজমেন্টে সৈকতের দক্ষতায় প্রতিটি গান নিখুঁতভাবে পৌঁছে যায় দর্শকদের হৃদয়ে।

অনুষ্ঠানের ক্যাটারিং পার্টনার ছিল ফুচকা হাউজ। বিরতির সময় দর্শকদের ভিড় জমে যায় তাদের স্টলে।
অনুষ্ঠানে কমিউনিটি সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য সাংবাদিক আবু নাইম আবদুল্লাহকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা তুলে দেন প্রভাত ফেরীর সোলায়মান দেওয়ান ও সিডনি মাল্টিকালচারাল সোসাইটির পক্ষ থেকে অর্ণব সাহা। এ ছাড়া, অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সম্মাননা জানানো হয়।

এই আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন দেবীকা মাইগ্রেশন সার্ভিসেসের অমিতাভ দেব। সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল ব্রেইনটেক গ্রুপ, কে এইচ পার্টনারস, নভেল একোয়াটেক, ডিটিডিসি ও রিয়েল হোম প্রপার্টিজ।
অনুষ্ঠান শেষে স্বেচ্ছাসেবক ও যন্ত্রশিল্পীদের হাতে উপহার তুলে দেন শ্রাবন্তী কাজী, সোলায়মান দেওয়ান, বাসব রায় এবং অর্ণব সাহা। আর রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার হাতে বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অমিতাভ দেব।

রাত ১১টায় অনুষ্ঠান শেষ হলেও দর্শকদের মুখে ছিল তৃপ্তির হাসি। রবীন্দ্রজয়ন্তীর আবহে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার সুরের মূর্ছনায় ‘Dhuun 2026’ নিঃসন্দেহে সিডনির সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অনন্য অধ্যায় হয়ে থাকবে।

জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ওআইসির নারীবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।

ডালাসে হুমায়ূন আহমেদের ‘জ্বীন কফিল’ মঞ্চায়ন, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।

আঙ্কারায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে পরামর্শমূলক বৈঠক
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।