চরচা ডেস্ক

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং জনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়গুলোকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশ ও গণমাধ্যমের মধ্যে পেশাগত সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী এক কর্মশালা শুরু হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ মঙ্গলবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ কর্মশালা হবে।
‘গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা’ শীর্ষক এ কর্মশালাটি রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতিসংঘের ইলেক্টোরাল অ্যাসিসট্যান্স প্রকল্পের (ব্যালট) আওতায় বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের সহযোগিতায় এবং ইউনেসকোর আয়োজনে এ কর্মসূচিতে ২৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ১৬ জন সাংবাদিক অংশ নিচ্ছেন।
কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এইচআরএম) খন্দকার রফিকুল ইসলাম সমাজে পুলিশ ও গণমাধ্যমের পরিপূরক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা—দুটিই একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মৌলিক ভিত্তি। আমাদের চ্যালেঞ্জ হলো, এ দুটি উদ্দেশ্য যেন পরস্পরের পরিপন্থী না হয়ে একে অপরকে শক্তিশালী করে।”
রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, “পুলিশ ও গণমাধ্যমের ভূমিকা ভিন্ন হলেও তারা পরস্পরের পরিপূরক। উভয়েই একটি নিরাপদ, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে অবদান রাখে।”
বাংলাদেশে ইউনেসকোর প্রতিনিধি ও অফিস প্রধান ড. সুসান ভাইজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যমের মধ্যে গঠনমূলক সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং শক্তিশালী গণমাধ্যম ব্যবস্থা কখনো একে অপরের প্রতিপক্ষ হওয়া উচিত নয়। তারা নাগরিকদের কল্যাণ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অংশীদার।”
সুসান ভাইজ আরও বলেন, “এই কর্মশালা পুলিশ ও গণমাধ্যম পেশাজীবীদের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং আরও কার্যকরভাবে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি করবে।”

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং জনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়গুলোকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশ ও গণমাধ্যমের মধ্যে পেশাগত সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী এক কর্মশালা শুরু হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ মঙ্গলবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ কর্মশালা হবে।
‘গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা’ শীর্ষক এ কর্মশালাটি রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতিসংঘের ইলেক্টোরাল অ্যাসিসট্যান্স প্রকল্পের (ব্যালট) আওতায় বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের সহযোগিতায় এবং ইউনেসকোর আয়োজনে এ কর্মসূচিতে ২৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ১৬ জন সাংবাদিক অংশ নিচ্ছেন।
কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এইচআরএম) খন্দকার রফিকুল ইসলাম সমাজে পুলিশ ও গণমাধ্যমের পরিপূরক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা—দুটিই একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মৌলিক ভিত্তি। আমাদের চ্যালেঞ্জ হলো, এ দুটি উদ্দেশ্য যেন পরস্পরের পরিপন্থী না হয়ে একে অপরকে শক্তিশালী করে।”
রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, “পুলিশ ও গণমাধ্যমের ভূমিকা ভিন্ন হলেও তারা পরস্পরের পরিপূরক। উভয়েই একটি নিরাপদ, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে অবদান রাখে।”
বাংলাদেশে ইউনেসকোর প্রতিনিধি ও অফিস প্রধান ড. সুসান ভাইজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যমের মধ্যে গঠনমূলক সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং শক্তিশালী গণমাধ্যম ব্যবস্থা কখনো একে অপরের প্রতিপক্ষ হওয়া উচিত নয়। তারা নাগরিকদের কল্যাণ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অংশীদার।”
সুসান ভাইজ আরও বলেন, “এই কর্মশালা পুলিশ ও গণমাধ্যম পেশাজীবীদের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং আরও কার্যকরভাবে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি করবে।”