চরচা ডেস্ক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবার ও সন্তানদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ভাতা চালুর দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হবে।
আজ রোববার বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ মিলনায়তনে ‘মায়ের ডাক’ প্রামাণ্যচিত্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, “যে সব পরিবার তাদের স্বজন হারিয়েছে, তাদের সন্তানদের মানুষ করা, বেঁচে থাকা ও সম্মানজনকভাবে জীবনযাপন নিশ্চিত করার জন্য এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই আমি নিজেই বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরবো।”
বিএনপির মহাসচিব বলেন, “গুম হওয়া মানুষের পরিবারগুলো অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তাদের সন্তানদের মানুষ করা, বেঁচে থাকা ও ভালোভাবে জীবনযাপন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আমরা শিগগিরই উদ্যোগ গ্রহণ করবো।”
তিনি আরও বলেন, “আমি ফিরে গিয়েই প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখব এবং জানাব যে এসব পরিবারের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ভাতা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ভবিষ্যতে এটি তাদের প্রাপ্য হওয়া উচিত।”
বিএনপির মহাসচিব বলেন, “দেশে নির্বাচন হয়েছে, কেউ মন্ত্রী হয়েছে, কেউ সংসদ সদস্য হয়েছেন, আবার অনেকেই বড় চাকরিতে গেছেন। কিন্তু যাদের আত্মত্যাগের কারণে এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে, তাদের সন্তানরা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি। অন্তত তাদের ভবিষ্যৎকে একটু সুন্দর করার চেষ্টা করা সবার দায়িত্ব।”
মির্জা ফখরুল আবেগঘন কণ্ঠে জানান, আন্দোলনে নিখোঁজ বা নিহতদের অনেক সন্তানকে তিনি ছোটবেলা থেকে দেখেছেন। কেউ কেউ বাবাকে হারিয়ে বড় হয়েছে। এমন পরিস্থিতি যেন ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুকে সহ্য করতে না হয়, সে জন্য সমাজ ও রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নিতে হবে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবার ও সন্তানদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ভাতা চালুর দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হবে।
আজ রোববার বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ মিলনায়তনে ‘মায়ের ডাক’ প্রামাণ্যচিত্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, “যে সব পরিবার তাদের স্বজন হারিয়েছে, তাদের সন্তানদের মানুষ করা, বেঁচে থাকা ও সম্মানজনকভাবে জীবনযাপন নিশ্চিত করার জন্য এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই আমি নিজেই বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরবো।”
বিএনপির মহাসচিব বলেন, “গুম হওয়া মানুষের পরিবারগুলো অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তাদের সন্তানদের মানুষ করা, বেঁচে থাকা ও ভালোভাবে জীবনযাপন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আমরা শিগগিরই উদ্যোগ গ্রহণ করবো।”
তিনি আরও বলেন, “আমি ফিরে গিয়েই প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখব এবং জানাব যে এসব পরিবারের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ভাতা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ভবিষ্যতে এটি তাদের প্রাপ্য হওয়া উচিত।”
বিএনপির মহাসচিব বলেন, “দেশে নির্বাচন হয়েছে, কেউ মন্ত্রী হয়েছে, কেউ সংসদ সদস্য হয়েছেন, আবার অনেকেই বড় চাকরিতে গেছেন। কিন্তু যাদের আত্মত্যাগের কারণে এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে, তাদের সন্তানরা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি। অন্তত তাদের ভবিষ্যৎকে একটু সুন্দর করার চেষ্টা করা সবার দায়িত্ব।”
মির্জা ফখরুল আবেগঘন কণ্ঠে জানান, আন্দোলনে নিখোঁজ বা নিহতদের অনেক সন্তানকে তিনি ছোটবেলা থেকে দেখেছেন। কেউ কেউ বাবাকে হারিয়ে বড় হয়েছে। এমন পরিস্থিতি যেন ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুকে সহ্য করতে না হয়, সে জন্য সমাজ ও রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নিতে হবে।