চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত শেষে দৃষ্টান্তমূলক বিচার সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই আশ্বাস দেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা দায়িত্বে আসার পর, এ পর্যন্ত যতগুলো এই জাতীয় হিনিয়াস ক্রাইম হয়েছে, আপনারা কি কেউ একটা ক্রাইমের ক্ষেত্রেও বলতে পারবেন যে, পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করেনি এবং সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরে তারা অ্যারেস্ট করতে পারেনি? একটাও নেই। আমার কাছে সবগুলোর তালিকা আছে। যদি তার ব্যত্যয় কিছু হয়ে থাকে, আপনারা প্রশ্ন তুলতে পারবেন।”
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, “রামিসার ব্যাপারেও ২৪ ঘণ্টার ভেতরে আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। প্রধান আসামির নাম সম্ভবত সোহেল খান, তার স্ত্রীসহ তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। আমরা এটুকু আশ্বাস দিতে পারি, আমাদের পক্ষ থেকে সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরে সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে। বিচারের দায়িত্ব আদালতের।”
গত মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে সাত বছর বয়সী রামিসার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোহেল আদালতে ধর্ষণের পর হত্যার ‘স্বীকারোক্তি’ দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিচারহীনতার যে বিষয়টা সবাই সবসময় বলে থাকে, এটা সর্বক্ষেত্রে সঠিক নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিচার বিলম্বিত হয়। সে জন্য মানুষ মনে করে হয়ত বিচার পাবে না। কিন্তু এই জাতীয় ক্রাইমগুলো আমি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও দেখেছি। আমি তাদের কৃতিত্ব দিতে চাই, সেই সময়েও এই জাতীয় কয়েকটা ঘটনা হলে হিনিয়াস ক্রাইমের সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরে আইনি ব্যবস্থা বিচারিক ব্যবস্থা তারা গ্রহণ করেছে। এ ক্ষেত্রে আমি এইটুকু এসিওরেন্স দিতে পারি, সম্ভাব্য সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরে একটা দৃষ্টান্তমূলক বিচার সম্পন্ন হবে। সাজার কথা আমি বলতে পারব না।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা এখন মধ্যযুগে নাই। আমরা আধুনিক যুগে, আইন সংস্কারটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। সমাজের চাহিদা অনুসারে সব আইনকে আপ টু ডেট করতে হয় এবং যুগোপযোগী করতে হয়। সেগুলো চলমান প্রক্রিয়া। সেগুলো তো আছেই। বিভিন্ন আইনে অবশ্যই আমাদের কিছু কিছু সংশোধন আনতে হবে। সেটা আমরা দেখব। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটাও চিন্তা করতে হয়, খুব সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে আবার অবিচার করা হচ্ছে কি না বা এমন কিছু হয় যে আমরা খুব কঠোরতম আইন প্রয়োগ আইন প্রণয়ন করলাম প্রয়োগের ক্ষেত্রে সেটা আবার মিসইউজ হচ্ছে কি না অপব্যবহার হচ্ছে কি না এগুলো সবগুলো লক্ষ্য রাখতে হয়।”

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত শেষে দৃষ্টান্তমূলক বিচার সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই আশ্বাস দেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা দায়িত্বে আসার পর, এ পর্যন্ত যতগুলো এই জাতীয় হিনিয়াস ক্রাইম হয়েছে, আপনারা কি কেউ একটা ক্রাইমের ক্ষেত্রেও বলতে পারবেন যে, পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করেনি এবং সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরে তারা অ্যারেস্ট করতে পারেনি? একটাও নেই। আমার কাছে সবগুলোর তালিকা আছে। যদি তার ব্যত্যয় কিছু হয়ে থাকে, আপনারা প্রশ্ন তুলতে পারবেন।”
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, “রামিসার ব্যাপারেও ২৪ ঘণ্টার ভেতরে আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। প্রধান আসামির নাম সম্ভবত সোহেল খান, তার স্ত্রীসহ তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। আমরা এটুকু আশ্বাস দিতে পারি, আমাদের পক্ষ থেকে সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরে সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে। বিচারের দায়িত্ব আদালতের।”
গত মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে সাত বছর বয়সী রামিসার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোহেল আদালতে ধর্ষণের পর হত্যার ‘স্বীকারোক্তি’ দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিচারহীনতার যে বিষয়টা সবাই সবসময় বলে থাকে, এটা সর্বক্ষেত্রে সঠিক নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিচার বিলম্বিত হয়। সে জন্য মানুষ মনে করে হয়ত বিচার পাবে না। কিন্তু এই জাতীয় ক্রাইমগুলো আমি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও দেখেছি। আমি তাদের কৃতিত্ব দিতে চাই, সেই সময়েও এই জাতীয় কয়েকটা ঘটনা হলে হিনিয়াস ক্রাইমের সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরে আইনি ব্যবস্থা বিচারিক ব্যবস্থা তারা গ্রহণ করেছে। এ ক্ষেত্রে আমি এইটুকু এসিওরেন্স দিতে পারি, সম্ভাব্য সংক্ষিপ্ত সময়ের ভেতরে একটা দৃষ্টান্তমূলক বিচার সম্পন্ন হবে। সাজার কথা আমি বলতে পারব না।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা এখন মধ্যযুগে নাই। আমরা আধুনিক যুগে, আইন সংস্কারটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। সমাজের চাহিদা অনুসারে সব আইনকে আপ টু ডেট করতে হয় এবং যুগোপযোগী করতে হয়। সেগুলো চলমান প্রক্রিয়া। সেগুলো তো আছেই। বিভিন্ন আইনে অবশ্যই আমাদের কিছু কিছু সংশোধন আনতে হবে। সেটা আমরা দেখব। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটাও চিন্তা করতে হয়, খুব সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে আবার অবিচার করা হচ্ছে কি না বা এমন কিছু হয় যে আমরা খুব কঠোরতম আইন প্রয়োগ আইন প্রণয়ন করলাম প্রয়োগের ক্ষেত্রে সেটা আবার মিসইউজ হচ্ছে কি না অপব্যবহার হচ্ছে কি না এগুলো সবগুলো লক্ষ্য রাখতে হয়।”