চরচা প্রতিবেদক

কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে পর্তুগাল নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে ফেললেও বাকি ছিল কিছু সমীকরণের। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে যে শেষ আটেই মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল উড়তে থাকা লিওনেল আর্জেন্টিনার। নিজেদের গ্রুপে রানার্সআপ হয়ে সেই পথে আর যায়নি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দল। যদিও সামনে যে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, সেটিকে মন্দের ভালো বলাও কঠিন হবে পর্তুগাল সমর্থকদের জন্য।
কলম্বিয়ার সঙ্গে ম্যাড়ম্যাড়ে গোলশূন্য ড্র করে ‘কে; গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় সেরা হয়েছে পর্তুগাল। ফলে শেষ ৩২-এ তাদের খেলতে হবে ‘এল’ গ্রুপের রানার্সআপ ও গত আসরে সেমিফাইনাল খেলা ক্রোয়েশিয়ার।
এই বাঁধা পার করতে পারলে শেষ ১৬-তে পর্তুগালের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে ফেভারিট স্পেন। কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কো অথবা নেদারল্যান্ডস। সেমিফাইনালে রাস্তায় সেক্ষেত্রে তাদের জন্য অপেক্ষা করবে ফ্রান্স ও জার্মানির মত দুই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ বাদে আর একটিও পর্তুগালের জন্য সহজ হওয়ার কথা নয়। বিশেষ করে গ্রুপে উজবেকিস্তান বাদে বাকি দুই ম্যাচে তারা যে ধরণের ফুটবল উপহার দিয়েছে, তাতে খুব বেশিদূর যাওয়াটা কঠিনই হয়ে যেতে পারে।
নবাগত ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ড্র দিয়ে আসর শুরু করা পর্তুগাল নিজেদের ফিরে পেয়েছিল পরের ম্যাচে ৫-০ গোলের জয়ে। তবে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে ফের হয়েছে ছন্দপতন।
এনএফএলের মায়ামি ডলফিনসের হোম স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচ দেখতে গ্যালারি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। প্রায় ৬৫ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে পর্তুগাল ও কলম্বিয়া দুই দলই খেলেছে গড়পড়তা ফুটবল। জেতার তীব্র বাসনা দেখা যায়নি তাদের মধ্যে।
তবে পর্তুগালের জন্য এই পারফরম্যান্স অবশ্যই হতাশাজনক। কারণ গ্রুপে দুই ড্রয়ের ম্যাচেই তাদের আক্রমনভাগের খেলোয়াড়, বিশেষ করে অধিনায়ক রোনালদো একেবারেই নিষ্প্রভ ছিলেন।
কলম্বিয়ার বিপক্ষে ৯০ মিনিট খেলে মাত্র ২৯ বার বল স্পর্শ করতে পেরেছেন ৪১ বছর বয়সী। সাতবার পজেশন হারিয়েছেন। গোলের জন্য নেই লক্ষ্যে কোনো শট। অথচ এক ম্যাচ আগেই জোড়া গোল করে বলেছিলেন, ‘আমি ফিরে এসেছি।”
তিনি নিজে বার তার দল কেউই সত্যিকার অর্থে এই ম্যাচে আর ফিরে আসতে পারেননি। প্রথমার্ধে পর্তুগালকে এগিয়ে দেওয়ার দারুণ একটা সুযোগ পেয়েছিলেন ব্রুনো ফার্নান্দেস। তবে কলম্বিয়ার গোলরক্ষক কামিলো ভার্গাসের দুর্দান্ত সেভে হতাশ হতে হয় তাকে। এটি বাদে গোলের জন্য লক্ষ্যে ম্যাচে আর একটি শটই নিতে পারে পর্তুগাল।
অন্যদিকে গোলপোষ্টের নিচে ব্যস্ত সময় পার করতে হয়েছে পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তাকে। পুরো ম্যাচে ছয়টি সেভ করেন তিনি, যা আগের দুই ম্যাচ মিলিয়ে করা মোট সেভের চেয়েও বেশি। আর এটাই বলে দিচ্ছে, আক্রমণে মলিন রবার্তো মার্তিনেসের দল রক্ষণেও আঁটসাঁট থাকতে পারেনি।
যোগ করা সময়ে তো প্রায় গোল পেয়েই যাচ্ছিল লাতিন আমেরিকার ফল কলম্বিয়া। ডাভিনসন সানচেজ বল জালে পাঠালেও গোল মেলেনি ভিএআর চেকে অফসাইডের কারণে।
এমন ফর্ম নিয়ে শেষ আটের সম্ভাব্য পথচলায় আর্জেন্টিনাকে এড়িয়ে যেতে পারাটা তাই রোনালদোদের জন্য স্বস্তির কারণ হতেই পারে। তবে সেরা ফুটবল না খেলতে পারলে আগামী ২ জুলাই লুকা মদরিচের ক্রোয়েশিয়াও চিন্তার কারণ হতে পারে পর্তুগালের জন্য।

কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে পর্তুগাল নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে ফেললেও বাকি ছিল কিছু সমীকরণের। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে যে শেষ আটেই মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল উড়তে থাকা লিওনেল আর্জেন্টিনার। নিজেদের গ্রুপে রানার্সআপ হয়ে সেই পথে আর যায়নি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দল। যদিও সামনে যে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, সেটিকে মন্দের ভালো বলাও কঠিন হবে পর্তুগাল সমর্থকদের জন্য।
কলম্বিয়ার সঙ্গে ম্যাড়ম্যাড়ে গোলশূন্য ড্র করে ‘কে; গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় সেরা হয়েছে পর্তুগাল। ফলে শেষ ৩২-এ তাদের খেলতে হবে ‘এল’ গ্রুপের রানার্সআপ ও গত আসরে সেমিফাইনাল খেলা ক্রোয়েশিয়ার।
এই বাঁধা পার করতে পারলে শেষ ১৬-তে পর্তুগালের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে ফেভারিট স্পেন। কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কো অথবা নেদারল্যান্ডস। সেমিফাইনালে রাস্তায় সেক্ষেত্রে তাদের জন্য অপেক্ষা করবে ফ্রান্স ও জার্মানির মত দুই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ বাদে আর একটিও পর্তুগালের জন্য সহজ হওয়ার কথা নয়। বিশেষ করে গ্রুপে উজবেকিস্তান বাদে বাকি দুই ম্যাচে তারা যে ধরণের ফুটবল উপহার দিয়েছে, তাতে খুব বেশিদূর যাওয়াটা কঠিনই হয়ে যেতে পারে।
নবাগত ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ড্র দিয়ে আসর শুরু করা পর্তুগাল নিজেদের ফিরে পেয়েছিল পরের ম্যাচে ৫-০ গোলের জয়ে। তবে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে ফের হয়েছে ছন্দপতন।
এনএফএলের মায়ামি ডলফিনসের হোম স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচ দেখতে গ্যালারি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। প্রায় ৬৫ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে পর্তুগাল ও কলম্বিয়া দুই দলই খেলেছে গড়পড়তা ফুটবল। জেতার তীব্র বাসনা দেখা যায়নি তাদের মধ্যে।
তবে পর্তুগালের জন্য এই পারফরম্যান্স অবশ্যই হতাশাজনক। কারণ গ্রুপে দুই ড্রয়ের ম্যাচেই তাদের আক্রমনভাগের খেলোয়াড়, বিশেষ করে অধিনায়ক রোনালদো একেবারেই নিষ্প্রভ ছিলেন।
কলম্বিয়ার বিপক্ষে ৯০ মিনিট খেলে মাত্র ২৯ বার বল স্পর্শ করতে পেরেছেন ৪১ বছর বয়সী। সাতবার পজেশন হারিয়েছেন। গোলের জন্য নেই লক্ষ্যে কোনো শট। অথচ এক ম্যাচ আগেই জোড়া গোল করে বলেছিলেন, ‘আমি ফিরে এসেছি।”
তিনি নিজে বার তার দল কেউই সত্যিকার অর্থে এই ম্যাচে আর ফিরে আসতে পারেননি। প্রথমার্ধে পর্তুগালকে এগিয়ে দেওয়ার দারুণ একটা সুযোগ পেয়েছিলেন ব্রুনো ফার্নান্দেস। তবে কলম্বিয়ার গোলরক্ষক কামিলো ভার্গাসের দুর্দান্ত সেভে হতাশ হতে হয় তাকে। এটি বাদে গোলের জন্য লক্ষ্যে ম্যাচে আর একটি শটই নিতে পারে পর্তুগাল।
অন্যদিকে গোলপোষ্টের নিচে ব্যস্ত সময় পার করতে হয়েছে পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তাকে। পুরো ম্যাচে ছয়টি সেভ করেন তিনি, যা আগের দুই ম্যাচ মিলিয়ে করা মোট সেভের চেয়েও বেশি। আর এটাই বলে দিচ্ছে, আক্রমণে মলিন রবার্তো মার্তিনেসের দল রক্ষণেও আঁটসাঁট থাকতে পারেনি।
যোগ করা সময়ে তো প্রায় গোল পেয়েই যাচ্ছিল লাতিন আমেরিকার ফল কলম্বিয়া। ডাভিনসন সানচেজ বল জালে পাঠালেও গোল মেলেনি ভিএআর চেকে অফসাইডের কারণে।
এমন ফর্ম নিয়ে শেষ আটের সম্ভাব্য পথচলায় আর্জেন্টিনাকে এড়িয়ে যেতে পারাটা তাই রোনালদোদের জন্য স্বস্তির কারণ হতেই পারে। তবে সেরা ফুটবল না খেলতে পারলে আগামী ২ জুলাই লুকা মদরিচের ক্রোয়েশিয়াও চিন্তার কারণ হতে পারে পর্তুগালের জন্য।