চরচা ডেস্ক

নেইমারকে দুর্ভাগা রাজপুত্র বলা হয় অনেক কারণেই। সেই তালিকায় এবার যোগ হলো রেফারিং ভুলও! ঠিক কতটা ভাগ্য খারাপ হলে একজন খেলোয়াড়ের বিশ্বকাপের আগে শেষ ম্যাচে রেফারি ভুল করে তাকে বদলি করে দিতে পারেন? তাও যদি সেটি হয় বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকা একজন ফুটবলারের ক্ষেত্রে, তাহলে বলার খুব বেশি কিছু থাকার কথা না। সান্তোসের শেষ ম্যাচে নেইমারের সঙ্গে ঠিক সেটাই হয়েছে। দল হেরেছে, নিজেও ছিলেন নিষ্প্রভ। তার ওপর বিতর্কিত এক সিদ্ধান্তে বদলি হয়ে যাওয়ায় বিশ্বকাপ দলে ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা থাকবেন কি না, সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।
ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে চোট পেয়ে যখন নেইমার চিকিৎসা নিতে মাঠের বাইরে যান, তখন করিতিবার বিপক্ষে ৩-০ গোলে পিছিয়ে সান্তোস। ঠিক সেই সময়ই বদলি হিসেবে রবিনহো জুনিয়রকে নামান কোচ। কিন্তু সেখানেই ঘটে বিপত্তি। ম্যাচ অফিশিয়ালরা ভুল করে বদলির বোর্ডে নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি তুলে ধরেন। অর্থাৎ নিয়ম অনুযায়ী নেইমারকেই তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে রবিনহো জুনিয়র মাঠে প্রবেশ করেন এবং বদলিও সম্পন্ন হয়ে যায়।
অন্যদিকে পুরো সময় সাইডলাইনে চিকিৎসা নেওয়ায় ব্যস্ত নেইমার তখনও ঘটনার কিছু টেরই পাননি। তাই মাঠে ফেরার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু রেফারিরা তাকে থামিয়ে দেন। তবুও মাঠে ঢোকার চেষ্টা চালিয়ে গেলে অনুমতি ছাড়া প্রবেশের চেষ্টার দায়ে তাকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি।
স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন নেইমার। মেজাজ হারিয়ে বদলির বোর্ডটি হাতে নিয়ে ক্যামেরার সামনে দেখান, যেখানে স্পষ্ট ছিল যে সান্তোসের ৩১ নম্বর খেলোয়াড়কে তুলে নেওয়ার কথা। কিন্তু রেফারির কারণে মাঠ ছাড়তে হয়েছে নেইমারকে। তবে এতে কোনো লাভ হয়নি। ম্যাচের বাকি সময়টা বেঞ্চেই কাটাতে হয় তাকে। শেষ পর্যন্ত সান্তোসও হেরে যায় ৩-০ গোলে।
বিভীষিকাময় এক রাতে নেইমার তাই সবদিক থেকেই ফিরেছেন খালি হাতে। সুযোগ ছিল অন্তত ব্যক্তিগত ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে ফর্ম ও ফিটনেসের বার্তা দেওয়ার। কিন্তু মাঠে যতক্ষণ ছিলেন, খুব বেশি কিছু করতে পারেননি। আর বাকিটা শেষ হয়ে যায় রেফারির দৃষ্টিকটু ভুলে।
এখন দেখার বিষয় একটাই—শুধু নামের জোরেই কি নেইমারকে ব্রাজিলের চূড়ান্ত বিশ্বকাপ স্কোয়াডে রাখবেন কার্লো আনচেলত্তি? যদি না রাখেন, তাহলে ভাগ্যকে দোষ দেওয়া ছাড়া হয়তো আর কিছুই করার থাকবে না তার। ছন্দহীনতা বা চোট নয়, স্রেফ রেফারির ভুলে বিশ্বকাপের সুযোগ হারানোর চেয়ে হতাশাজনক আর কী হতে পারে!

নেইমারকে দুর্ভাগা রাজপুত্র বলা হয় অনেক কারণেই। সেই তালিকায় এবার যোগ হলো রেফারিং ভুলও! ঠিক কতটা ভাগ্য খারাপ হলে একজন খেলোয়াড়ের বিশ্বকাপের আগে শেষ ম্যাচে রেফারি ভুল করে তাকে বদলি করে দিতে পারেন? তাও যদি সেটি হয় বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকা একজন ফুটবলারের ক্ষেত্রে, তাহলে বলার খুব বেশি কিছু থাকার কথা না। সান্তোসের শেষ ম্যাচে নেইমারের সঙ্গে ঠিক সেটাই হয়েছে। দল হেরেছে, নিজেও ছিলেন নিষ্প্রভ। তার ওপর বিতর্কিত এক সিদ্ধান্তে বদলি হয়ে যাওয়ায় বিশ্বকাপ দলে ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা থাকবেন কি না, সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।
ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে চোট পেয়ে যখন নেইমার চিকিৎসা নিতে মাঠের বাইরে যান, তখন করিতিবার বিপক্ষে ৩-০ গোলে পিছিয়ে সান্তোস। ঠিক সেই সময়ই বদলি হিসেবে রবিনহো জুনিয়রকে নামান কোচ। কিন্তু সেখানেই ঘটে বিপত্তি। ম্যাচ অফিশিয়ালরা ভুল করে বদলির বোর্ডে নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি তুলে ধরেন। অর্থাৎ নিয়ম অনুযায়ী নেইমারকেই তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে রবিনহো জুনিয়র মাঠে প্রবেশ করেন এবং বদলিও সম্পন্ন হয়ে যায়।
অন্যদিকে পুরো সময় সাইডলাইনে চিকিৎসা নেওয়ায় ব্যস্ত নেইমার তখনও ঘটনার কিছু টেরই পাননি। তাই মাঠে ফেরার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু রেফারিরা তাকে থামিয়ে দেন। তবুও মাঠে ঢোকার চেষ্টা চালিয়ে গেলে অনুমতি ছাড়া প্রবেশের চেষ্টার দায়ে তাকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি।
স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন নেইমার। মেজাজ হারিয়ে বদলির বোর্ডটি হাতে নিয়ে ক্যামেরার সামনে দেখান, যেখানে স্পষ্ট ছিল যে সান্তোসের ৩১ নম্বর খেলোয়াড়কে তুলে নেওয়ার কথা। কিন্তু রেফারির কারণে মাঠ ছাড়তে হয়েছে নেইমারকে। তবে এতে কোনো লাভ হয়নি। ম্যাচের বাকি সময়টা বেঞ্চেই কাটাতে হয় তাকে। শেষ পর্যন্ত সান্তোসও হেরে যায় ৩-০ গোলে।
বিভীষিকাময় এক রাতে নেইমার তাই সবদিক থেকেই ফিরেছেন খালি হাতে। সুযোগ ছিল অন্তত ব্যক্তিগত ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে ফর্ম ও ফিটনেসের বার্তা দেওয়ার। কিন্তু মাঠে যতক্ষণ ছিলেন, খুব বেশি কিছু করতে পারেননি। আর বাকিটা শেষ হয়ে যায় রেফারির দৃষ্টিকটু ভুলে।
এখন দেখার বিষয় একটাই—শুধু নামের জোরেই কি নেইমারকে ব্রাজিলের চূড়ান্ত বিশ্বকাপ স্কোয়াডে রাখবেন কার্লো আনচেলত্তি? যদি না রাখেন, তাহলে ভাগ্যকে দোষ দেওয়া ছাড়া হয়তো আর কিছুই করার থাকবে না তার। ছন্দহীনতা বা চোট নয়, স্রেফ রেফারির ভুলে বিশ্বকাপের সুযোগ হারানোর চেয়ে হতাশাজনক আর কী হতে পারে!