চরচা প্রতিবেদক

চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তার স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন।
গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহর মামা মো. আলমগীর। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, অভিনেতা ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর পর প্রথমে রমনা থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়। তবে গত বছরের ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত বাদীপক্ষের রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে ঘটনাটিকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এরপর ২১ অক্টোবর নতুন করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তার স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন।
গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহর মামা মো. আলমগীর। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, অভিনেতা ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর পর প্রথমে রমনা থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়। তবে গত বছরের ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত বাদীপক্ষের রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে ঘটনাটিকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এরপর ২১ অক্টোবর নতুন করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।