চরচা প্রতিবেদক

আসন্ন বাজেটে এমপিওভুক্তির ঘোষণার দাবি জানিয়ে ১৫ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছে সম্মিলিত নন এমপিও ঐক্য পরিষদ।
আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সকল নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষক সমাবেশে এ আলটিমেটাম দেন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক সেলিম মিঞা।
সমাবেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এই সমাবেশে যোগ দেন।
সমাবেশের সভাপতি সেলিম মিঞা বলেন, ৫ আগস্টের পরেও তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন আসেনি। বারবার আশ্বাস দিয়েও তাদের দাবি পূরণ করেনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তিনি দাবি করেন, এবারের বাজেটেই এমপিওভুক্তির ঘোষণা দিতে হবে। দাবি পূরণ না হলে সারাদেশের সকল নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় শিক্ষক সমাবেশে।
সমাবেশে একজন শিক্ষিকা শিক্ষামন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, “গত ১৫ই অক্টোবর থেকে আমাদের আন্দোলন হয়েছিল এবং দাবি একটাই ছিল সেটা হচ্ছে-এমপিও। আমরা শিক্ষকরা দীর্ঘ ৩২ বছর এমপিওহীন। তার সবথেকে বড় কারণ হচ্ছে, ১৯৯২ সালে বিএনপি সরকারের আমলে বেসরকারি কলেজে অনার্স-মাস্টার্স খোলা হয়েছিল। তাই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমাদের কোনো এমপিওভুক্ত করা হয়নি। এই কথাটাই যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আন্দোলনের মাধ্যমে জানতে পারলেন, তখন তারা আমাদের নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করলেন। ৪১৪ টা কলেজের মধ্যে আমরা জানতে পেরেছি ২৯২ টা কলেজ আমাদের ক্ষমতায় এসেছে। সেই রেজাল্টও স্থগিত করে রাখা হয়েছে।”
প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী’র উদ্দেশে শিক্ষকরা আরও বলেন, শিক্ষকদের অভুক্ত রেখে শিক্ষার মানোন্নয়ন কখনোই সম্ভব নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ৩৩ বছর ধরে বেতন বঞ্চিত হয়ে আসছে। একজন শিক্ষকও এমপিও পায় নি। বিশেষ বিবেচনায় শুধু ঘাটাইলের আটজন শিক্ষককে এমপিও দেওয়া হয়েছিল এবং যেসব প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি হয়ে গেছে একইভাবে নিয়োগকৃত, অথচ তারা কিন্তু ঠিকই সরকারি বেতন পাচ্ছে আর তারা এমপিওর বেতনই পাচ্ছে না।

আসন্ন বাজেটে এমপিওভুক্তির ঘোষণার দাবি জানিয়ে ১৫ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছে সম্মিলিত নন এমপিও ঐক্য পরিষদ।
আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সকল নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষক সমাবেশে এ আলটিমেটাম দেন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক সেলিম মিঞা।
সমাবেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এই সমাবেশে যোগ দেন।
সমাবেশের সভাপতি সেলিম মিঞা বলেন, ৫ আগস্টের পরেও তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন আসেনি। বারবার আশ্বাস দিয়েও তাদের দাবি পূরণ করেনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তিনি দাবি করেন, এবারের বাজেটেই এমপিওভুক্তির ঘোষণা দিতে হবে। দাবি পূরণ না হলে সারাদেশের সকল নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় শিক্ষক সমাবেশে।
সমাবেশে একজন শিক্ষিকা শিক্ষামন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, “গত ১৫ই অক্টোবর থেকে আমাদের আন্দোলন হয়েছিল এবং দাবি একটাই ছিল সেটা হচ্ছে-এমপিও। আমরা শিক্ষকরা দীর্ঘ ৩২ বছর এমপিওহীন। তার সবথেকে বড় কারণ হচ্ছে, ১৯৯২ সালে বিএনপি সরকারের আমলে বেসরকারি কলেজে অনার্স-মাস্টার্স খোলা হয়েছিল। তাই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমাদের কোনো এমপিওভুক্ত করা হয়নি। এই কথাটাই যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আন্দোলনের মাধ্যমে জানতে পারলেন, তখন তারা আমাদের নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করলেন। ৪১৪ টা কলেজের মধ্যে আমরা জানতে পেরেছি ২৯২ টা কলেজ আমাদের ক্ষমতায় এসেছে। সেই রেজাল্টও স্থগিত করে রাখা হয়েছে।”
প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী’র উদ্দেশে শিক্ষকরা আরও বলেন, শিক্ষকদের অভুক্ত রেখে শিক্ষার মানোন্নয়ন কখনোই সম্ভব নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ৩৩ বছর ধরে বেতন বঞ্চিত হয়ে আসছে। একজন শিক্ষকও এমপিও পায় নি। বিশেষ বিবেচনায় শুধু ঘাটাইলের আটজন শিক্ষককে এমপিও দেওয়া হয়েছিল এবং যেসব প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি হয়ে গেছে একইভাবে নিয়োগকৃত, অথচ তারা কিন্তু ঠিকই সরকারি বেতন পাচ্ছে আর তারা এমপিওর বেতনই পাচ্ছে না।