চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশকে নিয়ে কঠিন সমস্যায় পড়েছেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পুত্র তিনি। মোস্তাফিজুর রহমান ইস্যুতে ভারতের মাটিতে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার ব্যাপারে অনড় বাংলাদেশ। এ নিয়ে আইসিসিকে দ্বিতীয় দফায় চিঠি দিয়েছে বিসিবি।
বিশ্বকাপের একমাসেরও কম সময় বাকি থাকতে বাংলাদেশের খেলাগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করাটা মুখের কথা নয়। কিন্তু স্থানান্তরিত না করা হলে আবার বাংলাদেশ বিশ্বকাপ বয়কটই করে বসতে পারে। এমন একটা পরিস্থিতিতে জয় শাহ কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছেন, এমনটাই বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম।
বিষয়টি নিয়ে আজ রোববার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটা বৈঠকের কথা আছে জয় শাহর। কাল ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে দ্রুত কোনো সমাধান বের করা খুবই কঠিন একটা কাজ।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের মাটিতে না খেলার ব্যাপারে বিসিবি আইসিসিকে দ্বিতীয় দফায় যে চিঠি দিয়েছে, তারপর পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, এটা শুধু নিরাপত্তার বিষয় না। এর সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় মর্যাদাও জড়িত। হিন্দুত্ববাদীদের হুমকির মুখেই আইপিএল থেকে মোস্তাফিজকে বাদ দিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে (কেকেআর) নির্দেশ দেয় বিসিসিআই।

বাংলাদেশ এর প্রতিক্রিয়া হিসেবেই ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু হতে যাওয়া টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচগুলো কলকাতা ও মুম্বাই থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কার মাটিতে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আইসিসিকে চিঠি দেয়। আইসিসি ও বিসিসিআই থেকে এরপর পূর্ণ নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাংলাদেশ এখন ‘ম্যান টু ম্যান’ নিরাপত্তা বা দলের সব খেলোয়াড়, স্টাফ, কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চায়। আইসিসিকে পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতে বিসিবি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এটা শুধু নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, এটি এখন বাংলাদেশের জাতীয় মর্যাদার ব্যাপার। জয় শাহর চ্যালেঞ্জ এখন এটিই।
আইসিসি এখনো বিসিবির দ্বিতীয় চিঠির জবাব দেয়নি। তবে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ কী নিজেদের উপেক্ষিত মনে করেছে? বাংলাদেশের প্রথম আবেদনের যে জবাব আইসিসি দিয়েছে, সেটিতে সহমর্মিতার ঘাটতি ছিল কি না, জয় শাহকে এসব খতিয়ে দেখতে হবে।
মূল চ্যালেঞ্জটা হলো, জয় শাহ বাংলাদেশকে আর কী আশ্বাস দেবেন, সেটি খুঁজে বের করা। তাকে এমন কোনো সিদ্ধান্ত দিতে হবে, যেটি বাংলাদেশ সানন্দে গ্রহণ করে। বাংলাদেশ যেন কোনোভাবেই মনে না করে, আইসিসি কোনো কিছু চাপিয়ে দিতে চাচ্ছে। এদিকে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়াটাও সহজ নয়, বিশ্বকাপের কাঠামো ও বিশ্বাসযোগ্যতা অক্ষুণ্ন রেখেই এসব করতে হবে।
একটা বিষয় স্পষ্ট, যেটি এনডিটিভি তুলে ধরেছে—বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনের কোনো সুযোগ নেই। বাংলাদেশ যোগ্যতা অর্জন করেই বিশ্বকাপ খেলতে এসেছে। বাংলাদেশকে বাদ দিতে চাইলে আইসিসিকে আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। আইসিসির যেকোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ভোটের প্রয়োজন হবে, সেক্ষেত্রে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থায় বিভক্তি দেখা দিতে পারে। এ বিষয়টি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলকেও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। পুরোটাই ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক উদাহরণ হয়ে যেতে পারে—এমনটাই মনে করছে ভারতীয় গণমাধ্যমটি।
এনডিটিভি যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সমালোচনাও করেছে। তাদের মতে, উপদেষ্টাই পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছেন। তিনি বর্তমান পরিকল্পনার ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। আসিফ নজরুল বলেছেন, এই পরিস্থিতিতে ভারতে খেলতে যাওয়া বাংলাদেশের জাতীয় মর্যাদায আঘাত লাগার মতো বিষয়। এনডিটিভি মনে করে, এই ‘জাতীয় মর্যাদা’র বিষয়টি এসেই সবকিছু জটিল হয়ে গেছে।
ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতার পুত্র হিসেবেই ক্রিকেট প্রশাসনে এসেছেন জয় শাহ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব হিসেবে কাজ করেই তিনি আইসিসির চেয়ারম্যান হয়েছেন। আইসিসির চেয়ারম্যান হিসেবে খুব সম্ভবত তার প্রশাসনিক জীবনের সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জটাই তাকে নিতে হচ্ছে।

বাংলাদেশকে নিয়ে কঠিন সমস্যায় পড়েছেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পুত্র তিনি। মোস্তাফিজুর রহমান ইস্যুতে ভারতের মাটিতে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার ব্যাপারে অনড় বাংলাদেশ। এ নিয়ে আইসিসিকে দ্বিতীয় দফায় চিঠি দিয়েছে বিসিবি।
বিশ্বকাপের একমাসেরও কম সময় বাকি থাকতে বাংলাদেশের খেলাগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করাটা মুখের কথা নয়। কিন্তু স্থানান্তরিত না করা হলে আবার বাংলাদেশ বিশ্বকাপ বয়কটই করে বসতে পারে। এমন একটা পরিস্থিতিতে জয় শাহ কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছেন, এমনটাই বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম।
বিষয়টি নিয়ে আজ রোববার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটা বৈঠকের কথা আছে জয় শাহর। কাল ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে দ্রুত কোনো সমাধান বের করা খুবই কঠিন একটা কাজ।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের মাটিতে না খেলার ব্যাপারে বিসিবি আইসিসিকে দ্বিতীয় দফায় যে চিঠি দিয়েছে, তারপর পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, এটা শুধু নিরাপত্তার বিষয় না। এর সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় মর্যাদাও জড়িত। হিন্দুত্ববাদীদের হুমকির মুখেই আইপিএল থেকে মোস্তাফিজকে বাদ দিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে (কেকেআর) নির্দেশ দেয় বিসিসিআই।

বাংলাদেশ এর প্রতিক্রিয়া হিসেবেই ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু হতে যাওয়া টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচগুলো কলকাতা ও মুম্বাই থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কার মাটিতে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আইসিসিকে চিঠি দেয়। আইসিসি ও বিসিসিআই থেকে এরপর পূর্ণ নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাংলাদেশ এখন ‘ম্যান টু ম্যান’ নিরাপত্তা বা দলের সব খেলোয়াড়, স্টাফ, কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চায়। আইসিসিকে পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতে বিসিবি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এটা শুধু নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, এটি এখন বাংলাদেশের জাতীয় মর্যাদার ব্যাপার। জয় শাহর চ্যালেঞ্জ এখন এটিই।
আইসিসি এখনো বিসিবির দ্বিতীয় চিঠির জবাব দেয়নি। তবে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ কী নিজেদের উপেক্ষিত মনে করেছে? বাংলাদেশের প্রথম আবেদনের যে জবাব আইসিসি দিয়েছে, সেটিতে সহমর্মিতার ঘাটতি ছিল কি না, জয় শাহকে এসব খতিয়ে দেখতে হবে।
মূল চ্যালেঞ্জটা হলো, জয় শাহ বাংলাদেশকে আর কী আশ্বাস দেবেন, সেটি খুঁজে বের করা। তাকে এমন কোনো সিদ্ধান্ত দিতে হবে, যেটি বাংলাদেশ সানন্দে গ্রহণ করে। বাংলাদেশ যেন কোনোভাবেই মনে না করে, আইসিসি কোনো কিছু চাপিয়ে দিতে চাচ্ছে। এদিকে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়াটাও সহজ নয়, বিশ্বকাপের কাঠামো ও বিশ্বাসযোগ্যতা অক্ষুণ্ন রেখেই এসব করতে হবে।
একটা বিষয় স্পষ্ট, যেটি এনডিটিভি তুলে ধরেছে—বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনের কোনো সুযোগ নেই। বাংলাদেশ যোগ্যতা অর্জন করেই বিশ্বকাপ খেলতে এসেছে। বাংলাদেশকে বাদ দিতে চাইলে আইসিসিকে আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। আইসিসির যেকোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ভোটের প্রয়োজন হবে, সেক্ষেত্রে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থায় বিভক্তি দেখা দিতে পারে। এ বিষয়টি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলকেও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। পুরোটাই ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক উদাহরণ হয়ে যেতে পারে—এমনটাই মনে করছে ভারতীয় গণমাধ্যমটি।
এনডিটিভি যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সমালোচনাও করেছে। তাদের মতে, উপদেষ্টাই পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছেন। তিনি বর্তমান পরিকল্পনার ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। আসিফ নজরুল বলেছেন, এই পরিস্থিতিতে ভারতে খেলতে যাওয়া বাংলাদেশের জাতীয় মর্যাদায আঘাত লাগার মতো বিষয়। এনডিটিভি মনে করে, এই ‘জাতীয় মর্যাদা’র বিষয়টি এসেই সবকিছু জটিল হয়ে গেছে।
ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতার পুত্র হিসেবেই ক্রিকেট প্রশাসনে এসেছেন জয় শাহ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব হিসেবে কাজ করেই তিনি আইসিসির চেয়ারম্যান হয়েছেন। আইসিসির চেয়ারম্যান হিসেবে খুব সম্ভবত তার প্রশাসনিক জীবনের সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জটাই তাকে নিতে হচ্ছে।