চরচা প্রতিবেদক

ক্লান্তিহীনভাবে বল করে যাওয়া তাইজুল ইসলামের নিচু হওয়া ডেলিভারিতে ঝুঁকি নিতে চাইলেন না শান মাসুদ। তবে ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে গেল শর্ট লেগে থাকা মাহমুদুল হাসানের হাতে। এক হাতে দুর্দান্ত সেই ক্যাচ নেওয়ার পর তার উল্লাসই বলে দিচ্ছিল, কতটা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল এটি। অসাধারণ ক্যাচটির সঙ্গে যেন বাংলাদেশের জয়ও অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলেছেন তিনি। চার সেশন বাকি থাকতেই তাই পরাজয়ের দুয়ারে পাকিস্তান।
সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিন চা-বিরতির আগে টপাটপ তিন উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে এখন পাকিস্তান। ৪৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৫ উইকেটে তাদের সংগ্রহ ২০৮ রান। জয়ের জন্য এখনো প্রয়োজন ২২৯ রান।
সেশনের মাঝপথে বাবর আজম ও শান মাসুদের জুটি যখন পুরোপুরি সেট, তখনও পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনাই বেশি ছিল। উইকেট ব্যাটসম্যানদের কিছুটা সহায়তা করলেও দরকার ছিল একটি ব্রেকথ্রু। কাঙ্ক্ষিত সেই সাফল্য এনে দেন তাইজুল ইসলাম। লেগ সাইডে বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন বাবর (৪৭)। দারুণ ক্ষিপ্রতায় ক্যাচটি তালুবন্দি করেন লিটন দাস।
এই উইকেটের পর প্রাণ ফিরে আসে বাংলাদেশ শিবিরেও। আক্রমণে এসে ঢাকা টেস্টের মতোই অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে সৌদ শাকিলকে (৬) কট বিহাইন্ড করেন নাহিদ রানা। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই চমৎকার ব্যাটিং করা মাসুদকে (৭১) ফেরান তাইজুল। আউট হওয়ার পর তার বিস্ময়ই বলে দিচ্ছিল, মাহমুদুলের ক্যাচটা কতটা অসাধারণ ছিল।
সালমান আগা (২৫*) ও মোহাম্মদ রিজওয়ান (১৫*) এরপর কিছুটা আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বাকি সময়টা পার করে দেন। তবে পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়ায় তারা ম্যাচ কত দূর টেনে নিতে পারেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

ক্লান্তিহীনভাবে বল করে যাওয়া তাইজুল ইসলামের নিচু হওয়া ডেলিভারিতে ঝুঁকি নিতে চাইলেন না শান মাসুদ। তবে ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে গেল শর্ট লেগে থাকা মাহমুদুল হাসানের হাতে। এক হাতে দুর্দান্ত সেই ক্যাচ নেওয়ার পর তার উল্লাসই বলে দিচ্ছিল, কতটা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল এটি। অসাধারণ ক্যাচটির সঙ্গে যেন বাংলাদেশের জয়ও অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলেছেন তিনি। চার সেশন বাকি থাকতেই তাই পরাজয়ের দুয়ারে পাকিস্তান।
সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিন চা-বিরতির আগে টপাটপ তিন উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে এখন পাকিস্তান। ৪৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৫ উইকেটে তাদের সংগ্রহ ২০৮ রান। জয়ের জন্য এখনো প্রয়োজন ২২৯ রান।
সেশনের মাঝপথে বাবর আজম ও শান মাসুদের জুটি যখন পুরোপুরি সেট, তখনও পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনাই বেশি ছিল। উইকেট ব্যাটসম্যানদের কিছুটা সহায়তা করলেও দরকার ছিল একটি ব্রেকথ্রু। কাঙ্ক্ষিত সেই সাফল্য এনে দেন তাইজুল ইসলাম। লেগ সাইডে বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন বাবর (৪৭)। দারুণ ক্ষিপ্রতায় ক্যাচটি তালুবন্দি করেন লিটন দাস।
এই উইকেটের পর প্রাণ ফিরে আসে বাংলাদেশ শিবিরেও। আক্রমণে এসে ঢাকা টেস্টের মতোই অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে সৌদ শাকিলকে (৬) কট বিহাইন্ড করেন নাহিদ রানা। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই চমৎকার ব্যাটিং করা মাসুদকে (৭১) ফেরান তাইজুল। আউট হওয়ার পর তার বিস্ময়ই বলে দিচ্ছিল, মাহমুদুলের ক্যাচটা কতটা অসাধারণ ছিল।
সালমান আগা (২৫*) ও মোহাম্মদ রিজওয়ান (১৫*) এরপর কিছুটা আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বাকি সময়টা পার করে দেন। তবে পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়ায় তারা ম্যাচ কত দূর টেনে নিতে পারেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।