চরচা ডেস্ক

ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকায় হিটস্ট্রোকে মোট ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার রাজ্যব্যাপী সতর্কতা জারি করেছে এবং মৃতদের পরিবারকে চার লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
গতকাল শনিবার একটি জরুরি বৈঠকে তেলেঙ্গানার রাজস্বমন্ত্রী পোঙ্গুলেতি শ্রীনিবাসা রেড্ডি এ কথা জানান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদনে এই খাবার জানানো হয়েছে।
রাজ্যের সাতটি জেলা থেকে এসব মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে জয়শঙ্কর ভূপালপল্লীতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। ওয়ারাঙ্গল আরবান, করিমনগর ও নিজামাবাদে তিনজন করে এবং জোগুলাম্বা গাড়ুওয়াল, রাঙ্গারেড্ডি ও সূর্যপেটে একজন করে মারা গেছেন।
দ্য হিন্দু জানিয়েছে, জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে রাজ্য সরকার বাসস্ট্যান্ড, বাজার, ব্যস্ত সড়কসহ অন্যান্য জনবহুল এলাকায় পানীয় জল ও ওরাল রিহাইড্রেশন সল্যুশন (ওআরএস) বিতরণ কেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে হিটস্ট্রোকে আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
একান্ত প্রয়োজন ছাড়া জনসাধারণকে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে বাইরে বের না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাজস্বমন্ত্রী পোঙ্গুলেতি। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে কাজ করা কৃষক, নির্মাণশ্রমিক ও সড়ককর্মীদের সুরক্ষায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
এ ছাড়া গ্রাম ও শহরাঞ্চলে পাখি ও প্রাণীর জন্য পানির পাত্র ও মাটির হাঁড়ির মাধ্যমে পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকায় হিটস্ট্রোকে মোট ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার রাজ্যব্যাপী সতর্কতা জারি করেছে এবং মৃতদের পরিবারকে চার লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
গতকাল শনিবার একটি জরুরি বৈঠকে তেলেঙ্গানার রাজস্বমন্ত্রী পোঙ্গুলেতি শ্রীনিবাসা রেড্ডি এ কথা জানান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদনে এই খাবার জানানো হয়েছে।
রাজ্যের সাতটি জেলা থেকে এসব মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে জয়শঙ্কর ভূপালপল্লীতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। ওয়ারাঙ্গল আরবান, করিমনগর ও নিজামাবাদে তিনজন করে এবং জোগুলাম্বা গাড়ুওয়াল, রাঙ্গারেড্ডি ও সূর্যপেটে একজন করে মারা গেছেন।
দ্য হিন্দু জানিয়েছে, জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে রাজ্য সরকার বাসস্ট্যান্ড, বাজার, ব্যস্ত সড়কসহ অন্যান্য জনবহুল এলাকায় পানীয় জল ও ওরাল রিহাইড্রেশন সল্যুশন (ওআরএস) বিতরণ কেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে হিটস্ট্রোকে আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
একান্ত প্রয়োজন ছাড়া জনসাধারণকে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে বাইরে বের না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাজস্বমন্ত্রী পোঙ্গুলেতি। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে কাজ করা কৃষক, নির্মাণশ্রমিক ও সড়ককর্মীদের সুরক্ষায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
এ ছাড়া গ্রাম ও শহরাঞ্চলে পাখি ও প্রাণীর জন্য পানির পাত্র ও মাটির হাঁড়ির মাধ্যমে পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে রাজ্য সরকার।