চরচা ডেস্ক

ইরান যুদ্ধে আমেরিকা বড় জয় পেতে যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার স্থানীয় সময় রাত ৯টায় হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ দাবি করেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ভাষণের শুরুতেই তিনি নাসার ‘আর্টেমিস-২’ মিশনকে চাঁদে সফল উৎক্ষেপনের জন্য ধন্যবাদ জানান।
এরপর তিনি প্রায় এক মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। ট্রাম্প দাবি করেন, এই যুদ্ধে ইরানের নৌ ও বিমান শক্তি ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়েছে এবং দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তিনি বলেন, ইরানের অনেক শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বড় জয় পেতে যাচ্ছে।
যুদ্ধে অংশ নেওয়া মিত্র দেশগুলোর মধ্যে বিশেষ করে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এসব দেশ অসাধারণ ভূমিকা রেখেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের ব্যর্থ হতে দেবে না।
ট্রাম্প পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, ইরানের হাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকা উচিত নয়। তার মতে, ইরানের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।
ভাষণে তিনি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে দ্রুত আটক করার জন্য মার্কিন সেনাদের ধন্যবাদ জানান এবং এটিকে বৈশ্বিকভাবে প্রশংসিত একটি পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার সম্পর্ক উন্নতির পথে।
ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদের সময় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়ার কথাও স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সোলাইমানি বেঁচে থাকলে বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত, তবে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই জয়ী হতো।
ইরান যুদ্ধকে যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় বলে দাবি করে ট্রাম্প বলেন, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ‘সফল বিনিয়োগ’। তার মতে, এই যুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্র এখন আগের চেয়ে বেশি নিরাপদ, শক্তিশালী ও স্বনির্ভর হয়ে উঠেছে।

ইরান যুদ্ধে আমেরিকা বড় জয় পেতে যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার স্থানীয় সময় রাত ৯টায় হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ দাবি করেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ভাষণের শুরুতেই তিনি নাসার ‘আর্টেমিস-২’ মিশনকে চাঁদে সফল উৎক্ষেপনের জন্য ধন্যবাদ জানান।
এরপর তিনি প্রায় এক মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। ট্রাম্প দাবি করেন, এই যুদ্ধে ইরানের নৌ ও বিমান শক্তি ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়েছে এবং দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তিনি বলেন, ইরানের অনেক শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বড় জয় পেতে যাচ্ছে।
যুদ্ধে অংশ নেওয়া মিত্র দেশগুলোর মধ্যে বিশেষ করে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এসব দেশ অসাধারণ ভূমিকা রেখেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের ব্যর্থ হতে দেবে না।
ট্রাম্প পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, ইরানের হাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকা উচিত নয়। তার মতে, ইরানের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।
ভাষণে তিনি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে দ্রুত আটক করার জন্য মার্কিন সেনাদের ধন্যবাদ জানান এবং এটিকে বৈশ্বিকভাবে প্রশংসিত একটি পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার সম্পর্ক উন্নতির পথে।
ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদের সময় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়ার কথাও স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সোলাইমানি বেঁচে থাকলে বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত, তবে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই জয়ী হতো।
ইরান যুদ্ধকে যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় বলে দাবি করে ট্রাম্প বলেন, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ‘সফল বিনিয়োগ’। তার মতে, এই যুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্র এখন আগের চেয়ে বেশি নিরাপদ, শক্তিশালী ও স্বনির্ভর হয়ে উঠেছে।