চরচা ডেস্ক

চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ সাখাওয়াত হোসেন (৪৯) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে।
আজ বুধবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টা ৪৭ মিনিটের দিকে বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশুরা আক্তার পাখি (৩০) নামে একজনের মৃত্যু হয়। বার্তাসংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানান, পাখির শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
তার আগে একই ঘটনায় সামির আহমেদ সুমন, নুরজাহান আক্তার ও তার ছেলে শাওনের মৃত্যু হয়। বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে আরও ৪ জন জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
উল্লেখ্য, হালিশহরের একটি বাসায় গ্যাস লাইন থেকে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের নয়জন দগ্ধ হন। ঘটনার পর দগ্ধদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ সাখাওয়াত হোসেন (৪৯) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে।
আজ বুধবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টা ৪৭ মিনিটের দিকে বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশুরা আক্তার পাখি (৩০) নামে একজনের মৃত্যু হয়। বার্তাসংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানান, পাখির শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
তার আগে একই ঘটনায় সামির আহমেদ সুমন, নুরজাহান আক্তার ও তার ছেলে শাওনের মৃত্যু হয়। বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে আরও ৪ জন জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
উল্লেখ্য, হালিশহরের একটি বাসায় গ্যাস লাইন থেকে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের নয়জন দগ্ধ হন। ঘটনার পর দগ্ধদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।