চরচা ডেস্ক

দীর্ঘদিন ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল এবং লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে যুক্তরাষ্ট্রের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, “হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েল একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, এই চুক্তিটি সফল করতে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা নিরলসভাবে কাজ করেছেন। বিশেষ করে, এই সমঝোতায় পৌঁছাতে ইরানের পক্ষ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার সকালেও দুপক্ষের মধ্যে তীব্র গোলাগুলি ও হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। তবে সেই উত্তেজনার পরই পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে রাজি হয়।
মার্কিন কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি যে, আজ ভোরের দিকে ব্যাপক গোলাগুলির পর এখন ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে।”
দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই উত্তেজনা প্রশমনে এই যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। তবে এই যুদ্ধবিরতি কতটা স্থায়ী হবে, তা নিয়ে এখনো পুরোপুরি শঙ্কা কাটেনি।

দীর্ঘদিন ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল এবং লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে যুক্তরাষ্ট্রের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, “হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েল একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, এই চুক্তিটি সফল করতে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা নিরলসভাবে কাজ করেছেন। বিশেষ করে, এই সমঝোতায় পৌঁছাতে ইরানের পক্ষ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার সকালেও দুপক্ষের মধ্যে তীব্র গোলাগুলি ও হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। তবে সেই উত্তেজনার পরই পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে রাজি হয়।
মার্কিন কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি যে, আজ ভোরের দিকে ব্যাপক গোলাগুলির পর এখন ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে।”
দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই উত্তেজনা প্রশমনে এই যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। তবে এই যুদ্ধবিরতি কতটা স্থায়ী হবে, তা নিয়ে এখনো পুরোপুরি শঙ্কা কাটেনি।