Advertisement Banner

আইপ্যাড ও ম্যাকবুকের দাম বাড়াল অ্যাপল

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
আইপ্যাড ও ম্যাকবুকের দাম বাড়াল অ্যাপল
ছবি: রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিল্পে ডেটাসেন্টার নির্মাণের দ্রুত বিস্তার এবং এর ফলে মেমোরি ও স্টোরেজ চিপের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল তাদের কয়েকটি ম্যাক ও আইপ্যাড মডেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার অ্যাপল জানায়, এতদিন তারা বাড়তি খরচ নিজেরা বহন করে গ্রাহকদের ওপর চাপ কমিয়ে রেখেছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তা আর সম্ভব হচ্ছে না।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, তবে এই মূল্যবৃদ্ধি এখনই অ্যাপলের সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস আইফোনে প্রভাব ফেলছে না।

নতুন এই ঘোষণার ফলে অ্যাপলের স্বল্পমূল্যের ল্যাপটপ ‘নিও’-এর শুরুর দাম ৫৯৯ ডলার থেকে বেড়ে ৬৯৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। কয়েক মাস আগে উন্মোচিত এই মডেলটি সাশ্রয়ী মূল্যের উইন্ডোজ ও ক্রোমবুক ল্যাপটপের বাজারে অংশীদারত্ব বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে আনা হয়েছিল।

এছাড়া নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ৫১২ জিবি ম্যাকবুক এয়ারের দাম ১ হাজার ৯৯ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ২৯৯ ডলার এবং ১ টেরাবাইট ম্যাকবুক প্রোর দাম ১ হাজার ৬৯৯ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ৯৯৯ ডলার করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ১২৮ জিবি আইপ্যাড এয়ারের দাম ৫৯৯ ডলার থেকে বেড়ে ৭৪৯ ডলার হয়েছে। সেই সঙ্গে হোমপড স্মার্ট স্পিকারের উভয় সংস্করণ এবং অ্যাপল টিভি সেট-টপ বক্সের দামও বাড়িয়েছে অ্যাপল।

এদিকে, অ্যাপলের এই পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে প্রযুক্তি শিল্পে সবচেয়ে শক্তিশালী সরবরাহ শৃঙ্খল থাকা কোম্পানিগুলোর একটি হয়েও তারা বৈশ্বিক মেমোরি সংকট ও ব্যয় বৃদ্ধির বাইরে থাকতে পারছে না। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি স্মার্টফোন ও ব্যক্তিগত কম্পিউটার বাজারের প্রবৃদ্ধিকেও দুর্বল করে দিতে পারে।

অন্যদিকে দাম বাড়ানোর ঘোষণার পর অ্যাপলের শেয়ার প্রায় ৫ শতাংশ কমেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী ডেলের শেয়ারও ৮ শতাংশের বেশি কমেছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, আগামী কয়েক মাসে আইফোনের দামও বাড়তে পারে। এতে সম্ভাব্য ক্রেতারা নতুন দাম কার্যকরের আগেই কেনাকাটার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

সম্পর্কিত