চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ওপর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত পাল্টা শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তিনি সব দেশের পণ্যের ওপর অন্য আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার ঘোষণা দিয়েছেন।
স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার দেশটির সর্বোচ্চ আদালত বলেছেন, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল ইমারজেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট (আইইইপিএ) প্রয়োগ করে ওই শুল্ক আরোপ করেছিলেন। কিন্তু আইনটি প্রেসিডেন্টকে এই শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয় না।
আল জাজিরা জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ জন বিচারপতির মধ্যে ৬ জন ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপকে অবৈধ ঘোষণার পক্ষে মত দিয়েছেন। আর ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া সমর্থন করেছেন তিন বিচারপতি।
সর্বোচ্চ আদালতের ওই রায়ের পর হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছেন, তা ‘জাতির জন্য অসম্মানের’। বিচারপতিদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, কিছু বিচারপতির জন্য তিনি ‘সত্যিকারে লজ্জা বোধ করছেন’। বিচারপতিরা ‘বিদেশিদের স্বার্থ রক্ষা’ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, “শুল্ক আমাদের শক্তিশালী জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এবং আমাদের কঠোর সীমান্ত ব্যবস্থার সঙ্গে মিলে দেশে ফেন্টানিল প্রবেশ ৩০ শতাংশ কমিয়েছে। আমাদের দেশে ফেন্টানিল পাঠানোর জন্য যে শাস্তিমূলক শুল্কারোপ করেছিলাম, ওই সব বহাল থাকবে। তবে আদালত যে শুল্কগুলো ভুলভাবে বাতিল করেছে, সেগুলোর পরিবর্তে এখন অন্য বিকল্প ব্যবস্থা ব্যবহার করা হবে।”
ট্রাম্প আরও বলেন, ১৯৬২ সালের ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্ট তাকে বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের আইনি ভিত্তি দেয়। তার দাবি, “আমার শুল্ক আরোপের অধিকার আছে, এবং সবসময়ই ছিল।”
ট্রাম্প জানান, তিনি ১৯৬২ সালের ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্ট ব্যবহার করে ১৫০ দিনের জন্য ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ করবেন, যা আদালত বাতিল করা কিছু শুল্কের পরিবর্তে কার্যকর হবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের ওপর চাপ প্রয়োগ এবং আলোচনার হাতিয়ার হিসেবে শুল্ককে ব্যবহার করছেন। তবে গত বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতার নজিরবিহীন ব্যবহার করছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছেন।

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ওপর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত পাল্টা শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তিনি সব দেশের পণ্যের ওপর অন্য আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার ঘোষণা দিয়েছেন।
স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার দেশটির সর্বোচ্চ আদালত বলেছেন, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল ইমারজেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট (আইইইপিএ) প্রয়োগ করে ওই শুল্ক আরোপ করেছিলেন। কিন্তু আইনটি প্রেসিডেন্টকে এই শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয় না।
আল জাজিরা জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ জন বিচারপতির মধ্যে ৬ জন ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপকে অবৈধ ঘোষণার পক্ষে মত দিয়েছেন। আর ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া সমর্থন করেছেন তিন বিচারপতি।
সর্বোচ্চ আদালতের ওই রায়ের পর হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছেন, তা ‘জাতির জন্য অসম্মানের’। বিচারপতিদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, কিছু বিচারপতির জন্য তিনি ‘সত্যিকারে লজ্জা বোধ করছেন’। বিচারপতিরা ‘বিদেশিদের স্বার্থ রক্ষা’ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, “শুল্ক আমাদের শক্তিশালী জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এবং আমাদের কঠোর সীমান্ত ব্যবস্থার সঙ্গে মিলে দেশে ফেন্টানিল প্রবেশ ৩০ শতাংশ কমিয়েছে। আমাদের দেশে ফেন্টানিল পাঠানোর জন্য যে শাস্তিমূলক শুল্কারোপ করেছিলাম, ওই সব বহাল থাকবে। তবে আদালত যে শুল্কগুলো ভুলভাবে বাতিল করেছে, সেগুলোর পরিবর্তে এখন অন্য বিকল্প ব্যবস্থা ব্যবহার করা হবে।”
ট্রাম্প আরও বলেন, ১৯৬২ সালের ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্ট তাকে বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের আইনি ভিত্তি দেয়। তার দাবি, “আমার শুল্ক আরোপের অধিকার আছে, এবং সবসময়ই ছিল।”
ট্রাম্প জানান, তিনি ১৯৬২ সালের ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্ট ব্যবহার করে ১৫০ দিনের জন্য ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ করবেন, যা আদালত বাতিল করা কিছু শুল্কের পরিবর্তে কার্যকর হবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের ওপর চাপ প্রয়োগ এবং আলোচনার হাতিয়ার হিসেবে শুল্ককে ব্যবহার করছেন। তবে গত বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতার নজিরবিহীন ব্যবহার করছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছেন।