চরচা প্রতিবেদক

উজবেকিস্তান–পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশের মেয়েরা। আজ বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায় পার্থে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে ঋতুপর্না, আফঈদারা। এশিয়ান কাপে চীন ও উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে মহাকঠিন দুটি ম্যাচে ভালোভাবে উতরে যাওয়ার পর এ ম্যাচে যদিও হারানোর কিছু নেই বাংলাদেশের। তবে পাওয়ার আছে অনেক কিছুই। উজবেকিস্তানকে হারাতে পারলে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার একটা সমীকরণে ঢুকে যেতে পারবে বাংলাদেশ। তবে প্রশ্নটা হচ্ছে বাংলাদেশ কি ম্যাচটা জিততে পারবে?
উজবেকিস্তানকে হারাতে পারলে বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচিত হওয়ারই কথা ছিল। তবে এ ম্যাচে বাংলাদেশের মেয়েদের স্বপ্নের পথে বড় বাধা গাণিতিক সমীকরণ। সোমবার ফিলিপাইন ইরানকে হারিয়ে দেওয়ার পর বাংলাদেশের সমীকরণটা বেশ কঠিনই হয়ে গেছে। তবুও এশিয়ান কাপের অভিষেকে একটা জয়, বড় কিছুই।

সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া–দক্ষিণ কোরিয়া ম্যাচের সময়ই গোল্ডকোস্টে ‘এ’ গ্রুপে তৃতীয় হওয়ার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিল ইরান-ফিলিপাইন। ম্যাচটা ইরান জিতলে বা ড্র হলে বাংলাদেশের জন্য সমীকরণ তুলনামূলক সহজ হতো; কিন্তু ২-০ গোলে জিতল ফিলিপাইন। ফলে তিন ম্যাচে ৩ পয়েন্ট ও -২ গোল গড়ে সেরা দুই তৃতীয় দলের একটি হওয়ার দৌড়ে ফিলিপাইন অনেকটা এগিয়ে গেছে।
অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপের প্রথম দুই ম্যাচে চীন ও উত্তর কোরিয়ার কাছে সাত গোল হজম করা বাংলাদেশের জন্য সমীকরণটা এখন বেশ কঠিন। কাল ‘সি’ গ্রুপের খেলা শেষ হলে বোঝা যাবে কারা সেরা তৃতীয় হয়ে শেষ আটে যাবে, তবে আপাতত সুবিধাজনক অবস্থানে ‘এ’ গ্রুপে ফিলিপাইন এবং ‘সি’ গ্রুপের চায়নিজ তাইপে ও ভিয়েতনাম। তবে সব সমীকরণকে একপাশে সরিয়ে রেখে জয়ের লক্ষ্যে তো মাঠে নামাই যায়।
তবে এশিয়ান কাপে এরইমধ্যে অভিষেকটা স্বস্তিদায়কই বাংলাদেশের মেয়েদের। প্রথম ম্যাচে সিডনিকে ৯ বারের এশীয় চ্যাম্পিয়ন চীনকে তো প্রায় রুখেই দিতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। ঋতুপর্না চাকমার ওই শটটা যদি চীনের গোলে ঢুকে যেত, তাহলে খেলাটা অন্যরকম হলেও হতে পারত। চীনের সঙ্গে ২–০ গোলে হারলেও দুটি গোলই হয়েছে ক্ষণিকের ভুলের খেসারত হিসেবে। মোটকথা চীনকে ছেড়ে কথা বলেনি বাংলাদেশ। সামর্থ্যের পার্থক্যের কারণেই শেষ পর্যন্ত চীনের কাছে হারতে হয়েছে। তবে সিডনিতেই দ্বিতীয় ম্যাচে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশয়ে থাকা উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সেই টেম্পো ধরে রাখতে বেগ পেতে হয়েছে পিটার বাটলারের দলের। চীনের চেয়েও শক্তিশালী উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে হারতে হয়েছে ৫–০ গোলে। যদিও উত্তর কোরিয়াকেও ৪৫ মিনিট আটকে রাখতে পেরেছিলেন বাংলাদেশের। কিন্তু দিন শেষে বড় হারই সঙ্গী। এখন পার্থে গ্রুপের শেষ ম্যাচে উজবেকিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ। ম্যাচটা জেতার ব্যাপারে আজ ম্যাচ–পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে কোনো পরিস্কার লক্ষ্যের কথা বলতে চাননি কোচ ও অধিনায়ক। সাংবাদিকেরা নানা ভাবেই ‘জিততে চাই’ বা ‘ভালো খেললে জিতব’ জাতীয় কোনো কথা বলাতে পারেননি কোচ ও অধিনায়ককে। বাংলাদেশের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকারের কথা, “গ্রুপের শেষ ম্যাচে আমরা সবাই চেষ্টা করব সেরাটা দেওয়ার। আমাদের হারানোর কিছু নেই। আমরা প্রথমবার কোয়ালিফাই করেছি এশিয়ান কাপে। দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছি, এটাই অনেক বড় ব্যাপার।”

কোচ বাটলারের কাছে এশিয়ান কাপ শেখার জায়গাই। তিনি শুধু উজবেকিস্তান ম্যাচ নিয়ে ইতিবাচক আশাই করছেন, “আমরা এশিয়ান কাপে বড় দুই দলের সঙ্গে খেলে বেশ কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। আমাদের কাছে প্রতিটি দিনই নতুন কিছু শেখার। আমাদের দলের গড় বয়স মাত্র ১৯। উজবেকিস্তান ম্যাচ নিয়ে আমরা আশাবাদী।”
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৪৯তম স্থানে আছে উজবেকিস্তান। বাংলাদেশের অবস্থান ১১২। কাগজে–কলমে উজবেকিস্তান অনেক এগিয়ে। কিন্তু এই এগিয়ে থাকা দলকে হারিয়েই কিন্তু গত জুলাইয়ে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। যে মিয়ানমারকে ২–১ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই মিয়ানমার ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে ছিল ৭৫ ধাপ। ৭৫ ধাপের মিয়ানমারকে যদি হারানো যায়, তাহলে ৬৩ ধাপ উজবেকিস্তান কী খুব কঠিন বাংলাদেশের জন্য?
এশিয়ান কাপে দুর্দান্ত অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী দল। ৪৬ বছর পর বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দল এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলছে। অভিষেক ম্যাচে চীনের বিপক্ষে লড়াই সবার নজর কেড়েছে। ঋতুপর্না চাকমার ওই বাঁকানো শটটি যদি চীনের গোলে ঢুকে যেত, তাহলে ম্যাচটা অন্যরকম হয়ে যেত। উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমে আরেকটি বিরল অভিজ্ঞতার মুখোমুখি বাংলাদেশের ফুটবল। দেশের ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের টপ টেন কোনো দলের মুখোমুখি হলো বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল, সেটি মেয়েদের জাতীয় দলের হাত ধরেই। যদিও ম্যাচটি ৫–০ গোলে হেরেছে দল। কিন্তু অভিজ্ঞতা অমূল্য। এশিয়ান কাপে খেলতে যাওয়ার আগেই কোচ বাটলার বলেছিলেন কথাটা। তিনি বলেছিলেন, মেয়েরা এই উপলক্ষটা প্রাণভরে উপভোগ করুক। এশিয়ান কাপের চূড়ান্তপর্বে খেলাটা যে কত বড় ঘটনা, বাংলাদেশের ফুটবলের কত বড় অর্জন, সেটা অনুভব করুক তারা।

এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার উপলক্ষের মধ্যেই আরও একটি বড় অর্জনের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। সোমবার সেই অর্জন সত্যি হলেও হতে পারে। যদি দল পারফরম্যান্সে নিজেদের ছাড়িয়ে যেতে পারে। জুলাইয়ে মিয়ানমারের বিপক্ষে সেই ম্যাচে জয়, এবার এশিয়ান কাপে চীন, উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা, সবকিছুকে পুঁজি করে ঋতুপর্না, মনিকা, শামসুন্নাহার, মারিয়া মান্দারা যদি নিজেদের উজাড় করে দিতে পারে। তবে হতে পারে অনেক কিছুই। বাটলার–আফঈদা সরাসরি কিছু বলেননি, তবে মাঠে নেমে উজবেকিস্তানকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের সমীকরণে নিজেদের নিয়ে যাওয়াই যে বাংলাদেশের লক্ষ্য, এটা না বললেও চলছে।

উজবেকিস্তান–পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশের মেয়েরা। আজ বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায় পার্থে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে ঋতুপর্না, আফঈদারা। এশিয়ান কাপে চীন ও উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে মহাকঠিন দুটি ম্যাচে ভালোভাবে উতরে যাওয়ার পর এ ম্যাচে যদিও হারানোর কিছু নেই বাংলাদেশের। তবে পাওয়ার আছে অনেক কিছুই। উজবেকিস্তানকে হারাতে পারলে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার একটা সমীকরণে ঢুকে যেতে পারবে বাংলাদেশ। তবে প্রশ্নটা হচ্ছে বাংলাদেশ কি ম্যাচটা জিততে পারবে?
উজবেকিস্তানকে হারাতে পারলে বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচিত হওয়ারই কথা ছিল। তবে এ ম্যাচে বাংলাদেশের মেয়েদের স্বপ্নের পথে বড় বাধা গাণিতিক সমীকরণ। সোমবার ফিলিপাইন ইরানকে হারিয়ে দেওয়ার পর বাংলাদেশের সমীকরণটা বেশ কঠিনই হয়ে গেছে। তবুও এশিয়ান কাপের অভিষেকে একটা জয়, বড় কিছুই।

সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া–দক্ষিণ কোরিয়া ম্যাচের সময়ই গোল্ডকোস্টে ‘এ’ গ্রুপে তৃতীয় হওয়ার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিল ইরান-ফিলিপাইন। ম্যাচটা ইরান জিতলে বা ড্র হলে বাংলাদেশের জন্য সমীকরণ তুলনামূলক সহজ হতো; কিন্তু ২-০ গোলে জিতল ফিলিপাইন। ফলে তিন ম্যাচে ৩ পয়েন্ট ও -২ গোল গড়ে সেরা দুই তৃতীয় দলের একটি হওয়ার দৌড়ে ফিলিপাইন অনেকটা এগিয়ে গেছে।
অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপের প্রথম দুই ম্যাচে চীন ও উত্তর কোরিয়ার কাছে সাত গোল হজম করা বাংলাদেশের জন্য সমীকরণটা এখন বেশ কঠিন। কাল ‘সি’ গ্রুপের খেলা শেষ হলে বোঝা যাবে কারা সেরা তৃতীয় হয়ে শেষ আটে যাবে, তবে আপাতত সুবিধাজনক অবস্থানে ‘এ’ গ্রুপে ফিলিপাইন এবং ‘সি’ গ্রুপের চায়নিজ তাইপে ও ভিয়েতনাম। তবে সব সমীকরণকে একপাশে সরিয়ে রেখে জয়ের লক্ষ্যে তো মাঠে নামাই যায়।
তবে এশিয়ান কাপে এরইমধ্যে অভিষেকটা স্বস্তিদায়কই বাংলাদেশের মেয়েদের। প্রথম ম্যাচে সিডনিকে ৯ বারের এশীয় চ্যাম্পিয়ন চীনকে তো প্রায় রুখেই দিতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। ঋতুপর্না চাকমার ওই শটটা যদি চীনের গোলে ঢুকে যেত, তাহলে খেলাটা অন্যরকম হলেও হতে পারত। চীনের সঙ্গে ২–০ গোলে হারলেও দুটি গোলই হয়েছে ক্ষণিকের ভুলের খেসারত হিসেবে। মোটকথা চীনকে ছেড়ে কথা বলেনি বাংলাদেশ। সামর্থ্যের পার্থক্যের কারণেই শেষ পর্যন্ত চীনের কাছে হারতে হয়েছে। তবে সিডনিতেই দ্বিতীয় ম্যাচে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশয়ে থাকা উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সেই টেম্পো ধরে রাখতে বেগ পেতে হয়েছে পিটার বাটলারের দলের। চীনের চেয়েও শক্তিশালী উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে হারতে হয়েছে ৫–০ গোলে। যদিও উত্তর কোরিয়াকেও ৪৫ মিনিট আটকে রাখতে পেরেছিলেন বাংলাদেশের। কিন্তু দিন শেষে বড় হারই সঙ্গী। এখন পার্থে গ্রুপের শেষ ম্যাচে উজবেকিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ। ম্যাচটা জেতার ব্যাপারে আজ ম্যাচ–পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে কোনো পরিস্কার লক্ষ্যের কথা বলতে চাননি কোচ ও অধিনায়ক। সাংবাদিকেরা নানা ভাবেই ‘জিততে চাই’ বা ‘ভালো খেললে জিতব’ জাতীয় কোনো কথা বলাতে পারেননি কোচ ও অধিনায়ককে। বাংলাদেশের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকারের কথা, “গ্রুপের শেষ ম্যাচে আমরা সবাই চেষ্টা করব সেরাটা দেওয়ার। আমাদের হারানোর কিছু নেই। আমরা প্রথমবার কোয়ালিফাই করেছি এশিয়ান কাপে। দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছি, এটাই অনেক বড় ব্যাপার।”

কোচ বাটলারের কাছে এশিয়ান কাপ শেখার জায়গাই। তিনি শুধু উজবেকিস্তান ম্যাচ নিয়ে ইতিবাচক আশাই করছেন, “আমরা এশিয়ান কাপে বড় দুই দলের সঙ্গে খেলে বেশ কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। আমাদের কাছে প্রতিটি দিনই নতুন কিছু শেখার। আমাদের দলের গড় বয়স মাত্র ১৯। উজবেকিস্তান ম্যাচ নিয়ে আমরা আশাবাদী।”
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৪৯তম স্থানে আছে উজবেকিস্তান। বাংলাদেশের অবস্থান ১১২। কাগজে–কলমে উজবেকিস্তান অনেক এগিয়ে। কিন্তু এই এগিয়ে থাকা দলকে হারিয়েই কিন্তু গত জুলাইয়ে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। যে মিয়ানমারকে ২–১ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই মিয়ানমার ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে ছিল ৭৫ ধাপ। ৭৫ ধাপের মিয়ানমারকে যদি হারানো যায়, তাহলে ৬৩ ধাপ উজবেকিস্তান কী খুব কঠিন বাংলাদেশের জন্য?
এশিয়ান কাপে দুর্দান্ত অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী দল। ৪৬ বছর পর বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দল এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলছে। অভিষেক ম্যাচে চীনের বিপক্ষে লড়াই সবার নজর কেড়েছে। ঋতুপর্না চাকমার ওই বাঁকানো শটটি যদি চীনের গোলে ঢুকে যেত, তাহলে ম্যাচটা অন্যরকম হয়ে যেত। উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমে আরেকটি বিরল অভিজ্ঞতার মুখোমুখি বাংলাদেশের ফুটবল। দেশের ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের টপ টেন কোনো দলের মুখোমুখি হলো বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল, সেটি মেয়েদের জাতীয় দলের হাত ধরেই। যদিও ম্যাচটি ৫–০ গোলে হেরেছে দল। কিন্তু অভিজ্ঞতা অমূল্য। এশিয়ান কাপে খেলতে যাওয়ার আগেই কোচ বাটলার বলেছিলেন কথাটা। তিনি বলেছিলেন, মেয়েরা এই উপলক্ষটা প্রাণভরে উপভোগ করুক। এশিয়ান কাপের চূড়ান্তপর্বে খেলাটা যে কত বড় ঘটনা, বাংলাদেশের ফুটবলের কত বড় অর্জন, সেটা অনুভব করুক তারা।

এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার উপলক্ষের মধ্যেই আরও একটি বড় অর্জনের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। সোমবার সেই অর্জন সত্যি হলেও হতে পারে। যদি দল পারফরম্যান্সে নিজেদের ছাড়িয়ে যেতে পারে। জুলাইয়ে মিয়ানমারের বিপক্ষে সেই ম্যাচে জয়, এবার এশিয়ান কাপে চীন, উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা, সবকিছুকে পুঁজি করে ঋতুপর্না, মনিকা, শামসুন্নাহার, মারিয়া মান্দারা যদি নিজেদের উজাড় করে দিতে পারে। তবে হতে পারে অনেক কিছুই। বাটলার–আফঈদা সরাসরি কিছু বলেননি, তবে মাঠে নেমে উজবেকিস্তানকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের সমীকরণে নিজেদের নিয়ে যাওয়াই যে বাংলাদেশের লক্ষ্য, এটা না বললেও চলছে।