
২০০৬ ও ২০১৪ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে শেষ রাউন্ডে গিয়ে বাদ পড়তে হয়েছিল উজবেকিস্তানকে। এবারের ৪৮ দলের বিশ্বকাপ অবশেষে বিশ্বকাপের দুয়ার খুলে দেয় দলটির সামনে। মূল পর্বেও নিজেদের প্রথম ম্যাচে কলম্বিয়াকে ছেড়ে কথা বলেনি তারা।

কাগজে-কলমে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল এবং লুইস দিয়াজের কলম্বিয়া সহজেই পরের রাউন্ডে যাবে বলে মনে হলেও, ফুটবলে তো কত কিছুই ঘটতে পারে। উজবেকিস্তান কি পারবে রোনালদোকে থামানোর কোনো মাস্টারপ্ল্যান সাজাতে? নাকি কঙ্গো আন্ডারডগ হিসেবে এসে কলম্বিয়া বা পর্তুগালের উৎসব ভণ্ডুল করে দেবে?

উজবেকিস্তানকে হারাতে পারলে বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচিত হওয়ারই কথা ছিল। তবে এ ম্যাচে বাংলাদেশের মেয়েদের স্বপ্নের পথে বড় বাধা গাণিতিক সমীকরণ। সোমবার ফিলিপাইন ইরানকে হারিয়ে দেওয়ার পর বাংলাদেশের সমীকরণটা বেশ কঠিনই হয়ে গেছে। তবুও এশিয়ান কাপের অভিষেকে একটা জয়, বড় কিছুই।

ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৪৯তম স্থানে আছে উজবেকিস্তান। বাংলাদেশের অবস্থান ১১২। কাগজে-কলমে উজবেকিস্তান অনেক এগিয়ে। কিন্তু এই এগিয়ে থাকা দলকে হারিয়েই কিন্তু গত জুলাইয়ে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। মিয়ানমার ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে ছিল ৭৫ ধাপ।

উজবেকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বুখারা রিজিয়নের গভর্নর জারিপভ বটির কমিলোভিচের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন।