চরচা প্রতিবেদক

কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা’ গ্রহণ এবং জামিনে মুক্ত ব্যক্তিদের পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশনার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
সাম্প্রতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া একাধিক নির্দেশনায় নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ‘শ্যোন-অ্যারেস্ট’ বা অন্য মামলায় পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ পুলিশ-এর রাজশাহী রেঞ্জ পর্যায়ের একটি লিখিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জামিনপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ‘দলকে শক্তিশালী বা সংগঠিত করার সক্ষমতা’ বিবেচনায় নিয়ে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো যেতে পারে। আসক মনে করে, এ ধরনের নির্দেশনা আইনের শাসন, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
সংস্থাটি বলছে, কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও পর্যাপ্ত প্রমাণ থাকলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তবে পূর্বধারণা বা পরিকল্পিত হয়রানির উদ্দেশ্যে পুনরায় গ্রেপ্তারের মতো পদক্ষেপ আইন ও গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী।
আসক বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করে, পুলিশ কর্তৃপক্ষের এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের এখতিয়ার ও জবাবদিহিতার ভিত্তি কী তা স্পষ্ট নয়। একটি নবনির্বাচিত সরকারের সুশাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সর্বস্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারের সঙ্গে এ ধরনের পদক্ষেপ সম্পূর্ণভাবে সাংঘর্ষিক বলে মনে করে সংস্থাটি।
আসক জানায়, জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রের প্রতিটি বিভাগের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর সংবিধানসম্মত ও মানবাধিকারসম্মত আচরণের দায়বদ্ধতা আরও বেড়েছে।
সংস্থাটি আরও বলেছে, বাংলাদেশের সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদসমূহ নাগরিকের ব্যক্তিস্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং আইনের সমান সুরক্ষার নিশ্চয়তা দেয়। কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেমন জরুরি, তেমনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে হয়রানি করার কোনো এখতিয়ার কারও নেই।
এ পরিস্থিতিতে আসক সংশ্লিষ্ট নির্দেশনার আইনি ভিত্তি জনসম্মুখে প্রকাশ, এ সংক্রান্ত সব আদেশ ও প্রক্রিয়া পর্যালোচনা এবং সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে বেআইনি গ্রেপ্তার, হয়রানি এবং ‘শ্যোন-অ্যারেস্ট’-এর মতো চর্চা বন্ধ করে নাগরিকের ন্যায়বিচার, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও আইনের সমান সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা’ গ্রহণ এবং জামিনে মুক্ত ব্যক্তিদের পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশনার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
সাম্প্রতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া একাধিক নির্দেশনায় নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ‘শ্যোন-অ্যারেস্ট’ বা অন্য মামলায় পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ পুলিশ-এর রাজশাহী রেঞ্জ পর্যায়ের একটি লিখিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জামিনপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ‘দলকে শক্তিশালী বা সংগঠিত করার সক্ষমতা’ বিবেচনায় নিয়ে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো যেতে পারে। আসক মনে করে, এ ধরনের নির্দেশনা আইনের শাসন, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
সংস্থাটি বলছে, কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও পর্যাপ্ত প্রমাণ থাকলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তবে পূর্বধারণা বা পরিকল্পিত হয়রানির উদ্দেশ্যে পুনরায় গ্রেপ্তারের মতো পদক্ষেপ আইন ও গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী।
আসক বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করে, পুলিশ কর্তৃপক্ষের এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের এখতিয়ার ও জবাবদিহিতার ভিত্তি কী তা স্পষ্ট নয়। একটি নবনির্বাচিত সরকারের সুশাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সর্বস্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারের সঙ্গে এ ধরনের পদক্ষেপ সম্পূর্ণভাবে সাংঘর্ষিক বলে মনে করে সংস্থাটি।
আসক জানায়, জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রের প্রতিটি বিভাগের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর সংবিধানসম্মত ও মানবাধিকারসম্মত আচরণের দায়বদ্ধতা আরও বেড়েছে।
সংস্থাটি আরও বলেছে, বাংলাদেশের সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদসমূহ নাগরিকের ব্যক্তিস্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং আইনের সমান সুরক্ষার নিশ্চয়তা দেয়। কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেমন জরুরি, তেমনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে হয়রানি করার কোনো এখতিয়ার কারও নেই।
এ পরিস্থিতিতে আসক সংশ্লিষ্ট নির্দেশনার আইনি ভিত্তি জনসম্মুখে প্রকাশ, এ সংক্রান্ত সব আদেশ ও প্রক্রিয়া পর্যালোচনা এবং সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে বেআইনি গ্রেপ্তার, হয়রানি এবং ‘শ্যোন-অ্যারেস্ট’-এর মতো চর্চা বন্ধ করে নাগরিকের ন্যায়বিচার, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও আইনের সমান সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।