চরচা ডেস্ক

২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে বাংলাদেশে সুখ বেড়েছে। ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট-এর সর্বশেষ পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৭টি দেশের মধ্যে ১২৭তম।
২০২৪ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৪তম। অর্থাৎ বাংলাদেশ সাত ধাপ এগিয়েছে।
ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট প্রতি বছর বিশ্বের সুখী দেশের তালিকা তৈরি করে। ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের ওয়েলবিং রিসার্চ সেন্টার ব্রিটিশ জরিপ সংস্থা গ্যালাপ ও জাতিসংঘের ‘সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্কে’র সহায়তায় এই তালিকা প্রস্তুত করেছে। ২০শে মার্চ ‘আন্তর্জাতিক সুখ দিবস’ উপলক্ষে এই তালিকা প্রকাশিত হয়।
বিশ্বের ১৪৭টি দেশ থেকে গ্যালাপ বিশ্ব জরিপের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
অংশগ্রহণকারী মানুষদের আগের তিন বছর জীবন কেমন কেটেছে, তা মূল্যায়ন করতে বলা হয়।
অংশগ্রহণকারীদের জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির মাত্রা সম্পর্কে জানাতে বলা হয় এবং সে অনুযায়ী সুখী দেশের তালিকায় ওই দেশের অবস্থান নির্ধারিত হয়। পাশাপাশি, এ প্রতিবেদনে ছয়টি সূচককেও বিবেচনায় নেওয়া হয়।
এই সূচকগুলো হলো—মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি), সামাজিক সহায়তা, সুস্থ জীবনযাপনের প্রত্যাশা, জীবনযাপনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা, উদারতা এবং দুর্নীতি নিয়ে মনোভাব।
ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা যথাক্রমে ১১৬, ১০৪ ও ১৩৪তম অবস্থানগুলো দখল করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এই তালিকায় এগিয়ে আছে নেপাল। দেশটির অবস্থান ৯৯তম।
বরাবরের মতো এবারও বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশের শীর্ষ অবস্থানে আছে ফিনল্যান্ড। গতবারের মতো এবারও সবচেয়ে অসুখী দেশ হয়েছে আফগানিস্তান।

২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে বাংলাদেশে সুখ বেড়েছে। ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট-এর সর্বশেষ পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৭টি দেশের মধ্যে ১২৭তম।
২০২৪ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৪তম। অর্থাৎ বাংলাদেশ সাত ধাপ এগিয়েছে।
ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট প্রতি বছর বিশ্বের সুখী দেশের তালিকা তৈরি করে। ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের ওয়েলবিং রিসার্চ সেন্টার ব্রিটিশ জরিপ সংস্থা গ্যালাপ ও জাতিসংঘের ‘সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্কে’র সহায়তায় এই তালিকা প্রস্তুত করেছে। ২০শে মার্চ ‘আন্তর্জাতিক সুখ দিবস’ উপলক্ষে এই তালিকা প্রকাশিত হয়।
বিশ্বের ১৪৭টি দেশ থেকে গ্যালাপ বিশ্ব জরিপের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
অংশগ্রহণকারী মানুষদের আগের তিন বছর জীবন কেমন কেটেছে, তা মূল্যায়ন করতে বলা হয়।
অংশগ্রহণকারীদের জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির মাত্রা সম্পর্কে জানাতে বলা হয় এবং সে অনুযায়ী সুখী দেশের তালিকায় ওই দেশের অবস্থান নির্ধারিত হয়। পাশাপাশি, এ প্রতিবেদনে ছয়টি সূচককেও বিবেচনায় নেওয়া হয়।
এই সূচকগুলো হলো—মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি), সামাজিক সহায়তা, সুস্থ জীবনযাপনের প্রত্যাশা, জীবনযাপনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা, উদারতা এবং দুর্নীতি নিয়ে মনোভাব।
ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা যথাক্রমে ১১৬, ১০৪ ও ১৩৪তম অবস্থানগুলো দখল করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এই তালিকায় এগিয়ে আছে নেপাল। দেশটির অবস্থান ৯৯তম।
বরাবরের মতো এবারও বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশের শীর্ষ অবস্থানে আছে ফিনল্যান্ড। গতবারের মতো এবারও সবচেয়ে অসুখী দেশ হয়েছে আফগানিস্তান।