চরচা ডেস্ক

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, আজ রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬১৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭১২টি শিশু মারা গেছে। এই সময়ে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫৭টি শিশু।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। পাশাপাশি হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৪১ জন। এই সময়ে ৮৮৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ও হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৬৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৯ হাজার ২০৭ জন। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৭১০ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮২ হাজার ৮৪৪ রোগী। যাদের মধ্যে ৭৯ হাজার ১৫২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, আজ রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬১৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭১২টি শিশু মারা গেছে। এই সময়ে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫৭টি শিশু।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। পাশাপাশি হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৪১ জন। এই সময়ে ৮৮৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ও হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৬৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৯ হাজার ২০৭ জন। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৭১০ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮২ হাজার ৮৪৪ রোগী। যাদের মধ্যে ৭৯ হাজার ১৫২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।