রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার বাতিল ও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আজ শনিবার সকাল ১০টায় গোদাগাড়ী পৌর সদরের ডাইংপাড়া মোড়ে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
‘গোদাগাড়ী নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটি’র ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা মাথায় সাদা কাফনের কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ জানান।
সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট সালাহউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, “নেসকো জনগণের সেবক না হয়ে শোষক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা সাধারণ মানুষের ওপর জোরপূর্বক প্রিপেইড মিটার চাপিয়ে দিয়েছে। আমরা অবিলম্বে এই ভুতুড়ে মিটার পদ্ধতির বিলুপ্তি চাই।”
সহ-সভাপতি অধ্যাপক মজিবুর রহমান বলেন, “শিক্ষক থেকে শুরু করে সাধারণ শ্রমিক, সবাই আজ বিদ্যুতের এই অস্বাভাবিক বিলে দিশেহারা। প্রিপেইড মিটারে তিনগুণ বাড়তি বিল আদায় করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অন্যায্য এবং সাধারণ মানুষের পকেট কাটার নামান্তর।”
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মিটারে টাকা রিচার্জ করার পরপরই কোনো কারণ ছাড়াই বড় অঙ্কের অর্থ কেটে নেওয়া হচ্ছে। ভুক্তভোগী কয়েকজন গ্রাহক জানান, প্রিপেইড মিটার চালুর পর তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে কয়েকগুণ।
আন্দোলনকারীরা সমস্যার সমাধানে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একইসঙ্গে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রিপেইড মিটার বাতিল না হলে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাওসহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সাধারণ সম্পাদক বরজাহান আলী পিন্টুর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার বাতিল ও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আজ শনিবার সকাল ১০টায় গোদাগাড়ী পৌর সদরের ডাইংপাড়া মোড়ে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
‘গোদাগাড়ী নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটি’র ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা মাথায় সাদা কাফনের কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ জানান।
সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট সালাহউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, “নেসকো জনগণের সেবক না হয়ে শোষক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা সাধারণ মানুষের ওপর জোরপূর্বক প্রিপেইড মিটার চাপিয়ে দিয়েছে। আমরা অবিলম্বে এই ভুতুড়ে মিটার পদ্ধতির বিলুপ্তি চাই।”
সহ-সভাপতি অধ্যাপক মজিবুর রহমান বলেন, “শিক্ষক থেকে শুরু করে সাধারণ শ্রমিক, সবাই আজ বিদ্যুতের এই অস্বাভাবিক বিলে দিশেহারা। প্রিপেইড মিটারে তিনগুণ বাড়তি বিল আদায় করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অন্যায্য এবং সাধারণ মানুষের পকেট কাটার নামান্তর।”
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মিটারে টাকা রিচার্জ করার পরপরই কোনো কারণ ছাড়াই বড় অঙ্কের অর্থ কেটে নেওয়া হচ্ছে। ভুক্তভোগী কয়েকজন গ্রাহক জানান, প্রিপেইড মিটার চালুর পর তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে কয়েকগুণ।
আন্দোলনকারীরা সমস্যার সমাধানে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একইসঙ্গে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রিপেইড মিটার বাতিল না হলে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাওসহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সাধারণ সম্পাদক বরজাহান আলী পিন্টুর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।