চরচা প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নৈতিক মানসম্পন্ন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে বর্তমান সরকার। এই যাত্রায় দেশের বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এটি শুধু একটি পদক নয়, বরং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলিকে স্মরণ করার একটি উদ্যোগ। এর মাধ্যমে শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা গুণীজনদের সঙ্গে আপামর জনসাধারণের পরিচয় ঘটে।’’
তারেক রহমান বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পসাহিত্য চর্চার ধারা আরও বিকশিত হওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষা, গবেষণা এবং সংস্কৃতিচর্চা জোরদারে রাষ্ট্র ও সরকারের দায়িত্ব অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষা-গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় যাতে দেশ এগিয়ে যেতে পারে, সে লক্ষ্যে নৈতিক মানসম্পন্ন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার কাজ করছে। আমাদের এ যাত্রায় দেশের বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা অবশ্যই প্রত্যাশিত।’’
জাতীয় ইতিহাসে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক। বলা যায়, আমাদের সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ একুশে ফেব্রুয়ারি। একুশে ফেব্রুয়ারি একদিকে মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, অন্যদিকে জালেমের বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। সুতরাং ফেব্রুয়ারি মানেই আত্মপরিচয় উপলব্ধির মাস; আমাদের শেকড় সন্ধানী মাস।’’
প্রতি বছরের মতো এ বছরও দেশের জ্ঞানী-গুণী কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও ভাষাসংগ্রামীদের একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘জ্ঞানী গুণীদের কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণের পরিচয় করিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।’’
এর আগে বেলা পৌনে ১১টার দিকে সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক এ সম্মাননা অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পাশাপাশি মন্ত্রিসভার সদস্য, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নৈতিক মানসম্পন্ন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে বর্তমান সরকার। এই যাত্রায় দেশের বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এটি শুধু একটি পদক নয়, বরং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলিকে স্মরণ করার একটি উদ্যোগ। এর মাধ্যমে শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা গুণীজনদের সঙ্গে আপামর জনসাধারণের পরিচয় ঘটে।’’
তারেক রহমান বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পসাহিত্য চর্চার ধারা আরও বিকশিত হওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষা, গবেষণা এবং সংস্কৃতিচর্চা জোরদারে রাষ্ট্র ও সরকারের দায়িত্ব অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষা-গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় যাতে দেশ এগিয়ে যেতে পারে, সে লক্ষ্যে নৈতিক মানসম্পন্ন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার কাজ করছে। আমাদের এ যাত্রায় দেশের বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা অবশ্যই প্রত্যাশিত।’’
জাতীয় ইতিহাসে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক। বলা যায়, আমাদের সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ একুশে ফেব্রুয়ারি। একুশে ফেব্রুয়ারি একদিকে মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, অন্যদিকে জালেমের বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। সুতরাং ফেব্রুয়ারি মানেই আত্মপরিচয় উপলব্ধির মাস; আমাদের শেকড় সন্ধানী মাস।’’
প্রতি বছরের মতো এ বছরও দেশের জ্ঞানী-গুণী কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও ভাষাসংগ্রামীদের একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘জ্ঞানী গুণীদের কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণের পরিচয় করিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।’’
এর আগে বেলা পৌনে ১১টার দিকে সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক এ সম্মাননা অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পাশাপাশি মন্ত্রিসভার সদস্য, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।