চরচা প্রতিবেদক

নাহিদ রানা ও পেসারদের দাপটে বাংলাদেশের স্পিনাররা সিরিজের শেষ ইনিংস পর্যন্ত সেভাবে স্পটলাইটটা পাচ্ছিলেন না। মেহেদি হাসান মিরাজ পাঁচ উইকেট নিয়েও রয়ে যান আড়ালেই। গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়েও তাইজুল ইসলামও ছিলেন খানিকটা অন্তরালে। তবে দেশের টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি স্পিনার জ্বলে উঠলেন মোক্ষম সময়েই। বিশাল রান তাড়ায় সবাইকে ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনিই হলেন পাকিস্তানের হন্তারক। তাইজুলের পাঁচ উইকেটে মোহাম্মদ রিজওয়ানের লড়াই সামলে জিতল বাংলাদেশই।
সিলেট টেস্টের পঞ্চম দিনের সকালে বাংলাদেশ পেয়েছে ৭৮ রানের জয়। ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে টানা চার টেস্টে হারাল নাজমুল হোসেনের দল।
সিলেট টেস্টের পঞ্চম দিনের শুরুটা অবশ্য মোটেও আশাব্যঞ্জক ছিল না বাংলাদেশের জন্য। প্রথম ওভারেই রিজওয়ান দিয়েছিলেন ক্যাচ। তবে গালিতে দাঁড়ানো মিরাজ হাত লাগালেও বল আর তালুবন্দি করতে পারেননি। এরপরও আরও কয়েকবার সুযোগ তৈরি হয়েছিল, কিন্তু ভাগ্য যেন বারবার পাকিস্তানের পাশেই ছিল।
অন্যদিকে সাজিদ খান যেভাবে ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট করছিলেন, তাতে ধীরে ধীরে চাপে পড়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। নাহিদের বলেই একবার আকাশে তুলে দিয়েছিলেন সাজিদ। ক্যাচ নিতে এগিয়ে এসেছিলেন লিটন দাস ও মাহমুদুল হাসান দুজনই, তবে শেষ পর্যন্ত কেউই বলের নাগাল পাননি।
ম্যাচ যখন ধীরে ধীরে বাংলাদেশের হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কা তৈরি করছে, ঠিক তখনই দৃশ্যপটে হাজির হন তাইজুল। গোটা সিরিজজুড়েই দারুণ বোলিং করেছেন তিনি। পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে আগেই ফিরিয়েছেন বাবর আজম ও শান মাসুদকে। এবার দারুণ এক টার্নিং ডেলিভারিতে প্রথম স্লিপে ক্যাচে ফেরান ২৮ রান করা সাজিদকে। এর মধ্য দিয়ে পূর্ণ হয় ইনিংসে তার পাঁচ উইকেটও, টেস্ট ক্যারিয়ারে যা তার ১৭তম।
রিজওয়ান তখন নব্বইয়ের ঘরে। তবে সাজিদের বিদায়ের পর ম্যাচ জেতা যেন সময়ের ব্যাপার হয়ে যায় বাংলাদেশের জন্য। শরীফুল ইসলামের বলে গালিতে ক্যাচ নেন মিরাজ। শেষ হয় রিজওয়ানের ৯৪ রানের লড়াকু ইনিংস। পরের ওভারেই খুররম শাহজাদকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেন তাইজুল।

নাহিদ রানা ও পেসারদের দাপটে বাংলাদেশের স্পিনাররা সিরিজের শেষ ইনিংস পর্যন্ত সেভাবে স্পটলাইটটা পাচ্ছিলেন না। মেহেদি হাসান মিরাজ পাঁচ উইকেট নিয়েও রয়ে যান আড়ালেই। গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়েও তাইজুল ইসলামও ছিলেন খানিকটা অন্তরালে। তবে দেশের টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি স্পিনার জ্বলে উঠলেন মোক্ষম সময়েই। বিশাল রান তাড়ায় সবাইকে ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনিই হলেন পাকিস্তানের হন্তারক। তাইজুলের পাঁচ উইকেটে মোহাম্মদ রিজওয়ানের লড়াই সামলে জিতল বাংলাদেশই।
সিলেট টেস্টের পঞ্চম দিনের সকালে বাংলাদেশ পেয়েছে ৭৮ রানের জয়। ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে টানা চার টেস্টে হারাল নাজমুল হোসেনের দল।
সিলেট টেস্টের পঞ্চম দিনের শুরুটা অবশ্য মোটেও আশাব্যঞ্জক ছিল না বাংলাদেশের জন্য। প্রথম ওভারেই রিজওয়ান দিয়েছিলেন ক্যাচ। তবে গালিতে দাঁড়ানো মিরাজ হাত লাগালেও বল আর তালুবন্দি করতে পারেননি। এরপরও আরও কয়েকবার সুযোগ তৈরি হয়েছিল, কিন্তু ভাগ্য যেন বারবার পাকিস্তানের পাশেই ছিল।
অন্যদিকে সাজিদ খান যেভাবে ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট করছিলেন, তাতে ধীরে ধীরে চাপে পড়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। নাহিদের বলেই একবার আকাশে তুলে দিয়েছিলেন সাজিদ। ক্যাচ নিতে এগিয়ে এসেছিলেন লিটন দাস ও মাহমুদুল হাসান দুজনই, তবে শেষ পর্যন্ত কেউই বলের নাগাল পাননি।
ম্যাচ যখন ধীরে ধীরে বাংলাদেশের হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কা তৈরি করছে, ঠিক তখনই দৃশ্যপটে হাজির হন তাইজুল। গোটা সিরিজজুড়েই দারুণ বোলিং করেছেন তিনি। পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে আগেই ফিরিয়েছেন বাবর আজম ও শান মাসুদকে। এবার দারুণ এক টার্নিং ডেলিভারিতে প্রথম স্লিপে ক্যাচে ফেরান ২৮ রান করা সাজিদকে। এর মধ্য দিয়ে পূর্ণ হয় ইনিংসে তার পাঁচ উইকেটও, টেস্ট ক্যারিয়ারে যা তার ১৭তম।
রিজওয়ান তখন নব্বইয়ের ঘরে। তবে সাজিদের বিদায়ের পর ম্যাচ জেতা যেন সময়ের ব্যাপার হয়ে যায় বাংলাদেশের জন্য। শরীফুল ইসলামের বলে গালিতে ক্যাচ নেন মিরাজ। শেষ হয় রিজওয়ানের ৯৪ রানের লড়াকু ইনিংস। পরের ওভারেই খুররম শাহজাদকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেন তাইজুল।