চরচা প্রতিবেদক

এশিয়ান কাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আগামী শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। প্রথম ম্যাচে চীনের কাছে হারলেও সেই ম্যাচে দলের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক দিক দেখেছেন কোচ পিটার বাটলার। তবে অতীত ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার দিকেই মনোযোগ দিতে চান তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার সিডনিতে সংবাদ সম্মেলনে বাটলার বলেন, চীনের বিপক্ষে ম্যাচে দল অনেক কিছু শিখেছে। ঋতুপর্না চাকমা, মনিকা চাকমা, আফঈদা খন্দকার ও মিলি আক্তারের পারফরম্যান্স দর্শকদের মন জয় করেছে। কিন্তু সেই প্রশংসায় ভেসে যেতে রাজি নন তিনি।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বরে থাকা উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচকে সামনে রেখে বাটলার জানান, প্রতিপক্ষকে মোকাবিলার জন্য তার নির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, “তাদের কীভাবে থামানো যায়? শোনেন, আই হ্যাভ অ্য প্ল্যান। আমি মনে করি সেটি বেশ কার্যকর হবে। আমরা শুধু প্রতিপক্ষের আক্রমণ দেখে যাব না। আমরা গোল খেতে পারি, সেটা হতেই পারে। কিন্তু আমি চাই আমার দল মাঠে সক্রিয় থাকুক। অতিরক্ষণাত্মক না হোক।”
তিনি ইঙ্গিত দেন যে আগামী ম্যাচে একাদশে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। উত্তর কোরিয়ার আক্রমণভাগের কৌশল বিশ্লেষণ করেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানান এই ইংলিশ কোচ।
চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের লড়াকু পারফরম্যান্স ইতোমধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে। তবে বাটলার বলেন, এখনই বড় স্বপ্নে ভেসে যাওয়ার সময় নয়। “আমি এখনই অনেক কিছু ভাবতে চাই না। আমি চাই মেয়েরা উন্নতি করুক, প্রতিটি ম্যাচেই করুক। এশিয়ান কাপ তাদের শেখার জায়গা। আমি চাই মেয়েরা মাঠে গিয়ে নিজেদের সেরাটা দিক, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে খেলুক।”
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরনের একটি মন্তব্য নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন বাটলার।
কিরন এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “চীনের দলটা অনেক বেশি বয়স্ক। তারা মাঝে মধ্যে দাঁড়িয়ে গেছে। তারা ফর্মে নেই। বাংলাদেশের আসল পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার ম্যাচ।”
এ প্রসঙ্গে বাটলার বলেন, “বাফুফের একজন সদস্য হিসেবে চীন দল নিয়ে তার মন্তব্যটা ঠিক হয়নি। তিনি চীন দলের প্রতি রীতিমতো অসম্মানই প্রদর্শন করেছেন। চীন অনেক শক্তিশালী দল। তাদের খেলোয়াড়েরা নাসরিন স্পোর্টিং ক্লাবে খেলে না। তাদের খেলোয়াড়েরা পিএসজির হয়ে খেলে। তারা ফ্রান্সে এবং চাইনিজ সুপার লিগে খেলে। তাঁর মন্তব্যটি রীতিমতো দায়িত্বজ্ঞানজীন।”

এশিয়ান কাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আগামী শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। প্রথম ম্যাচে চীনের কাছে হারলেও সেই ম্যাচে দলের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক দিক দেখেছেন কোচ পিটার বাটলার। তবে অতীত ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার দিকেই মনোযোগ দিতে চান তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার সিডনিতে সংবাদ সম্মেলনে বাটলার বলেন, চীনের বিপক্ষে ম্যাচে দল অনেক কিছু শিখেছে। ঋতুপর্না চাকমা, মনিকা চাকমা, আফঈদা খন্দকার ও মিলি আক্তারের পারফরম্যান্স দর্শকদের মন জয় করেছে। কিন্তু সেই প্রশংসায় ভেসে যেতে রাজি নন তিনি।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বরে থাকা উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচকে সামনে রেখে বাটলার জানান, প্রতিপক্ষকে মোকাবিলার জন্য তার নির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, “তাদের কীভাবে থামানো যায়? শোনেন, আই হ্যাভ অ্য প্ল্যান। আমি মনে করি সেটি বেশ কার্যকর হবে। আমরা শুধু প্রতিপক্ষের আক্রমণ দেখে যাব না। আমরা গোল খেতে পারি, সেটা হতেই পারে। কিন্তু আমি চাই আমার দল মাঠে সক্রিয় থাকুক। অতিরক্ষণাত্মক না হোক।”
তিনি ইঙ্গিত দেন যে আগামী ম্যাচে একাদশে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। উত্তর কোরিয়ার আক্রমণভাগের কৌশল বিশ্লেষণ করেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানান এই ইংলিশ কোচ।
চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের লড়াকু পারফরম্যান্স ইতোমধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে। তবে বাটলার বলেন, এখনই বড় স্বপ্নে ভেসে যাওয়ার সময় নয়। “আমি এখনই অনেক কিছু ভাবতে চাই না। আমি চাই মেয়েরা উন্নতি করুক, প্রতিটি ম্যাচেই করুক। এশিয়ান কাপ তাদের শেখার জায়গা। আমি চাই মেয়েরা মাঠে গিয়ে নিজেদের সেরাটা দিক, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে খেলুক।”
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরনের একটি মন্তব্য নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন বাটলার।
কিরন এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “চীনের দলটা অনেক বেশি বয়স্ক। তারা মাঝে মধ্যে দাঁড়িয়ে গেছে। তারা ফর্মে নেই। বাংলাদেশের আসল পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার ম্যাচ।”
এ প্রসঙ্গে বাটলার বলেন, “বাফুফের একজন সদস্য হিসেবে চীন দল নিয়ে তার মন্তব্যটা ঠিক হয়নি। তিনি চীন দলের প্রতি রীতিমতো অসম্মানই প্রদর্শন করেছেন। চীন অনেক শক্তিশালী দল। তাদের খেলোয়াড়েরা নাসরিন স্পোর্টিং ক্লাবে খেলে না। তাদের খেলোয়াড়েরা পিএসজির হয়ে খেলে। তারা ফ্রান্সে এবং চাইনিজ সুপার লিগে খেলে। তাঁর মন্তব্যটি রীতিমতো দায়িত্বজ্ঞানজীন।”