চরচা ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল ঘোষণার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা, প্রাণহানি এবং হামলার ঘটনায় উদ্বেগ ওনিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। আজ সোমবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি অবিলম্বে এই সহিংসতা বন্ধে রাষ্ট্র ও সকল রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
এমএসএফ-এর বিবৃতিতে জানানো হয়, নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক ও পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা, সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মুন্সিগঞ্জ ও বাগেরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক হওয়ায় দু'জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে দু'জন এবং ভোলায় একজন আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। লক্ষ্মীপুরে এক নিখোঁজ রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়,ময়মনসিংহে বাবার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে এক শিশুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জে পুলিশের গুলিতে এক দিনমজুর গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভোলা, নাটোর, কুষ্টিয়া, গাজীপুরসহ দেশের প্রায় ২৬টিরও বেশি জেলায় সংঘটিত হামলায় সাড়ে তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। অনেক স্থানে রাজনৈতিক কার্যালয় ও সাধারণ মানুষের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে। নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সহিংসতাকে উসকে দিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে। অতীতেও এ ধরনের পরিস্থিতিতে নারী, সংখ্যালঘু এবং সামাজিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষরা বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে এমএসএফ উল্লেখ করে।
অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে এমএসএফ দাবি জানিয়েছে, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে সহিংসতা বন্ধ করা হয়। পাশাপাশি দোষীদের জবাবদিহির আওতায় এনে ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পেশাদার ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনে বাধ্য করা হয়।
একইসঙ্গে রাজনৈতিক দল, সচেতন নাগরিক সমাজ এবং মানবাধিকার কমিশনকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই সহিংসতা রোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে এমএসএফ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল ঘোষণার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা, প্রাণহানি এবং হামলার ঘটনায় উদ্বেগ ওনিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। আজ সোমবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি অবিলম্বে এই সহিংসতা বন্ধে রাষ্ট্র ও সকল রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
এমএসএফ-এর বিবৃতিতে জানানো হয়, নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক ও পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা, সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মুন্সিগঞ্জ ও বাগেরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক হওয়ায় দু'জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে দু'জন এবং ভোলায় একজন আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। লক্ষ্মীপুরে এক নিখোঁজ রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়,ময়মনসিংহে বাবার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে এক শিশুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জে পুলিশের গুলিতে এক দিনমজুর গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভোলা, নাটোর, কুষ্টিয়া, গাজীপুরসহ দেশের প্রায় ২৬টিরও বেশি জেলায় সংঘটিত হামলায় সাড়ে তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। অনেক স্থানে রাজনৈতিক কার্যালয় ও সাধারণ মানুষের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে। নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সহিংসতাকে উসকে দিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে। অতীতেও এ ধরনের পরিস্থিতিতে নারী, সংখ্যালঘু এবং সামাজিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষরা বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে এমএসএফ উল্লেখ করে।
অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে এমএসএফ দাবি জানিয়েছে, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে সহিংসতা বন্ধ করা হয়। পাশাপাশি দোষীদের জবাবদিহির আওতায় এনে ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পেশাদার ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনে বাধ্য করা হয়।
একইসঙ্গে রাজনৈতিক দল, সচেতন নাগরিক সমাজ এবং মানবাধিকার কমিশনকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই সহিংসতা রোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে এমএসএফ।