চরচা ডেস্ক

দাঁতের পরিচ্ছন্নতা অবহেলা করলে শুধু দাঁতে ক্ষয় বা ক্যাভিটি নয়, এর চেয়েও গুরুতর স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাম্প্রতিক গবেষণা ও বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ বলছে, সুস্থ হৃদযন্ত্রের জন্যও নিয়মিত দাঁতের যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
রাতে দাঁত ব্রাশ না করে ঘুমিয়ে পড়া অনেকের কাছেই খুব সাধারণ একটি অভ্যাস। ব্যস্ততা, ক্লান্তি কিংবা আলসেমির কারণে প্রায়ই এই অভ্যাস এড়িয়ে যান অনেকে। কেউ কেউ আবার মনে করেন যে সকালে যদি দাঁত ব্রাশ করা হয় তাহলে সেটাই যথেষ্ট। আর একদিন রাতে ব্রাশ না করলেও তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। তবে চিকিৎসকদের মতে, বিষয়টি যতটা সাধারণ মনে হয়, এর প্রভাব ততটা সামান্য নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডের অ্যানেস্থেসিয়োলজিস্ট ও ইন্টারভেনশনাল পেইন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ কুনাল সুদ দাঁতের পরিচ্ছন্নতা অবহেলার প্রায়ই উপেক্ষিত পরিণতিগুলো তুলে ধরেছেন। গতকাল শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তিনি এ সম্পর্কিত একটি ভিডিও পোস্ট করেন।
ওই ভিডিওর বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান টাইমস বলেছে, মাঝেমধ্যে দাঁতে ক্যাভিটি হওয়া ছাড়া দাঁতের অযত্নের প্রভাব হয়তো সঙ্গে সঙ্গে চোখে পড়ে না। কিন্তু মুখ ও দাঁতের পরিচ্ছন্নতার অবহেলার ক্ষতিকর প্রভাব সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে জমতে থাকে, এমনকি একসময় বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই ঘুমানোর আগে মাত্র দুই মিনিট সময় নিয়ে দাঁত ব্রাশ করার অভ্যাসটি যতটা সাধারণ মনে হয়, বাস্তবে তার গুরুত্ব তার চেয়েও অনেক বেশি।
ডা. কুনাল বলেন, মুখ ও দাঁতের যত্নে অবহেলা করলে তা শুধু দাঁত ও মাড়ির ক্ষতিই করে না, দীর্ঘমেয়াদে হৃদস্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এই বিশেষজ্ঞ জানান, ক্রমবর্ধমান বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, মুখ ও দাঁতের অপর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে হৃদরোগ এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা হ্রাসের (হার্ট ফেইলিউর) ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক রয়েছে।
ডা. কুনাল বলেন, “আপনি যদি রাতে দাঁত ব্রাশ না করেন, তাহলে শুধু দাঁতে ক্যাভিটির ঝুঁকিই বাড়াচ্ছেন না। গবেষণায় দেখা গেছে, মুখ ও দাঁতের পরিচ্ছন্নতা ঠিকভাবে না করলে হৃদরোগ এবং হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকিও বেড়ে যেতে পারে।”
হৃদরোগের ঝুঁকি কীভাবে বাড়ে?
চিকিৎসকদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, মুখে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া কখনো কখনো রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করতে পারে। এর ফলে শরীরে ইনফ্ল্যামেশন প্রদাহ বা সৃষ্টি হয়, যা দীর্ঘ সময় ধরে হৃদযন্ত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে ডা. কুনাল বলেন, এখনো এমন কোনো চূড়ান্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে দাঁতের অপর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতা সরাসরি হৃদরোগের কারণ। তবে এ দুটির মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্কের প্রমাণ মিলেছে। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, যারা নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করেন এবং মুখ ও দাঁতের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখেন, তাদের হৃদস্বাস্থ্য তুলনামূলকভাবে ভালো থাকে।
মুখ ও দাঁতের পরিচ্ছন্নতায় সচেতনতা
ডা. কুনাল সুদের পরামর্শ, প্রতিদিন অন্তত তিনবার দাঁত ব্রাশ করা এবং নিয়মিত ডেন্টাল ক্লিনিং করানো উচিত। তার মতে, এসব অভ্যাস হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত।

এই বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, মাড়ির রোগ, দাঁত পড়ে যাওয়া কিংবা মুখ ও দাঁতের পরিচ্ছন্নতার অভাবকে কখনোই সাধারণ সমস্যা হিসেবে দেখা উচিত নয়। কারণ এসব লক্ষণ শুধু মুখগহ্বরের নয়, শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্যেরও ইঙ্গিত বহন করতে পারে।
এই চিকিৎসক বলেন, “গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন অন্তত তিনবার দাঁত ব্রাশ করা এবং নিয়মিত ডেন্টাল ক্লিনিং করানো হৃদরোগের ঝুঁকি কমার সঙ্গে সম্পর্কিত। পাশাপাশি মাড়ির রোগ, দাঁত হারানো এবং মুখ ও দাঁতের অপর্যাপ্ত পরিচর্যার সঙ্গে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্কও পাওয়া গেছে। তাই মুখ ও দাঁতের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হৃদস্বাস্থ্য রক্ষার অন্যতম সহজ উপায় হতে পারে।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র দুই মিনিট সময় নিয়ে দাঁত ব্রাশ করার অভ্যাস ভবিষ্যতে শুধু দাঁত ও মাড়িকেই নয়, সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং হৃদযন্ত্রকেও সুরক্ষিত রাখতে সহায়ক হতে পারে। তাই দৈনন্দিন জীবনের এই ছোট অভ্যাসটিকে অবহেলা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

দাঁতের পরিচ্ছন্নতা অবহেলা করলে শুধু দাঁতে ক্ষয় বা ক্যাভিটি নয়, এর চেয়েও গুরুতর স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাম্প্রতিক গবেষণা ও বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ বলছে, সুস্থ হৃদযন্ত্রের জন্যও নিয়মিত দাঁতের যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
রাতে দাঁত ব্রাশ না করে ঘুমিয়ে পড়া অনেকের কাছেই খুব সাধারণ একটি অভ্যাস। ব্যস্ততা, ক্লান্তি কিংবা আলসেমির কারণে প্রায়ই এই অভ্যাস এড়িয়ে যান অনেকে। কেউ কেউ আবার মনে করেন যে সকালে যদি দাঁত ব্রাশ করা হয় তাহলে সেটাই যথেষ্ট। আর একদিন রাতে ব্রাশ না করলেও তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। তবে চিকিৎসকদের মতে, বিষয়টি যতটা সাধারণ মনে হয়, এর প্রভাব ততটা সামান্য নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডের অ্যানেস্থেসিয়োলজিস্ট ও ইন্টারভেনশনাল পেইন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ কুনাল সুদ দাঁতের পরিচ্ছন্নতা অবহেলার প্রায়ই উপেক্ষিত পরিণতিগুলো তুলে ধরেছেন। গতকাল শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তিনি এ সম্পর্কিত একটি ভিডিও পোস্ট করেন।
ওই ভিডিওর বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান টাইমস বলেছে, মাঝেমধ্যে দাঁতে ক্যাভিটি হওয়া ছাড়া দাঁতের অযত্নের প্রভাব হয়তো সঙ্গে সঙ্গে চোখে পড়ে না। কিন্তু মুখ ও দাঁতের পরিচ্ছন্নতার অবহেলার ক্ষতিকর প্রভাব সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে জমতে থাকে, এমনকি একসময় বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই ঘুমানোর আগে মাত্র দুই মিনিট সময় নিয়ে দাঁত ব্রাশ করার অভ্যাসটি যতটা সাধারণ মনে হয়, বাস্তবে তার গুরুত্ব তার চেয়েও অনেক বেশি।
ডা. কুনাল বলেন, মুখ ও দাঁতের যত্নে অবহেলা করলে তা শুধু দাঁত ও মাড়ির ক্ষতিই করে না, দীর্ঘমেয়াদে হৃদস্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এই বিশেষজ্ঞ জানান, ক্রমবর্ধমান বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, মুখ ও দাঁতের অপর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে হৃদরোগ এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা হ্রাসের (হার্ট ফেইলিউর) ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক রয়েছে।
ডা. কুনাল বলেন, “আপনি যদি রাতে দাঁত ব্রাশ না করেন, তাহলে শুধু দাঁতে ক্যাভিটির ঝুঁকিই বাড়াচ্ছেন না। গবেষণায় দেখা গেছে, মুখ ও দাঁতের পরিচ্ছন্নতা ঠিকভাবে না করলে হৃদরোগ এবং হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকিও বেড়ে যেতে পারে।”
হৃদরোগের ঝুঁকি কীভাবে বাড়ে?
চিকিৎসকদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, মুখে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া কখনো কখনো রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করতে পারে। এর ফলে শরীরে ইনফ্ল্যামেশন প্রদাহ বা সৃষ্টি হয়, যা দীর্ঘ সময় ধরে হৃদযন্ত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে ডা. কুনাল বলেন, এখনো এমন কোনো চূড়ান্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে দাঁতের অপর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতা সরাসরি হৃদরোগের কারণ। তবে এ দুটির মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্কের প্রমাণ মিলেছে। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, যারা নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করেন এবং মুখ ও দাঁতের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখেন, তাদের হৃদস্বাস্থ্য তুলনামূলকভাবে ভালো থাকে।
মুখ ও দাঁতের পরিচ্ছন্নতায় সচেতনতা
ডা. কুনাল সুদের পরামর্শ, প্রতিদিন অন্তত তিনবার দাঁত ব্রাশ করা এবং নিয়মিত ডেন্টাল ক্লিনিং করানো উচিত। তার মতে, এসব অভ্যাস হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত।

এই বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, মাড়ির রোগ, দাঁত পড়ে যাওয়া কিংবা মুখ ও দাঁতের পরিচ্ছন্নতার অভাবকে কখনোই সাধারণ সমস্যা হিসেবে দেখা উচিত নয়। কারণ এসব লক্ষণ শুধু মুখগহ্বরের নয়, শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্যেরও ইঙ্গিত বহন করতে পারে।
এই চিকিৎসক বলেন, “গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন অন্তত তিনবার দাঁত ব্রাশ করা এবং নিয়মিত ডেন্টাল ক্লিনিং করানো হৃদরোগের ঝুঁকি কমার সঙ্গে সম্পর্কিত। পাশাপাশি মাড়ির রোগ, দাঁত হারানো এবং মুখ ও দাঁতের অপর্যাপ্ত পরিচর্যার সঙ্গে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্কও পাওয়া গেছে। তাই মুখ ও দাঁতের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হৃদস্বাস্থ্য রক্ষার অন্যতম সহজ উপায় হতে পারে।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র দুই মিনিট সময় নিয়ে দাঁত ব্রাশ করার অভ্যাস ভবিষ্যতে শুধু দাঁত ও মাড়িকেই নয়, সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং হৃদযন্ত্রকেও সুরক্ষিত রাখতে সহায়ক হতে পারে। তাই দৈনন্দিন জীবনের এই ছোট অভ্যাসটিকে অবহেলা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।