রাজশাহী প্রতিনিধি

ভেজাল ও কেমিক্যালমুক্ত আম বাজারজাতকরণ রোধে ‘ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার’ প্রকাশ করেছে জেলা প্রশাসন। আগামী ১৫ মে থেকে পর্যায়ক্রমে বাজারের নামতে শুরু করবে বিভিন্ন জাতের আম।
আজ রোববার রাজশাহী জেলা প্রশাসনের আম পরিবহন বাজারজাতকরণ ও সংগ্রহ বিষয়ক মত বিনিময় সভায় এই তথ্য জানান জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।
জেলা প্রশাসক জানান, সকল প্রকার গুটি আম বাজারজাত করা যাবে আগামী ১৫ মে। গোপালভোগ ২২ মে, রাণী পছন্দ ২৫ মে, লক্ষণভোগ ২৫ মে, হিমসাগর বা খিরসাপাতি ৩০ মে, ব্যানানা ম্যাংগো বা ল্যাংড়া ১০ জুন, আম্রপালি ১৫ই জুন, ফজলি ১৫ই জুন, বারি আম-৪ ৫ জুলাই, আশিনা ১০ জুলাই, গৌরমতি ১৫ জুলাই বাজারজাত করা যাবে। এছাড়া কাটিমন ও বাড়িয়াম ১১ সারা বছর সুবিধামতো সময়ে বিক্রি করা যাবে।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যমতে, এবার ১৯ হাজার ৬২ হেক্টর জমিতে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৯৩ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। ৩২ টাকা কেজি ধরে যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ৭৮০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
জেলা প্রশাসক আরও জানান, রাজশাহীর আমের সুখ্যাতি দেশের পাশাপাশি বিদেশেও রয়েছে। এমন অবস্থায় কোনো অসাধু ব্যবসায়ী যেন এই আমের সুনাম নষ্ট করতে না পারে–এ কারণে প্রতিবছর ‘ম্যাংগো ক্যালেন্ডার’ প্রকাশ করা হচ্ছে।

ভেজাল ও কেমিক্যালমুক্ত আম বাজারজাতকরণ রোধে ‘ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার’ প্রকাশ করেছে জেলা প্রশাসন। আগামী ১৫ মে থেকে পর্যায়ক্রমে বাজারের নামতে শুরু করবে বিভিন্ন জাতের আম।
আজ রোববার রাজশাহী জেলা প্রশাসনের আম পরিবহন বাজারজাতকরণ ও সংগ্রহ বিষয়ক মত বিনিময় সভায় এই তথ্য জানান জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।
জেলা প্রশাসক জানান, সকল প্রকার গুটি আম বাজারজাত করা যাবে আগামী ১৫ মে। গোপালভোগ ২২ মে, রাণী পছন্দ ২৫ মে, লক্ষণভোগ ২৫ মে, হিমসাগর বা খিরসাপাতি ৩০ মে, ব্যানানা ম্যাংগো বা ল্যাংড়া ১০ জুন, আম্রপালি ১৫ই জুন, ফজলি ১৫ই জুন, বারি আম-৪ ৫ জুলাই, আশিনা ১০ জুলাই, গৌরমতি ১৫ জুলাই বাজারজাত করা যাবে। এছাড়া কাটিমন ও বাড়িয়াম ১১ সারা বছর সুবিধামতো সময়ে বিক্রি করা যাবে।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যমতে, এবার ১৯ হাজার ৬২ হেক্টর জমিতে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৯৩ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। ৩২ টাকা কেজি ধরে যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ৭৮০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
জেলা প্রশাসক আরও জানান, রাজশাহীর আমের সুখ্যাতি দেশের পাশাপাশি বিদেশেও রয়েছে। এমন অবস্থায় কোনো অসাধু ব্যবসায়ী যেন এই আমের সুনাম নষ্ট করতে না পারে–এ কারণে প্রতিবছর ‘ম্যাংগো ক্যালেন্ডার’ প্রকাশ করা হচ্ছে।