Advertisement Banner

খারগ দখল: পারস্য উপসাগরে আমেরিকার পরাজয়ের রাস্তা

খারগ দখল: পারস্য উপসাগরে আমেরিকার পরাজয়ের রাস্তা
পারস্য উপসাগরে অবস্থিত খারগ দ্বীপ। ছবি: রয়টার্স

চার সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং এর ঝুঁকি ওয়াশিংটনের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি বেড়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল-এ হুমকি দেন যে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যদি হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু না করা হয়, তবে তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘আঘাত করে ধ্বংস করে দেবেন’।

সময়সীমা পার হয়ে যায়। তবে পিছিয়ে যান এবং দ্বিতীয়বারের মতো নিজের আল্টিমেটাম স্থগিত করেন। আর এটিকে ‘গঠনমূলক আলোচনা’ হিসেবে উপস্থাপন করেন। তেহরান কোনো আলোচনার কথা অস্বীকার করে এবং দাবি করে এই পিছু হটার কারণ ছিল ‘ইরানের প্রতিক্রিয়ার ভয়’।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান অভিযান ইরানকে ধ্বংস করে ফেলার কথা ছিল। তা হয়নি। এখন কট্টরপন্থীরা স্থলযুদ্ধের জন্য চাপ দিচ্ছে। কিন্তু যে স্থলযুদ্ধের কথা বলা হচ্ছে, তা শুধু ইরানের উপকূল থেকে ১৫ মাইল (প্রায় ২৪ কিলোমিটার) দূরের একটি দ্বীপে মার্কিন সেনাদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলছে না। এটি পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের পুরো সামরিক কাঠামো–ঘাঁটি, জোট এবং জ্বালানি অবকাঠামো–যা দশকের পর দশক পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার আধিপত্য নিশ্চিত করেছে–সবকিছুকে হুমকির মুখে ফেলছে।

মার্কিন টিভি এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল আক্রমণ সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আব্বাস আরাগাচি চারটি শব্দ বলেন, “আমরা তাদের জন্য অপেক্ষা করছি,” যা পরে একটি মিমে পরিণত হয়। এর কোনো জবাব পেন্টাগনের কাছে ছিল না। ব্লাফ ধরা পড়ে গেছে। এখন প্রশ্ন হলো, ওয়াশিংটনের এই অবস্থান প্রকাশ পেলে পুরো খেলা ভেঙে পড়বে কি না।

ফাঁকা হাতে ঝুঁকি বাড়ানো

স্থল আক্রমণের আলোচনা আর কল্পনাপ্রসূত নয়। পেন্টাগনের কর্মকর্তারা স্থলবাহিনী মোতায়েনের জন্য বিস্তারিত প্রস্তুতির প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। তিনটি মেরিন উভচর আক্রমণ দল পারস্য উপসাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে: ইউএসএস ত্রিপোলি, যা জাপান থেকে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট বহন করছে; ইউএসএস বক্সার, যা ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ১১তম ইউনিট নিয়ে আসছে; এবং ফোর্ট ব্র্যাগ থেকে ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্রায় দেড় হাজার প্যারাট্রুপার আসছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

সব ইউনিট পৌঁছানোর পর ৬-৮ হাজার মার্কিন স্থল সেনা ইরানের হামলার সীমার মধ্যে থাকবে। কিন্তু এই বাহিনীর গঠনই বাস্তবতা ও বক্তব্যের ফারাক তুলে ধরে। সামরিক বিশ্লেষক রুবেন স্টুয়ার্ট উল্লেখ করেন, যা মোতায়েন করা হচ্ছে তা ‘সীমিত সময়ের জন্য নির্দিষ্ট অভিযান চালানোর মতো, দীর্ঘস্থায়ী স্থলযুদ্ধের জন্য নয়’।

একই সময়ে, ইসরায়েলের নিজস্ব সেনাবাহিনীতেও চাপের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সেনাপ্রধান ইয়াল জামির ২৫ মার্চ সতর্ক করেন যে, সেনাবাহিনী ‘নিজের ভেতরেই ভেঙে পড়ার পথে’। কারণ গাজা থেকে লেবানন হয়ে ইরান পর্যন্ত যুদ্ধ বিস্তৃত হওয়ায় রিজার্ভ বাহিনী দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং জনবল সংকট বাড়ছে।

ওয়াশিংটন আরও বেশি ঝুঁকি নিচ্ছে–কিন্তু এর পেছনের শক্তি দুর্বলই রয়ে গেছে। বর্তমানে যে সম্ভাব্য পরিস্থিতিগুলো আলোচিত হচ্ছে, তা এক ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধির সিঁড়ি তৈরি করছে, যেখানে প্রতিটি ধাপ যুক্তরাষ্ট্রকে এমন এক যুদ্ধের আরও গভীরে টেনে নিচ্ছে, যা চালিয়ে যাওয়ার জন্য তারা কাঠামোগতভাবে প্রস্তুত নয়।

পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন এবং দীর্ঘায়িত অভিযান

সবচেয়ে রাজনৈতিকভাবে আকর্ষণীয় বিকল্প হলো গোপন অভিযান চালিয়ে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ দখল করা–যা প্রায় ৪০০ কেজি এবং প্রায় ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ বলে ধারণা করা হয়, সম্ভবত ইসফাহানের কাছে বা পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের গভীরে সংরক্ষিত।

কিন্তু সমস্যা হলো, বহু দিন আগে সান জু বলেছিলেন, যুদ্ধের মূল হলো গতি। কিন্তু এই মিশনে তার বিপরীত প্রয়োজন। পারমাণবিক উপাদান সরিয়ে নিতে হলে সেনাদের দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে হবে, যাতে ইরান প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।

সাবেক সেন্টকম কমান্ডার জেনারেল জোসেফ ভোটেল এমন অভিযানে ‘সম্ভব’ বলে উল্লেখ করলেও সতর্ক করে বলেন, “আপনাকে তাদের রক্ষা করতে হবে, সরবরাহ দিতে হবে, আহতদের সরিয়ে নিতে হবে। আর এর জন্য একটি বড় লজিস্টিক ব্যবস্থার প্রয়োজন, যা নিজেও সুরক্ষার দাবি রাখে।”

ওয়াশিংটন এখনো ১৯৮০ সালের ব্যর্থ অপারেশন ঈগল ক্ল্য-এর ক্ষত বহন করছে, যা ইরানের মরুভূমিতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের পতনে ভূমিকা রেখেছিল।

খারগ দ্বীপ: শর্টকাটের ছদ্মবেশে ফাঁদ

গোপন অভিযান যদি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়, তাহলে পরবর্তী বিকল্প হলো সীমিত ভূখণ্ড দখল এবং ওয়াশিংটনের কট্টরপন্থীরা একটি লক্ষ্যেই একমত হয়েছে: খারগ দ্বীপ। পারস্য উপসাগরের উত্তরে অবস্থিত প্রায় ৮ বর্গমাইল (২০.৭ বর্গকিলোমিটার) আয়তনের এই প্রবাল দ্বীপ ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি প্রক্রিয়াজাত করে। মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ‘খারগ দ্বীপ দখল করতে’ আহ্বান জানিয়েছেন, আর অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল কিথ কেলগ এটিকে সমর্থন করেছেন।

তাদের যুক্তি সহজ: ইরানের অর্থনৈতিক প্রাণরস বন্ধ করে তাকে আলোচনায় বাধ্য করা। কিন্তু বাস্তবে এটি ভেঙে পড়ে। খারগ দ্বীপ ইরানের মূল ভূখণ্ড থেকে মাত্র ১৫ মাইল দূরে—যা উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, রকেট এবং আর্টিলারির আওতায়। সেখানে অবস্থান করা যেকোনো মার্কিন বাহিনী ‘প্রায় নিরবচ্ছিন্ন হামলার’ মুখে পড়বে।

অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল মার্ক মন্টগোমারি সরাসরি বলেন, “আমরা যদি খারগ দ্বীপ দখল করি, তারা অন্য প্রান্ত থেকে তেলের প্রবাহ বন্ধ করে দেবে। আমরা তাদের তেল উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করি না।”

ইরানের প্রস্তুত যুদ্ধ

ওয়াশিংটনের কট্টরপন্থীরা যা উপেক্ষা করছে তা হলো–ইরান দশকের পর দশক ধরে ঠিক এই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। মার্কিন শক্তির সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতা নয়, বরং যুদ্ধকে এত ব্যয়বহুল করে তোলা যাতে তা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।

অস্ত্র হাতে মহড়ায় আইআরজিসির সদস্যরা। ছবি: রয়টার্স
অস্ত্র হাতে মহড়ায় আইআরজিসির সদস্যরা। ছবি: রয়টার্স

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর ৩১টি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্থল ডিভিশনে বিভক্ত, যা কেন্দ্রীয় কমান্ড ভেঙে পড়লেও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। শীর্ষ নেতাদের হত্যা সত্ত্বেও সামরিক কাঠামো কাজ চালিয়ে যাচ্ছে– ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া।

সমুদ্রপথে, ইরানের কৌশল অসম যুদ্ধের ওপর নির্ভরশীল। শত শত দ্রুতগতির নৌকা, হাজার হাজার মাইন, ড্রোন এবং ছোট সাবমেরিন তার আছে। পারস্য উপসাগর একটি উন্মুক্ত সমুদ্র নয়– এটি একটি সংকীর্ণ করিডোর, যা ভূগোল ও কৌশল দ্বারা সুরক্ষিত। আর স্থলভাগে, ইরানের আকার ও জনসংখ্যা বিশাল– ৯ কোটির বেশি মানুষের বাস। তাই একটি পূর্ণাঙ্গ আক্রমণের জন্য ‘লাখ লাখ সৈন্য’ প্রয়োজন হতে পারে।

খারগ জিতলেও উপসাগর হারানো

ধরে নেওয়া যাক ওয়াশিংটন খারগ দ্বীপ দখলে সফল হলো। তবুও কৌশলগত পরিণতি তাৎক্ষণিক হবে। ইরান ইতিমধ্যেই দেখিয়েছে যে তারা উত্তেজনা বাড়াতে সক্ষম। বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান ও সৌদি আরবে মার্কিন সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে হামলা হয়েছে।

খারগ দখল হলে আরও বড় প্রতিক্রিয়া আসবে। ইরানি কর্মকর্তারা স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছেন– ইরানের ভূখণ্ড দখল হলে আঞ্চলিক অবকাঠামোর ওপর ‘অবিরাম হামলা’ চালানো হবে। তেহরান ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা ইয়েমেনের মিত্র শক্তির মাধ্যমে বাব আল-মান্দাব প্রণালীতে সংঘাত বিস্তৃত করতে পারে– যা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক বাণিজ্য পথ।

উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি ঘাঁটি সরবরাহ লাইনের ওপর নির্ভরশীল– যেগুলো ইতিমধ্যেই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

স্টিমসন সেন্টারের মতে, উপসাগরীয় দেশগুলো ইতিমধ্যেই আশঙ্কা করছে– ট্রাম্প হয়তো বিজয় ঘোষণা করে চলে যাবেন, আর তাদের একা ইরানের মুখোমুখি হতে হবে।

ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতা

যদি ইরানের কৌশল সামরিক ফাঁদ তৈরি করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের জনমত হতে পারে রাজনৈতিক ফাঁদ। জরিপগুলো দেখাচ্ছে, স্থলযুদ্ধের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিরোধিতা রয়েছে। কিউনিপিয়াকের এক জরিপে দেখা গেছে, ৭৪ শতাংশ ভোটার সেনা মোতায়েনের বিরুদ্ধে। আর সিএনএন-এর তথ্য অনুযায়ী উত্তেজনা বৃদ্ধির পক্ষে সমর্থন খুবই কম।

আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, ওয়াশিংটনের ভেতর থেকেই মতভেদ দেখা দিচ্ছে। রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন জনসাধারণের কাছে দেওয়া বক্তব্য এবং গোপন ব্রিফিংয়ের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে। প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ন্যান্সি মাস সতর্ক করে বলেন, জনগণের সামনে উপস্থাপিত যুক্তি এবং বন্ধ দরজার পেছনে দেওয়া তথ্য এক নয়।

এদিকে, পেন্টাগন প্রতিদিন এক বিলিয়ন ডলার হারে মোট ২০০ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত অর্থায়ন চাইছে। যখন অর্থের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইনপ্রণেতারাই যুদ্ধের যুক্তিকে ‘গভীরভাবে উদ্বেগজনক’ বলে আখ্যা দেন, তখন বোঝা যায় রাজনৈতিক সমর্থন দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এমনকি ইরানের মাটিতে একটি মৃতদেহও ফেরত আসার আগেই। অর্থায়ন ইতিমধ্যেই একটি বড় বিভাজনরেখায় পরিণত হচ্ছে, যেখানে সম্ভাব্য ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে উঁচুতে পৌঁছাচ্ছে।

শেষ তাস

উত্তেজনা বৃদ্ধির এই সিঁড়ির নিজস্ব গতি আছে। প্রতিটি ব্যর্থ চাপ প্রয়োগ, প্রতিটি অকার্যকর হামলা, প্রতিটি প্রত্যাহার করা আল্টিমেটাম– আরও ওপরে ওঠার চাপ বাড়িয়ে দেয়। খারগ দ্বীপ আর কেবল তাত্ত্বিক বিষয় নয়। মেরিনরা ইতিমধ্যে সাগরে অবস্থান করছে। ৮২তম এয়ারবোর্ন বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়ে তাদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। এখন প্রশ্ন আর এটি নয় যে যুক্তরাষ্ট্র খারগ দখল করতে পারবে কি না। বরং এটি রক্ত, অর্থ, উপসাগরীয় মিত্রদের স্থিতিশীলতা এবং প্রথম মৃতদেহ দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে যে রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে যাবে– এই সব দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র কি এর মূল্য দিতে পারবে?

ওয়াশিংটন আলোচনার মাঝপথে এই যুদ্ধ শুরু করেছিল এবং এটিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলে আখ্যা দিয়েছিল। এখন, যে কূটনীতিককে যুক্তরাষ্ট্র লক্ষ্যবস্তু করেছে, তিনি তেহরানে দাঁড়িয়ে আবারও বলছেন, “আমরা তাদের জন্য অপেক্ষা করছি।”

ব্লাফ বা ভাঁওতা ধরা পড়ে গেছে। আর এখন হাতে আছে শুধু দুটি তাস উত্তেজনা বৃদ্ধি অথবা পরাজয়। অন্যদিকে ইরান, মনে হয়, কখনোই ব্লাফ দিচ্ছিল না।

লেখক: আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক

(লেখাটি দ্য ক্রেডেল অবলম্বনে)

সম্পর্কিত