চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর কদমতলীতে গ্যাসের চুলার আগুনে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। আজ রোববার ভোরে কদমতলীর গিরিধারা এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন— সবজি বিক্রেতা মো. কালাম (৪৭), তার স্ত্রী সায়মা বেগম (৩৫), ছেলে মুন্না (১২) এবং দুই মেয়ে মুন্নি (১০) ও কথা (৫)। দগ্ধ অবস্থায় সকাল পৌনে ৮টার দিকে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রতিবেশী রাকিব জানান, গিরিধারা এলাকার একটি নয়তলা ভবনের নিচতলায় পরিবার নিয়ে কালাম বসবাস করেন। রোববার সকালে রান্নাঘরে চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। পরে প্রতিবেশীরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কালাম শরীরের ৯৫ শতাংশ, সায়েমার ৬০ শতাংশ, মুন্নার ৩০ শতাংশ, কথার ৫২ শতাংশ ও মুন্নির ৩৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে আনা হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি থাকায় তাদের হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।

রাজধানীর কদমতলীতে গ্যাসের চুলার আগুনে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। আজ রোববার ভোরে কদমতলীর গিরিধারা এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন— সবজি বিক্রেতা মো. কালাম (৪৭), তার স্ত্রী সায়মা বেগম (৩৫), ছেলে মুন্না (১২) এবং দুই মেয়ে মুন্নি (১০) ও কথা (৫)। দগ্ধ অবস্থায় সকাল পৌনে ৮টার দিকে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রতিবেশী রাকিব জানান, গিরিধারা এলাকার একটি নয়তলা ভবনের নিচতলায় পরিবার নিয়ে কালাম বসবাস করেন। রোববার সকালে রান্নাঘরে চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। পরে প্রতিবেশীরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কালাম শরীরের ৯৫ শতাংশ, সায়েমার ৬০ শতাংশ, মুন্নার ৩০ শতাংশ, কথার ৫২ শতাংশ ও মুন্নির ৩৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে আনা হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি থাকায় তাদের হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।