চরচা প্রতিবেদক

প্রায় ৯ ঘন্টা ভোটগ্রহণ এবং গণনা শেষে সংসদীয় আসনগুলোর বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি অধিকাংশ আসনে এগিয়ে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিনগত রাত রাত আড়াইটা থেকে সংসদীয় আসনগুলোর ভোটকেন্দ্র থেকে আসা ফলাফল সমন্বয় করে চূড়ান্ত বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা শুরু করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪১ টি আসনে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপি ৩৪ আসনে বিজয়ী হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী বিজয়ী হয়েছে সাতটি আসনে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
এবারের নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসন বাদে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোট হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রার্থীর মৃত্যুতে ওই আসনের নির্বাচন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।
সারা দেশে দুই হাজার ২৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ভোটাররা ২৯৯ জন জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দিয়েছে। এতে ৫০টি রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এবারের নির্বাচনে ভোটার ছিল ১২ কোটি ৭২ লাখ ৯৮ হাজার ৫২২ জন। এর মধ্যে ছয় কোটি ৪৬ লাখ ২০ হাজার ৭৭ জন পুরুষ, ছয় কোটি ২৬ লাখ ৭৭ হাজার ২৩২ জন নারী এবং এক হাজার ২১৩ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ৩০০ আসনে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নিবন্ধন স্থগিত থাকায় ভোটে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ৩০ বছর পর দলটি এবার নির্বাচনী লড়াইয়ে নেই। এবার মূল লড়াই হচ্ছে বিএনপি ও জামায়াত জোটের মধ্যে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে এক হাজার ৭৫৫ জন রাজনৈতিক দলের মনোনীত এবং ২৭৩ জন স্বতন্ত্র। প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে নারী আছে ৪ শতাংশেরও কম; জামায়াতে ইসলামীসহ প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দলের কোনো নারী প্রার্থীই নেই।
বিএনপি সবচেয়ে বেশি ২৯১ জন প্রার্থী দিয়েছে এবং আটটি আসনে জোটের প্রার্থী দিয়েছে। জামায়াতের প্রার্থীরা ২২৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এবং বাকি আসনগুলোতে দলটি তার নির্বাচনী মিত্রদের প্রার্থী করেছে। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে ২৫৩ জন, জাতীয় পার্টি থেকে ১৯২ জন, গণঅধিকার পরিষদ থেকে ৯০ জন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে ৩২ জন প্রার্থী রয়েছেন।

প্রায় ৯ ঘন্টা ভোটগ্রহণ এবং গণনা শেষে সংসদীয় আসনগুলোর বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি অধিকাংশ আসনে এগিয়ে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিনগত রাত রাত আড়াইটা থেকে সংসদীয় আসনগুলোর ভোটকেন্দ্র থেকে আসা ফলাফল সমন্বয় করে চূড়ান্ত বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা শুরু করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪১ টি আসনে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপি ৩৪ আসনে বিজয়ী হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী বিজয়ী হয়েছে সাতটি আসনে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
এবারের নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসন বাদে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোট হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রার্থীর মৃত্যুতে ওই আসনের নির্বাচন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।
সারা দেশে দুই হাজার ২৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ভোটাররা ২৯৯ জন জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দিয়েছে। এতে ৫০টি রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এবারের নির্বাচনে ভোটার ছিল ১২ কোটি ৭২ লাখ ৯৮ হাজার ৫২২ জন। এর মধ্যে ছয় কোটি ৪৬ লাখ ২০ হাজার ৭৭ জন পুরুষ, ছয় কোটি ২৬ লাখ ৭৭ হাজার ২৩২ জন নারী এবং এক হাজার ২১৩ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ৩০০ আসনে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নিবন্ধন স্থগিত থাকায় ভোটে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ৩০ বছর পর দলটি এবার নির্বাচনী লড়াইয়ে নেই। এবার মূল লড়াই হচ্ছে বিএনপি ও জামায়াত জোটের মধ্যে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে এক হাজার ৭৫৫ জন রাজনৈতিক দলের মনোনীত এবং ২৭৩ জন স্বতন্ত্র। প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে নারী আছে ৪ শতাংশেরও কম; জামায়াতে ইসলামীসহ প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দলের কোনো নারী প্রার্থীই নেই।
বিএনপি সবচেয়ে বেশি ২৯১ জন প্রার্থী দিয়েছে এবং আটটি আসনে জোটের প্রার্থী দিয়েছে। জামায়াতের প্রার্থীরা ২২৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এবং বাকি আসনগুলোতে দলটি তার নির্বাচনী মিত্রদের প্রার্থী করেছে। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে ২৫৩ জন, জাতীয় পার্টি থেকে ১৯২ জন, গণঅধিকার পরিষদ থেকে ৯০ জন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে ৩২ জন প্রার্থী রয়েছেন।