চরচা ডেস্ক

ইরান এমন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম তৈরির কাজ করছে যা খুব শিগগিরই সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আমেরিকার সংবাদ মাধ্যম এনবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, গত মঙ্গলবার স্থানীয় সময়ে ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, ইরান ইতোমধ্যে এমন ক্ষেপনাস্ত্র তৈরি করেছে যা ইউরোপ এবং ওই অঞ্চলে থাকা আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিগুলোর জন্য হুমকি। এখন তারা এমন প্রযুক্তিতে কাজ করছে যা দিয়ে আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে পৌঁছানো সম্ভব।
তবে ট্রাম্পের এই দাবির সঙ্গে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আগের রিপোর্টের পার্থক্য রয়েছে। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার গত বছরের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান ২০৩৫ সালের আগে এ ধরনের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারবে না।
যুক্তরাষ্ট্রর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সরাসরি সময়সীমা না জানিয়ে বলেন, “ইরান নিশ্চিতভাবেই এই লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তাদের মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর চেষ্টাই এর বড় প্রমাণ।”
অন্যদিকে, ইরান এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘বড় মিথ্যা’ বলছেন।
বর্তমানে ইরানের কাছে ১ হাজার থেকে ৩ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। যা দিয়ে ইরান মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের একাংশে আঘাত হানতে সক্ষম। তবে আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে পৌঁছানোর মতো প্রযুক্তি ইরানের হাতে আসলে তা বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞেরা।

ইরান এমন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম তৈরির কাজ করছে যা খুব শিগগিরই সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আমেরিকার সংবাদ মাধ্যম এনবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, গত মঙ্গলবার স্থানীয় সময়ে ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, ইরান ইতোমধ্যে এমন ক্ষেপনাস্ত্র তৈরি করেছে যা ইউরোপ এবং ওই অঞ্চলে থাকা আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিগুলোর জন্য হুমকি। এখন তারা এমন প্রযুক্তিতে কাজ করছে যা দিয়ে আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে পৌঁছানো সম্ভব।
তবে ট্রাম্পের এই দাবির সঙ্গে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আগের রিপোর্টের পার্থক্য রয়েছে। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার গত বছরের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান ২০৩৫ সালের আগে এ ধরনের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারবে না।
যুক্তরাষ্ট্রর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সরাসরি সময়সীমা না জানিয়ে বলেন, “ইরান নিশ্চিতভাবেই এই লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তাদের মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর চেষ্টাই এর বড় প্রমাণ।”
অন্যদিকে, ইরান এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘বড় মিথ্যা’ বলছেন।
বর্তমানে ইরানের কাছে ১ হাজার থেকে ৩ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। যা দিয়ে ইরান মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের একাংশে আঘাত হানতে সক্ষম। তবে আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে পৌঁছানোর মতো প্রযুক্তি ইরানের হাতে আসলে তা বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞেরা।