চরচা ডেস্ক

দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি এবং শান্তা হোল্ডিংস লিমিটেড একটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
চুক্তির আওতায় রাজধানীর ইকবাল টাওয়ার থেকে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর করা হবে শান্তা পিনাকল ভবনে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. আরিফুর রহমান, স্বাধীন পরিচালক ও প্রিমিয়ার ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম. নুরুল আলম (সিজিআইএ) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ম. মনজুর মোফিজ। শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম. হাবিবুল বাসিত, গ্রুপ ফাইন্যান্সের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এম. আনিসুল হক এবং চিফ সেলস অফিসার মোহাম্মদ শিহাব আহমেদ। এছাড়া উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ম. মনজুর মোফিজ বলেন, রাজধানীর আধুনিক স্থাপনায় প্রিমিয়ার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর ব্যাংকের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।
ব্যাংক বলছে, নতুন কার্যালয়ে আধুনিক অবকাঠামো, বিস্তৃত কর্মপরিসর এবং আধুনিক সুবিধা থাকবে। যাতে করে গ্রাহক ও অংশীজনদের আরও দ্রুত, কার্যকর এবং উন্নত মানের সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে।

দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি এবং শান্তা হোল্ডিংস লিমিটেড একটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
চুক্তির আওতায় রাজধানীর ইকবাল টাওয়ার থেকে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর করা হবে শান্তা পিনাকল ভবনে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. আরিফুর রহমান, স্বাধীন পরিচালক ও প্রিমিয়ার ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম. নুরুল আলম (সিজিআইএ) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ম. মনজুর মোফিজ। শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম. হাবিবুল বাসিত, গ্রুপ ফাইন্যান্সের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এম. আনিসুল হক এবং চিফ সেলস অফিসার মোহাম্মদ শিহাব আহমেদ। এছাড়া উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ম. মনজুর মোফিজ বলেন, রাজধানীর আধুনিক স্থাপনায় প্রিমিয়ার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর ব্যাংকের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।
ব্যাংক বলছে, নতুন কার্যালয়ে আধুনিক অবকাঠামো, বিস্তৃত কর্মপরিসর এবং আধুনিক সুবিধা থাকবে। যাতে করে গ্রাহক ও অংশীজনদের আরও দ্রুত, কার্যকর এবং উন্নত মানের সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে।