চরচা ডেস্ক

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট হওয়ায় দেশবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সকলে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে ভোটের ফল ঘোষণার পরেও গণতান্ত্রিক শালীনতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার সংসত নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণের পর এক বিবৃতিতে সরকারপ্রধান এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দলসমূহের দায়িত্বশীল আচরণ, প্রার্থীদের সংযম ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের পেশাদারিত্ব-এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই প্রমাণ করেছে যে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অটুট। জনগণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।”
নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, পর্যবেক্ষক দল, গণমাধ্যমকর্মী এবং ভোটগ্রহণে সম্পৃক্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ধন্যবাদ জানান মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাই-চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অটুট থাকে। মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশ আজ আবারও প্রমাণ করেছে-জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। আমরা সম্মিলিতভাবে একটি জবাবদিহিমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে যাব। এই নির্বাচন আমাদের জন্য মহা আনন্দের ও উৎসবের। এর মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশের এক অভূতপূর্ব যাত্রা শুরু হলো।”
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ছিল। এই ধারা ধরে রাখা সম্ভব হলে আমাদের গণতন্ত্র উৎকর্ষের শিখরে যাবে।”

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট হওয়ায় দেশবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সকলে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে ভোটের ফল ঘোষণার পরেও গণতান্ত্রিক শালীনতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার সংসত নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণের পর এক বিবৃতিতে সরকারপ্রধান এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দলসমূহের দায়িত্বশীল আচরণ, প্রার্থীদের সংযম ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের পেশাদারিত্ব-এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই প্রমাণ করেছে যে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অটুট। জনগণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।”
নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, পর্যবেক্ষক দল, গণমাধ্যমকর্মী এবং ভোটগ্রহণে সম্পৃক্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ধন্যবাদ জানান মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাই-চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অটুট থাকে। মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশ আজ আবারও প্রমাণ করেছে-জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। আমরা সম্মিলিতভাবে একটি জবাবদিহিমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে যাব। এই নির্বাচন আমাদের জন্য মহা আনন্দের ও উৎসবের। এর মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশের এক অভূতপূর্ব যাত্রা শুরু হলো।”
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ছিল। এই ধারা ধরে রাখা সম্ভব হলে আমাদের গণতন্ত্র উৎকর্ষের শিখরে যাবে।”