চরচা প্রতিবেদক

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জামিনে মুক্তি পেলেই অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহানকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
গতকাল সোমবার মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিস কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন ও শাহীনুজ্জামান এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশে ডিআইজির দেওয়া নির্দেশনা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান একটি ‘বিশেষ নির্দেশনা’ জারি করেন। সেখানে বলা হয়, “কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও ফ্যাসিস্ট সংগঠনের যেসব নেতা-কর্মী জামিনে মুক্তি পেয়ে দলকে পুনর্গঠন বা মাঠপর্যায়ে সক্রিয় হওয়ার সক্ষমতা রাখেন, তাদের জামিনের পর অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখাতে (শোন অ্যারেস্ট) হবে।”
তবে যেসব ব্যক্তি এ ধরনের কার্যক্রমে সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তাদের ক্ষেত্রে আপাতত এমন ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও ওই নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়।
এই নির্দেশনা রাজশাহী রেঞ্জের আওতাধীন রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলার পুলিশ সুপারদের কাছে পাঠানো হয়েছিল।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জামিনে মুক্তি পেলেই অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহানকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
গতকাল সোমবার মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিস কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন ও শাহীনুজ্জামান এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশে ডিআইজির দেওয়া নির্দেশনা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান একটি ‘বিশেষ নির্দেশনা’ জারি করেন। সেখানে বলা হয়, “কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও ফ্যাসিস্ট সংগঠনের যেসব নেতা-কর্মী জামিনে মুক্তি পেয়ে দলকে পুনর্গঠন বা মাঠপর্যায়ে সক্রিয় হওয়ার সক্ষমতা রাখেন, তাদের জামিনের পর অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখাতে (শোন অ্যারেস্ট) হবে।”
তবে যেসব ব্যক্তি এ ধরনের কার্যক্রমে সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তাদের ক্ষেত্রে আপাতত এমন ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও ওই নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়।
এই নির্দেশনা রাজশাহী রেঞ্জের আওতাধীন রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলার পুলিশ সুপারদের কাছে পাঠানো হয়েছিল।