চরচা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতিকে অবৈধ ঘোষণা করল আদালত। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আজ শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দিয়েছে।
আদালত জানিয়েছে, প্রায় সব বাণিজ্যিক অংশীদার দেশের ওপর ট্রাম্প যে শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের নেই।
আদালতের ৬-৩ সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের রায়ে আরও জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। ট্রাম্প একটি বিশেষ জরুরি আইন ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমারজেন্সি ইকোনোমিক পাওয়ারস আইন’ ব্যবহার করে এই শুল্ক বসিয়েছিলেন। কিন্তু আদালত জানিয়েছে, এই আইন প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপ করার অধিকার দেয় না।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কিছুক্ষণ আগে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প শুল্কের পক্ষে জোর অবস্থান জানিয়েছিলেন। ট্রাম্প জানান, শুল্ক না থাকলে সবাই দেউলিয়া হয়ে যেত এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে শুল্ক নির্ধারণ করা তার অধিকার।
এর আগে আদালতের রায়ের অপেক্ষায় থাকা ট্রাম্প সে সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমি অনন্তকাল ধরে এই সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছি।”
সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের ফলে মার্কিন প্রশাসন বড় সংকটে পড়তে পারে। সরকারকে এখন বিভিন্ন দেশের সাথে করা বাণিজ্য চুক্তিগুলো নতুন করে বিবেচনা করতে হতে পারে। এমনকি আমদানিকারকদের কাছ থেকে নেওয়া বিপুল পরিমাণ শুল্কের টাকা ফেরত দেওয়ারও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতিকে অবৈধ ঘোষণা করল আদালত। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আজ শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দিয়েছে।
আদালত জানিয়েছে, প্রায় সব বাণিজ্যিক অংশীদার দেশের ওপর ট্রাম্প যে শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের নেই।
আদালতের ৬-৩ সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের রায়ে আরও জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। ট্রাম্প একটি বিশেষ জরুরি আইন ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমারজেন্সি ইকোনোমিক পাওয়ারস আইন’ ব্যবহার করে এই শুল্ক বসিয়েছিলেন। কিন্তু আদালত জানিয়েছে, এই আইন প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপ করার অধিকার দেয় না।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কিছুক্ষণ আগে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প শুল্কের পক্ষে জোর অবস্থান জানিয়েছিলেন। ট্রাম্প জানান, শুল্ক না থাকলে সবাই দেউলিয়া হয়ে যেত এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে শুল্ক নির্ধারণ করা তার অধিকার।
এর আগে আদালতের রায়ের অপেক্ষায় থাকা ট্রাম্প সে সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমি অনন্তকাল ধরে এই সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছি।”
সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের ফলে মার্কিন প্রশাসন বড় সংকটে পড়তে পারে। সরকারকে এখন বিভিন্ন দেশের সাথে করা বাণিজ্য চুক্তিগুলো নতুন করে বিবেচনা করতে হতে পারে। এমনকি আমদানিকারকদের কাছ থেকে নেওয়া বিপুল পরিমাণ শুল্কের টাকা ফেরত দেওয়ারও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।