চরচা প্রতিবেদক

শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমানের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৩ এর বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালত পাঁচ হাজার টাকায় মুচলেকায় আসামির জামিন মঞ্জুর করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) এতথ্য নিশ্চিত করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. খোরশেদ আলম তার জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি খুবই নিরীহ ও সহজ-সরল প্রকৃতির ব্যক্তি। তিনি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ একটি প্রতিষ্ঠানে সম্মানজনক পদে ছিলেন। তিনি গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭১ দিন ধরে জেল হাজতে আটক রয়েছেন। বর্তমানে শফিকুর রহমান শারীরিকভাবে অত্যন্ত অসুস্থ থাকার কারণে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে জামিনের আবেদন করা হয়েছে। শুনানি শেষে আদালত আসামির পাঁচ হাজার টাকায় মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, উত্তরা ৯ নং সেক্টরের শফিকুরের বাসার নিরাপত্তাকর্মী জাহাঙ্গীর, হোটেল কর্মচারী গোলাম মোস্তফাকে জানান ওই বাসায় বাচ্চা দেখাশোনার জন্য ছোট মেয়ে খুঁজতেছে। পরে তাদের সাথে দেখা করেন মোস্তফা।
তারা জানায়, যাকে নিয়োগ করবে তার বিবাহসহ যাবতীয় খরচ বহন করা হবে। তাতে সম্মত হয়ে গত বছরের জুন মাসে নিজের মেয়ে মোহনাকে ওই বাসায় কাজে দেন মোস্তফা। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় মোহনাকে সুস্থ অবস্থায় দেখে আসেন তার বাবা। তবে এরপর আর মোহনাকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেননি আসামিরা।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, গত ৩১ জানুয়ারি শফিকুরের স্ত্রী বিথী মোস্তফাকে ফোন করে জানান, মোহনা অসুস্থ। তাকে যেন নিয়ে যাওয়া হয়। পরে মোহনাকে আনতে যান মোস্তফা। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার কাছে মোহনাকে বুঝিয়ে দেন সাথী। তখন মোস্তফা দেখতে পান, মোহনার দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্নস্থান গুরুতর জখম।
পরে তিনি মোহনাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে জিজ্ঞাসাবাদে মোহনা জানায়, ২ নভেম্বর মোস্তফা তার সঙ্গে দেখা করে যাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অকারণে শফিকুর এবং বিথীসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা তাকে মারধরসহ খুন্তি আগুনে গরম করে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছেঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করে।
এ ঘটনায় মোস্তফা বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৩টায় উত্তরা ৯ নং সেক্টরের বাসা থেকে শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে কারাগারে আটক আছেন তিনি।

শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমানের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৩ এর বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালত পাঁচ হাজার টাকায় মুচলেকায় আসামির জামিন মঞ্জুর করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) এতথ্য নিশ্চিত করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. খোরশেদ আলম তার জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি খুবই নিরীহ ও সহজ-সরল প্রকৃতির ব্যক্তি। তিনি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ একটি প্রতিষ্ঠানে সম্মানজনক পদে ছিলেন। তিনি গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭১ দিন ধরে জেল হাজতে আটক রয়েছেন। বর্তমানে শফিকুর রহমান শারীরিকভাবে অত্যন্ত অসুস্থ থাকার কারণে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে জামিনের আবেদন করা হয়েছে। শুনানি শেষে আদালত আসামির পাঁচ হাজার টাকায় মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, উত্তরা ৯ নং সেক্টরের শফিকুরের বাসার নিরাপত্তাকর্মী জাহাঙ্গীর, হোটেল কর্মচারী গোলাম মোস্তফাকে জানান ওই বাসায় বাচ্চা দেখাশোনার জন্য ছোট মেয়ে খুঁজতেছে। পরে তাদের সাথে দেখা করেন মোস্তফা।
তারা জানায়, যাকে নিয়োগ করবে তার বিবাহসহ যাবতীয় খরচ বহন করা হবে। তাতে সম্মত হয়ে গত বছরের জুন মাসে নিজের মেয়ে মোহনাকে ওই বাসায় কাজে দেন মোস্তফা। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় মোহনাকে সুস্থ অবস্থায় দেখে আসেন তার বাবা। তবে এরপর আর মোহনাকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেননি আসামিরা।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, গত ৩১ জানুয়ারি শফিকুরের স্ত্রী বিথী মোস্তফাকে ফোন করে জানান, মোহনা অসুস্থ। তাকে যেন নিয়ে যাওয়া হয়। পরে মোহনাকে আনতে যান মোস্তফা। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার কাছে মোহনাকে বুঝিয়ে দেন সাথী। তখন মোস্তফা দেখতে পান, মোহনার দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্নস্থান গুরুতর জখম।
পরে তিনি মোহনাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে জিজ্ঞাসাবাদে মোহনা জানায়, ২ নভেম্বর মোস্তফা তার সঙ্গে দেখা করে যাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অকারণে শফিকুর এবং বিথীসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা তাকে মারধরসহ খুন্তি আগুনে গরম করে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছেঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করে।
এ ঘটনায় মোস্তফা বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৩টায় উত্তরা ৯ নং সেক্টরের বাসা থেকে শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে কারাগারে আটক আছেন তিনি।