চরচা প্রতিবেদক

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (আরএনপিপি) প্রথম ইউনিটে সফলভাবে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম লোডিং সম্পন্ন হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার এই ধাপ শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল।
প্রকল্পের ঠিকাদার রোসাটম স্টেট কর্পোরেশনের ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন জানিয়েছে, গত ২৮ এপ্রিল জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে সতর্কতার সঙ্গে মোট ১৬৩টি ফুয়েল অ্যাসেম্বলি রিঅ্যাক্টর কোরে স্থাপন করা হয়েছে।
অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট জেএসসি’র বাংলাদেশ প্রকল্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট আলেক্সি ডেরি বলেন, “জ্বালানি লোডিংয়ের পুরো কাজটি পারমাণবিক নিরাপত্তা মান এবং কঠোর প্রবিধান মেনে সম্পন্ন করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে রিঅ্যাক্টরের ওপরের অংশ স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় ইন-কোর ইনস্ট্রুমেন্টেশন সিস্টেমগুলো সংযুক্ত করার কাজ শুরু হবে।”
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন বিদ্যুৎ ইউনিটটির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও সিস্টেমের নির্ভরযোগ্যতা যাচাইয়ে কয়েকশ পরীক্ষা চালানো হবে। এরপর রিঅ্যাক্টরকে ন্যূনতম নিয়ন্ত্রণযোগ্য শক্তি স্তরে নেওয়া হবে, যা ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর পথ তৈরি করবে।
রূপপুর প্রকল্পে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর স্থাপন করা হচ্ছে, যার মোট উৎপাদন ক্ষমতা হবে দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। রাশিয়ান প্রযুক্তিতে নির্মিত জেনারেশন ৩+ রিঅ্যাক্টরগুলো আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান পূরণ করে।
বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্ব পারমাণবিক ক্লাবের ৩৩তম সদস্য হিসেবে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (আরএনপিপি) প্রথম ইউনিটে সফলভাবে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম লোডিং সম্পন্ন হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার এই ধাপ শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল।
প্রকল্পের ঠিকাদার রোসাটম স্টেট কর্পোরেশনের ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন জানিয়েছে, গত ২৮ এপ্রিল জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে সতর্কতার সঙ্গে মোট ১৬৩টি ফুয়েল অ্যাসেম্বলি রিঅ্যাক্টর কোরে স্থাপন করা হয়েছে।
অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট জেএসসি’র বাংলাদেশ প্রকল্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট আলেক্সি ডেরি বলেন, “জ্বালানি লোডিংয়ের পুরো কাজটি পারমাণবিক নিরাপত্তা মান এবং কঠোর প্রবিধান মেনে সম্পন্ন করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে রিঅ্যাক্টরের ওপরের অংশ স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় ইন-কোর ইনস্ট্রুমেন্টেশন সিস্টেমগুলো সংযুক্ত করার কাজ শুরু হবে।”
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন বিদ্যুৎ ইউনিটটির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও সিস্টেমের নির্ভরযোগ্যতা যাচাইয়ে কয়েকশ পরীক্ষা চালানো হবে। এরপর রিঅ্যাক্টরকে ন্যূনতম নিয়ন্ত্রণযোগ্য শক্তি স্তরে নেওয়া হবে, যা ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর পথ তৈরি করবে।
রূপপুর প্রকল্পে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর স্থাপন করা হচ্ছে, যার মোট উৎপাদন ক্ষমতা হবে দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। রাশিয়ান প্রযুক্তিতে নির্মিত জেনারেশন ৩+ রিঅ্যাক্টরগুলো আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান পূরণ করে।
বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্ব পারমাণবিক ক্লাবের ৩৩তম সদস্য হিসেবে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হচ্ছে।