বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশালের বানারীপাড়ায় যৌতুকের টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামীর নির্যাতনে মারিয়া আক্তার নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তারা এখন ঢাকার নন্দীপাড়ার ছোট বটতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা চালাতেন।
নিহতের বাবা কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, বিয়ের সময় প্রতিশ্রুত স্বর্ণের কানের দুল ও পরে ১৫ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে দীর্ঘদিন ধরে মারিয়াকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন রবিউল। এতে তার মা ও বোনও ইন্ধন দিতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মারিয়াকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত শনিবার মারিয়াকে মারধর করা হয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। পরিবারের দাবি, সংবেদনশীল স্থানেও আঘাত করা হয়েছিল। গুরুতর আহত হওয়ার পরও তাকে কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। অসুস্থতার কারণে রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফায়ও তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তার মা ঢাকায় গিয়ে আজ সকালে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় স্বামী, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

বরিশালের বানারীপাড়ায় যৌতুকের টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামীর নির্যাতনে মারিয়া আক্তার নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তারা এখন ঢাকার নন্দীপাড়ার ছোট বটতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা চালাতেন।
নিহতের বাবা কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, বিয়ের সময় প্রতিশ্রুত স্বর্ণের কানের দুল ও পরে ১৫ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে দীর্ঘদিন ধরে মারিয়াকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন রবিউল। এতে তার মা ও বোনও ইন্ধন দিতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মারিয়াকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত শনিবার মারিয়াকে মারধর করা হয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। পরিবারের দাবি, সংবেদনশীল স্থানেও আঘাত করা হয়েছিল। গুরুতর আহত হওয়ার পরও তাকে কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। অসুস্থতার কারণে রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফায়ও তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তার মা ঢাকায় গিয়ে আজ সকালে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় স্বামী, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।