চরচা ডেস্ক

লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছে ইরান। এই চরম উত্তেজনার মাঝেই সুইজারল্যান্ডে সরাসরি সংলাপে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে হরমুজ প্রণালি বন্ধের ইরানি দাবিকে নাকচ করে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ওই রুটে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার আমেরিকা ও ইরানের প্রেসিডেন্ট যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে আজ রোববার সুইজারল্যান্ডে এই নতুন দফার আলোচনা শুরু হচ্ছে।
বৈঠকে যোগ দিতে ওয়াশিংটন থেকে রওনা হয়েছেন মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি পারমাণবিক ইস্যু এবং লেবানন যুদ্ধবিরতি নিয়ে অগ্রগতির আশা প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিসহ একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও এই আলোচনার শুরুতে উপস্থিত থাকবেন।
ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিযোগ, ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকের প্রথম শর্ত—লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করা। ইরানের অভিযোগ, এই শর্ত বাস্তবায়ন না করে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। তাই তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, শনিবার ১৭ মিলিয়নেরও বেশি ব্যারেল তেল নিয়ে ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ এই প্রণালী অতিক্রম করেছে এবং রুটটি সম্পূর্ণ সচল রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও শনিবার লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৪৭ জন নিহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহর দাবি, ইসরায়েল মূলত লেবাননে হামলা চালিয়ে বৃহৎ মার্কিন-ইরান চুক্তিটিকে ভেস্তে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে। গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতে লেবাননে এ পর্যন্ত ৪ হাজার জন মানুষ নিহত হয়েছেন। এই সংঘাতময় পরিস্থিতির মাঝেই আজ শুরু হওয়া দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকটির ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছে বিশ্ব।

লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছে ইরান। এই চরম উত্তেজনার মাঝেই সুইজারল্যান্ডে সরাসরি সংলাপে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে হরমুজ প্রণালি বন্ধের ইরানি দাবিকে নাকচ করে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ওই রুটে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার আমেরিকা ও ইরানের প্রেসিডেন্ট যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে আজ রোববার সুইজারল্যান্ডে এই নতুন দফার আলোচনা শুরু হচ্ছে।
বৈঠকে যোগ দিতে ওয়াশিংটন থেকে রওনা হয়েছেন মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি পারমাণবিক ইস্যু এবং লেবানন যুদ্ধবিরতি নিয়ে অগ্রগতির আশা প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিসহ একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও এই আলোচনার শুরুতে উপস্থিত থাকবেন।
ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিযোগ, ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকের প্রথম শর্ত—লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করা। ইরানের অভিযোগ, এই শর্ত বাস্তবায়ন না করে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। তাই তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, শনিবার ১৭ মিলিয়নেরও বেশি ব্যারেল তেল নিয়ে ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ এই প্রণালী অতিক্রম করেছে এবং রুটটি সম্পূর্ণ সচল রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও শনিবার লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৪৭ জন নিহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহর দাবি, ইসরায়েল মূলত লেবাননে হামলা চালিয়ে বৃহৎ মার্কিন-ইরান চুক্তিটিকে ভেস্তে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে। গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতে লেবাননে এ পর্যন্ত ৪ হাজার জন মানুষ নিহত হয়েছেন। এই সংঘাতময় পরিস্থিতির মাঝেই আজ শুরু হওয়া দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকটির ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছে বিশ্ব।