চরচা প্রতিবেদক

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে (২০২৬–২৭) নিম্নস্তরের সিগারেট ও ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের কর ও মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি আরও কার্যকরভাবে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন নারী সংসদ সদস্যদের তামাকবিরোধী ফোরামের সদস্যরা। গতকাল মঙ্গলবার সংসদ ভবনের এলডি হলে অনুষ্ঠিত বাজেট-পরবর্তী এক আলোচনায় তারা এ মত প্রকাশ করেন।
সভায় জানানো হয়, জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞরা বিদ্যমান চার-স্তরবিশিষ্ট সিগারেট কর কাঠামোকে তিন স্তরে নামিয়ে আনা এবং সেই অনুযায়ী মূল্য বৃদ্ধি করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বর্তমানে নিম্নস্তর ও মধ্যম স্তরের সিগারেটের দামের পার্থক্য খুবই কম হওয়ায় একটি স্তরে দাম বাড়লে ভোক্তারা সহজেই তুলনামূলক কম দামের অন্য ব্র্যান্ডে চলে যেতে পারেন।
এই সমস্যা সমাধানে বিশেষজ্ঞরা নিম্নস্তর ও মধ্যম স্তরকে একীভূত করে ১০ শলাকার (স্টিক) এক প্যাকেট সিগারেটের খুচরা মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি সব স্তরের সিগারেটের ওপর বিদ্যমান ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটে ৪ টাকা নির্দিষ্ট কর আরোপের সুপারিশ করেন।
২০২৩–২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট ৬৮ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন নিম্নস্তরের সিগারেট বিক্রি হয়েছে। প্রতি শলাকায় অতিরিক্ত ৮০ পয়সা মুনাফা ধরা হলে তামাক কোম্পানিগুলো প্রায় ৫ হাজার ৫১২ কোটি টাকা করমুক্ত অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করার সুযোগ পাবে। এর ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হতে পারে।
এ ছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতি ১০ শলাকার সিগারেট প্যাকেটে ৪ টাকা নির্দিষ্ট কর আরোপের সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে শুধু ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে নির্দিষ্ট কর না আরোপ করলে তামাক কোম্পানিগুলো আরও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের সুযোগ পাবে।
এ কারণে অংশগ্রহণকারীরা জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্নস্তরের সিগারেট ও ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের কর ও মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন তামাকবিরোধী নারী সংসদ সদস্য ফোরামের সহসভাপতি রাশেদা বেগম হীরা।
অনুষ্ঠানে নারী সংসদ সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নেওয়াজ হালিমা আরলি, বিলকিস ইসলাম, ফরিদা ইয়াসমিন, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জাবরিন, ফেরদৌসী আহমেদ, জাহরাত আদিব চৌধুরী, সালিনা সুলতানা, শকতারা আক্তার, রেজেকা সুলতানা, নাদিয়া পাঠান পাপন, মমতাজ আলো, হেলেন জেরিন খান ও সুরাইয়া জারিন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন শাহীন আক্তার ডলি। তিনি সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক।
সভায় অংশগ্রহণকারী সবাই জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং তামাক কোম্পানিগুলোর অতিরিক্ত মুনাফা নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে জাতীয় বাজেটে প্রস্তাবিত নিম্নস্তরের সিগারেট ও ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের কর ও মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে (২০২৬–২৭) নিম্নস্তরের সিগারেট ও ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের কর ও মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি আরও কার্যকরভাবে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন নারী সংসদ সদস্যদের তামাকবিরোধী ফোরামের সদস্যরা। গতকাল মঙ্গলবার সংসদ ভবনের এলডি হলে অনুষ্ঠিত বাজেট-পরবর্তী এক আলোচনায় তারা এ মত প্রকাশ করেন।
সভায় জানানো হয়, জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞরা বিদ্যমান চার-স্তরবিশিষ্ট সিগারেট কর কাঠামোকে তিন স্তরে নামিয়ে আনা এবং সেই অনুযায়ী মূল্য বৃদ্ধি করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বর্তমানে নিম্নস্তর ও মধ্যম স্তরের সিগারেটের দামের পার্থক্য খুবই কম হওয়ায় একটি স্তরে দাম বাড়লে ভোক্তারা সহজেই তুলনামূলক কম দামের অন্য ব্র্যান্ডে চলে যেতে পারেন।
এই সমস্যা সমাধানে বিশেষজ্ঞরা নিম্নস্তর ও মধ্যম স্তরকে একীভূত করে ১০ শলাকার (স্টিক) এক প্যাকেট সিগারেটের খুচরা মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি সব স্তরের সিগারেটের ওপর বিদ্যমান ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটে ৪ টাকা নির্দিষ্ট কর আরোপের সুপারিশ করেন।
২০২৩–২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট ৬৮ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন নিম্নস্তরের সিগারেট বিক্রি হয়েছে। প্রতি শলাকায় অতিরিক্ত ৮০ পয়সা মুনাফা ধরা হলে তামাক কোম্পানিগুলো প্রায় ৫ হাজার ৫১২ কোটি টাকা করমুক্ত অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করার সুযোগ পাবে। এর ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হতে পারে।
এ ছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতি ১০ শলাকার সিগারেট প্যাকেটে ৪ টাকা নির্দিষ্ট কর আরোপের সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে শুধু ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে নির্দিষ্ট কর না আরোপ করলে তামাক কোম্পানিগুলো আরও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের সুযোগ পাবে।
এ কারণে অংশগ্রহণকারীরা জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্নস্তরের সিগারেট ও ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের কর ও মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন তামাকবিরোধী নারী সংসদ সদস্য ফোরামের সহসভাপতি রাশেদা বেগম হীরা।
অনুষ্ঠানে নারী সংসদ সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নেওয়াজ হালিমা আরলি, বিলকিস ইসলাম, ফরিদা ইয়াসমিন, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জাবরিন, ফেরদৌসী আহমেদ, জাহরাত আদিব চৌধুরী, সালিনা সুলতানা, শকতারা আক্তার, রেজেকা সুলতানা, নাদিয়া পাঠান পাপন, মমতাজ আলো, হেলেন জেরিন খান ও সুরাইয়া জারিন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন শাহীন আক্তার ডলি। তিনি সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক।
সভায় অংশগ্রহণকারী সবাই জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং তামাক কোম্পানিগুলোর অতিরিক্ত মুনাফা নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে জাতীয় বাজেটে প্রস্তাবিত নিম্নস্তরের সিগারেট ও ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের কর ও মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।