চরচা প্রতিবেদক

অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন করে তিন বছর মেয়াদি সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। বাস্তবসম্মত, ধাপে ধাপে এবং কার্যকর সংস্কার নিশ্চিত করতেই এই নতুন কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গত বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের মধ্যে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, চলমান আইএমএফ কর্মসূচির অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কাঠামোগত সংস্কার চালিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তবে বর্তমান আইএমএফ কর্মসূচি ভিন্ন অর্থনৈতিক ও নীতিগত প্রেক্ষাপটে গ্রহণ করা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, “পরবর্তীতে উদ্ভূত দেশীয় বাস্তবতা, রাজনৈতিক অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে কিছু সংস্কার বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।”
আমির খসরু আরও বলেন, “সরকার সংস্কারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও বাস্তবসম্মত ও ধাপে ধাপে এগোনোর পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যা বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রেক্ষাপটকে প্রতিফলিত করে।”
এ প্রসঙ্গে তিনি সরকারের অধীনে নতুন করে তিন বছরের কর্মসূচি প্রস্তাব করেন, যা ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেবে।
আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্ক বাংলাদেশের সংস্কার উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উভয় পক্ষ দ্রুত নতুন কর্মসূচি প্রণয়নের কাজ শুরু করার বিষয়ে একমত হয়েছে।
বৈঠকে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ বসন্তকালীন বৈঠকের আলোচনার বিষয়ও উঠে আসে। শেষে উভয় পক্ষ বাস্তবসম্মত সংস্কার কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন করে তিন বছর মেয়াদি সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। বাস্তবসম্মত, ধাপে ধাপে এবং কার্যকর সংস্কার নিশ্চিত করতেই এই নতুন কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গত বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের মধ্যে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, চলমান আইএমএফ কর্মসূচির অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কাঠামোগত সংস্কার চালিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তবে বর্তমান আইএমএফ কর্মসূচি ভিন্ন অর্থনৈতিক ও নীতিগত প্রেক্ষাপটে গ্রহণ করা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, “পরবর্তীতে উদ্ভূত দেশীয় বাস্তবতা, রাজনৈতিক অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে কিছু সংস্কার বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।”
আমির খসরু আরও বলেন, “সরকার সংস্কারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও বাস্তবসম্মত ও ধাপে ধাপে এগোনোর পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যা বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রেক্ষাপটকে প্রতিফলিত করে।”
এ প্রসঙ্গে তিনি সরকারের অধীনে নতুন করে তিন বছরের কর্মসূচি প্রস্তাব করেন, যা ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেবে।
আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্ক বাংলাদেশের সংস্কার উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উভয় পক্ষ দ্রুত নতুন কর্মসূচি প্রণয়নের কাজ শুরু করার বিষয়ে একমত হয়েছে।
বৈঠকে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ বসন্তকালীন বৈঠকের আলোচনার বিষয়ও উঠে আসে। শেষে উভয় পক্ষ বাস্তবসম্মত সংস্কার কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।