চরচা ডেস্ক

হারল কুরাসাও, পুরোনো ব্যথা বুঝি জেগে উঠল ব্রাজিলের!
বিশ্বকাপে এবারই প্রথম খেলতে এসেছে ৪৪৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তন আর প্রায় দেড় লাখ জনসংখ্যার দেশ কুরাসাও। আয়তন আর জনসংখ্যায় বিশ্বকাপ ইতিহাসেরই সবচেয়ে ছোট দেশটি আজই প্রথম বিশ্বকাপে মাঠে নেমেছে। কিন্তু প্রতিপক্ষ যখন জার্মানি, ম্যাচটাতে জয়-হারের প্রশ্ন আর পাত্তা পায়নি, ম্যাচের আগে আলোচনা হয়েছিল স্কোরলাইনে সম্ভাব্য ব্যবধান নিয়ে।
সে হিসাবে কুরাসাওকে ‘ব্রাজিল’ই বানিয়ে দিয়েছে জার্মানি! এতটুকু বলার পর ম্যাচের স্কোরলাইন বুঝে নিতে ফুটবলের খবরাখবর রাখা কোনো দর্শকেরই কষ্ট হয় না। ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ব্রাজিলকে যে ব্যবধানে হারিয়েছিল, হিউস্টন স্টেডিয়ামে আজ কুরাসাওকে ঠিক সেই ৭-১ ব্যবধানেই হারিয়েছে জার্মানি।
র্যাঙ্কিংয়ে ১০ম জার্মানি চারবারের বিশ্বকাপজয়ী, কুরাসাওয়ের র্যাঙ্কিং ৮২তম। ধারে কিংবা ভারে, কোনো দিক থেকেই তো দুই দলের তুলনা হয় না! তারওপর ‘প্লেয়ার ফর প্লেয়ার’ তুলনায় আকাশ-মাটির পার্থক্যে পিছিয়ে থাকা কুরাসাওয়ের আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা সম্ভবত এমন স্কোরলাইনের পেছনে বেশি দায়ী।
ম্যাচের ৩৫ মিনিট পর্যন্তও অবশ্য এমন স্কোরলাইন ভাবাও যায়নি! ৬ মিনিটে ফেলিক্স মেচার গোলে এগিয়ে যায় জার্মানি, কিন্তু ২১ মিনিটে লিভানো কমেনেনসিয়ার গোলে সমতায় ফেরে কুরাসাও!

কিন্তু বিরতির আগের মিনিট দশেকে কুরাসাও যেন পথ হারিয়ে ফেলে। ৩৮ মিনিটে নিকো শ্লটারবেকের পর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে কাই হাভার্টসের গোলে বিরতিতেই নির্ভার হয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরে জার্মানি।
দ্বিতীয়ার্ধে এরপর শুধু জার্মানির গোল উৎসবই চলল! বিরতি থেকে ফিরে কুরাসাও গুছিয়ে উঠতে না উঠতেই জামাল মুসিয়ালার গোল, ৬৮ আর ৭৮ মিনিটে দুই গোল বদলি নামা দুই খেলোয়াড় নাথানিয়েল ব্রাউন আর ডেনিস উনদাভের।
এরপর যে আর কুরাসাও গোল খায়নি, তাতেও সম্ভবত অস্বস্তি বোধ হয়েছে ব্রাজিল সমর্থকদেরই!

হারল কুরাসাও, পুরোনো ব্যথা বুঝি জেগে উঠল ব্রাজিলের!
বিশ্বকাপে এবারই প্রথম খেলতে এসেছে ৪৪৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তন আর প্রায় দেড় লাখ জনসংখ্যার দেশ কুরাসাও। আয়তন আর জনসংখ্যায় বিশ্বকাপ ইতিহাসেরই সবচেয়ে ছোট দেশটি আজই প্রথম বিশ্বকাপে মাঠে নেমেছে। কিন্তু প্রতিপক্ষ যখন জার্মানি, ম্যাচটাতে জয়-হারের প্রশ্ন আর পাত্তা পায়নি, ম্যাচের আগে আলোচনা হয়েছিল স্কোরলাইনে সম্ভাব্য ব্যবধান নিয়ে।
সে হিসাবে কুরাসাওকে ‘ব্রাজিল’ই বানিয়ে দিয়েছে জার্মানি! এতটুকু বলার পর ম্যাচের স্কোরলাইন বুঝে নিতে ফুটবলের খবরাখবর রাখা কোনো দর্শকেরই কষ্ট হয় না। ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ব্রাজিলকে যে ব্যবধানে হারিয়েছিল, হিউস্টন স্টেডিয়ামে আজ কুরাসাওকে ঠিক সেই ৭-১ ব্যবধানেই হারিয়েছে জার্মানি।
র্যাঙ্কিংয়ে ১০ম জার্মানি চারবারের বিশ্বকাপজয়ী, কুরাসাওয়ের র্যাঙ্কিং ৮২তম। ধারে কিংবা ভারে, কোনো দিক থেকেই তো দুই দলের তুলনা হয় না! তারওপর ‘প্লেয়ার ফর প্লেয়ার’ তুলনায় আকাশ-মাটির পার্থক্যে পিছিয়ে থাকা কুরাসাওয়ের আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা সম্ভবত এমন স্কোরলাইনের পেছনে বেশি দায়ী।
ম্যাচের ৩৫ মিনিট পর্যন্তও অবশ্য এমন স্কোরলাইন ভাবাও যায়নি! ৬ মিনিটে ফেলিক্স মেচার গোলে এগিয়ে যায় জার্মানি, কিন্তু ২১ মিনিটে লিভানো কমেনেনসিয়ার গোলে সমতায় ফেরে কুরাসাও!

কিন্তু বিরতির আগের মিনিট দশেকে কুরাসাও যেন পথ হারিয়ে ফেলে। ৩৮ মিনিটে নিকো শ্লটারবেকের পর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে কাই হাভার্টসের গোলে বিরতিতেই নির্ভার হয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরে জার্মানি।
দ্বিতীয়ার্ধে এরপর শুধু জার্মানির গোল উৎসবই চলল! বিরতি থেকে ফিরে কুরাসাও গুছিয়ে উঠতে না উঠতেই জামাল মুসিয়ালার গোল, ৬৮ আর ৭৮ মিনিটে দুই গোল বদলি নামা দুই খেলোয়াড় নাথানিয়েল ব্রাউন আর ডেনিস উনদাভের।
এরপর যে আর কুরাসাও গোল খায়নি, তাতেও সম্ভবত অস্বস্তি বোধ হয়েছে ব্রাজিল সমর্থকদেরই!